গুচ্ছানুভূতি//
ঠিকানা খুঁজি-
অনেকদিন হলো আকাশের ঠিকানা খুঁজে পাইনা আর।
প্রহরী হয়ে গেছি পাখায়
দিয়ে ভর।
সাদা মেঘের গভীর থেকে কেড়ে নিতে চাই অঝর বৃষ্টি!
২-
একলা কাক-
নীলের চাদরে চিরে চ্যাপ্টা একটা দুপুর ঠাঁয় ঝুলে আছে কারেন্টের তারে।
একটা নিঃসঙ্গতার প্রতীক
খুঁড়ে যাচ্ছে সময়ের গর্ভ।
৩-
বৃক্ষের ছায়া-
দূরবর্তী চাঁদের ছায়ায় রেখেছি গোপন অজস্র কথপকথনের বৈচী!
বৃক্ষের শরীর আচড়ে
কুড়িয়ে নিয়েছি জোছনার
হাসি।
৪-
চাঁদ-
গরবিনী পণ করে হয়েছে অহংকারী!
ধরাছোঁয়ার নাগালের ওপারে রেখেছে নিজেকে বন্দী……
৫-
হারানো বসন্ত-
যেখানে বসন্ত বিদায় নেবার পথ খুঁজে হয়রান!
মৃত শরীরের আদ্যোপান্ত ভেদ করে ফুটে ওঠে হলুদ গাঁদা……
মোট পড়েছেনঃ ১,১২৯জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
খুব সুন্দর কবিতা। শুভ কামনা রইলো।
শুভ কামনা।
আকাশের ঠিকানা কেউ পায় না তবে নিজের আকাশ নিজেকে তৈরি করে নিতে হয়।
কাক একটি বিরহী প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে কবিতায় এবং আমার মনে হয় এটি যথার্থ একটি উপমা।
কষ্টের দাগ মন থেকে মুছে যায় না, চাঁদের যে এত সুন্দর জোছনা তার পরেও তার দাগ মুক্তি নেই। বৃক্ষ হয়ে যে মানুষ ছায়া দেয় তার মনে কত কষ্ট সে খবর আমরা কতজনই বা রাখি!
বিরল বস্তু সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকে। কিছু জিনিস হাতের নাগালে পেতে নেই, এতে তার সৌন্দর্য রহিত হবার সম্ভাবনা থাকে সবসময়, চাঁদও তেমনি।
সবাই সুখের পায়রা। বসন্ত এলে আশেপাশে থাকে আর বসন্ত শেষে চলে যায়। তবে রেশ থেকে যায় দীর্ঘদিন।
গুচ্ছ অনুভূতি পড়ে ভালো লাগলো আপু। শুভ কামনা সব সময়।
প্রত্যেকটি লেখার চমৎকার বিশ্লেষণে আমি মুগ্ধ। এখন বলি এই ছোট ছোট লেখাগুলো একেকটা ছবির জন্য ক্যাপসন লিখেছিলাম, সেগুলোই এখানো সংঘবদ্ধ করে এনে ছেড়ে দিলাম।
আপনার প্রতি অসংখ্য কৃতজ্ঞতা।
নিখুঁত ভাবনায় কোমল হাতের পরশ।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভালো লাগলো
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
গরবিনী পণ করে হয়েছে অহংকারী!
ধরাছোঁয়ার নাগালের ওপারে রেখেছে নিজেকে বন্দী……****
এইটা একটু বুঝিয়ে বলবেন, বুঝতে পারছি না।
সাদা মেঘ থেকে কখনও বোধহয় বৃষ্টি হয়না।
মনটা হয়েছে একলা কাক আর বিষন্ন দুপুর।কেটে যাক এমন খরখরে সময়,আসুক একপশলা বৃষ্টি এটাই কামনা।
ভালো থাকবেন।
চাঁদ সবসময় নিজের রুপে গরবিনী। চাইলেই চাঁদ পেরে আনা সম্ভব নয়।ধরাছোঁয়ার ঊর্ধেই নিজেকে বন্দী নাখে সবসময়। না বোঝার মতো কঠিন তো লিখিনি একটা ক্যাপসনও!
সাদা মেঘে বৃষ্টি তখনই হয়, যখন বৃষ্টি আরাধ্য কাম্য হয়। ভাবের কাব্যে বাস্তবতা খোঁজেন কেন? বিনামেঘেও যখন বজ্রপাদ হয়…তখন সাদা মেঘে বৃষ্টি হতে বাঁধে কে?
লেখা ছেড়ে দেবার পর পাঠক স্বাধীন কে কিভাবে পড়বেন আর বুঝবেন।
ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভ কামনা।
রাখে<নাখে
একলা কাক-
নীলের চাদরে চিরে চ্যাপ্টা বিষণ্ণ এক দুপুর,
ঠাঁয় ঝুলে আছে বিদ্যুতে; নিঃসঙ্গতার প্রতীকে,
খুঁড়ে যাচ্ছে সময়ের গর্ভ, অবিরত, নিষ্ফলে।
এভাবে পড়তে চাই, অনুমতি দিলে।
আপনার অনুমতি লাগবে আমার? লজ্জিত বা ব্যথিত করার ফন্দী ফিকির চটের বস্তায় বন্দী করে ডিপড্রেনে ফেলে দিন সামনের ব্যালকনি দিয়ে।
ঠিকানা খুঁজতে গিয়ে ঠিকানা না পেয়ে নিঃসঙ্গতার প্রতীক হয়ে একেলা সময়ের গর্ভে বৃক্ষের ছায়ায় জ্যোৎস্নার হাসি নিয়ে অহংকারী চাঁদ হয়ে বন্দী করে বসন্ত খুঁজে পাই মৃত শরীরে। শুভ কামনা রইলো
বাহ্….কয়েক বাক্যে পুরো পোস্টমর্টেম।
ভালো থাকবেন ছোটদি।
অন্যরকম ঠিকানা খুঁজা তবুও একদিন ঠিকানা হয়ে যায় নিজের অজানতেই কবি আপু
জি ভাই, সহমত। ভালো থাকবেন।ধন্যবাদ।
একলা কাক-
নীলের চাদরে চিরে চ্যাপ্টা একটা দুপুর ঠাঁয় ঝুলে আছে কারেন্টের তারে।
একটা নিঃসঙ্গতার প্রতীক
খুঁড়ে যাচ্ছে সময়ের গর্ভ।
ওরে বাবা, এমন লেখায় আসে আমার কপালে, অকবি আমি কাব্যিকতার কতটুকু বুঝি, শুধু বলি ভালো লাগলো।
পাঁচটা অনুকাব্য পাঁচটা ক্যামেরা বন্দী ছবির ক্যাপসন ভাইজান। আপনার ভালো লাগলো জেনে আমারো ভালো লাগলো।
অনন্য অসাধারণ আপু
প্রত্যেকটা লেখা -লেখার পরে শংকিত থাকি….গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে। আপনারা যখন বলেন, ভালোলেগেছে, একটু হলেও ভালো তো অবশ্যই লাগে….পাশাপাশি চিন্তাও থাকে…..আসলেই কি কিছু হয় লেখা?
আপনাকে অশেষ কৃতজ্ঞতা।
“একলা কাক-
নীলের চাদরে চিরে চ্যাপ্টা একটা দুপুর ঠাঁয় ঝুলে আছে কারেন্টের তারে।
একটা নিঃসঙ্গতার প্রতীক
খুঁড়ে যাচ্ছে সময়ের গর্ভ।”
নি:সঙ্গরা এমনি হারিয়ে যায় জীবনের পাতায়।
গুচ্ছানুভুতিটা ভাল লাগলো। শুভ কামনা।
ধন্যবাদ দাদা।ভালো থাকবেন। শুভ কামনা।
অলংকার-উপমা ও চিত্রকল্পের সমন্বয়ে চমৎকার কবিতাগুচ্ছ। তবে “ধরাছোঁয়ার/নাগালের” যে কোন একটি আরোপিত শব্দ মনে হচ্ছে। আমি একটি উঠিয়ে দিয়ে পড়লাম?
আপনার ইচ্ছেমত আপনি পড়তেই পারেন। হয়ত ভুলবশত চোখ এড়িয়ে গেছে,দুটো সমার্থক শব্দ পাশাপাশি বসে গিয়েছে।
আপনার ভালোলাগার অনুভূতি নিয়ে এলেন অনেকদিন বাদে। ভালো ছিলেন তো?
ভালো থাকবেন শুভ কামনা।
ছোট ছোট প্রতিটি গুচ্ছ জীবনের এক একটা অনুষঙ্গ ধারণ করে , লালন করে। উপলব্ধিগুলো মন ছুঁয়ে গেল ।
আপনার উপলব্ধিও লেখার গভীরতা বোঝার মতো সমৃদ্ধ। যা মুগ্ধ করলো আমাকে।কৃতজ্ঞতা জানবেন। শুভ কামনা।
আকাশের ঠিকানা খুঁজে পাই নি আমিও আপু,তাই অনেক কিছু বলা হয়ে ওঠেনি আকাশকে।আপনার লেখার কথা বলি,খুব ভালো লেখেন আপনি।সুন্দর বহিঃপ্রকাশ।
আকাশের ঠিকানা কেউকি খুঁজে পায় আপু? শুধু ভালবাসা যায় নিজের মত করে।কিন্তু ফেরত দিতে জানে কেবল মেঘ বৃষ্টি।
আমার লেখা আপনার ভালো লেগেছে জেনে সত্যি কৃতজ্ঞ হলাম।
আপনার লেখাও সমৃদ্ধতায় ভরপুর।
আন্তরিক শুভেচ্ছা জানবেন। শুভ কামনা।
ভালো লাগলো।
শুভ কামনা।