মানবযন্ত্র

ভাবছিলাম লিখা ছেড়ে দেব!

অনুভূতিহীন মানুষের লিখেই কী বা হবে!

যন্ত্রমানবের লিখার আছেই বা কী!

প্রকৃতির সবুজ মনকে এখন আর

আন্দোলন করে না একদমই।

ওই নীল আকাশে সাদা মেঘ ভেসে যাওয়া

দেখে আর রোমাঞ্চিত হই না।

বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে আবেগ আর আগের

মত উথলে ওঠে না।

বয়ে যাওয়া নদীর খরস্রোত আমার ভাবাবেগ

নিয়ে খেলা করা থামিয়ে দিয়েছে সেই কবেই!

আগে ইচ্ছে হতো কোন একদিন পাহাড়ের

চূড়োয় উঠে নীচের জমিন দেখবো,

দেখবো মানুষগুলোকে কত ক্ষীণকায় লাগে!

 

সেই দেখা আর হয়ে উঠলো না!

বিশ্বযন্ত্র আমাকে এক যন্ত্রমানব ই বানিয়ে দিলো,

মানুষ বানাতে পারলো না!

মোট পড়েছেনঃ ৮২০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৫টি মন্তব্য

  1. অতি আধুনীকতার ছোয়া মানুষ এখন যন্ত্র মানবই বটে। কী করবেন আর যা হবারতো তা হবে অভিমান করে লাভ কী আর লিখে অন্তত মনের সাধটাও মিটানো যায়। লিখতে থাকুন।
    শুভ কামনা।

  2. ডিজিটাল যুগ বলে কথা। তার কিছু উপযুক্ত প্রমান তো থাকতেই হবে।বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলাতেই এই ব্যবস্থাপনা।
    এই টপিক্স নিয়ে লেখা শুরু করুন।নতুনত্বের ছোঁয়া থাকবে।
    ভাল থাকুন,শুভ কামনা অফুরান।

  3. সবকিছু এখন যান্ত্রিক তাই অভিমান না করে লেখালেখি করুন। তাতে অন্তত যান্ত্রিকতাকে কিছুক্ষণের জন্য সরিয়ে রাখা যাবে। ভালো লিখেছেন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন

  4. আসলেই আমরা সব যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি।
    বেরিয়ে আসতে হবে॥ পুরোপুরি না হোক কিছুটা সফলতা আসতেও পারে।
    শুভ কামনা রইলো।

  5. বিশ্বযন্ত্র আমাকে এক যন্ত্রমানব ই বানিয়ে দিলো,

    মানুষ বানাতে পারলো না!
    তারপরও নিজেকে চেষ্টা করতে হবে যন্ত্রমানব থেকে বের হয়ে আসতে। যদিও পেটের দায়ে কতটুকু সম্ভব কতজনের পক্ষে তা একটি বিবেচ্য বিষয়।

  6. আমাদের প্রত্যেকেই যন্ত্রমানব হয়ে গেছি এখন। তবুও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে, লিখতে হবে,অনুভূতি আনতে হবে। ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন।

মন্তব্য করুন