বৃষ্টির মেঘমল্লার

 

বিষণ্ণতার দুয়ার এঁটে বিস্তৃত বৈরাগ্যে বন্দিদশার
শৃঙ্খল ভেঙ্গে অনর্গল কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে
ঐ দ্যাখো ঐ দাঁড়িয়ে বটতলার নাচুনে রাক্ষস;
প্রেম সে দেবেই, নেবেও!
চারু-হৃদয়ের মধুপান তার চাই-ই;

হেঁটে যাওয়া ছায়া পথে একলা-স্বপ্ন উঁকি দেয়
দূর-বৃষ্টি সেজে মেঘমল্লারে; পথ-রেখা জুড়ে
শুধুই বিপন্ন ডানা-হীন পাখিদের ডাক
ক্ষয়ে যাওয়া অস্তিত্বে, নামে বেনামে;

ক্লান্ত রাত জড়ো হয় ছুঁয়ে থাকা নিঃশ্বাসে,
একটু শরণাপন্ন-ঋণ নেবে বলে, আকাশী চোখ থেকে,
পরস্পর হৃৎপিণ্ডের আলিঙ্গনাবদ্ধ মৃদু ধুকপুকে।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ১,০২৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৯টি মন্তব্য

      1. ঐ দ্যাখো ঐ দাঁড়িয়ে বটতলার নাচুনে রাক্ষস;
        প্রেম সে দেবেই, নেবেও!
        চারু-হৃদয়ের মধুপান তার চাই-ই; রাক্ষসের প্রেম দেয়া-নেয়া টা দারুন লেগেছে। ক্লান্তি দূর করে বৃষ্টিতে রাক্ষসরাও নতুন উদ্যমে প্রেমের জোয়ারে ভাসতে চায়

  1. তাও ভালো রাক্ষসটার মন ভালো হয়েছে। ঝুম বৃষ্টিতে বিষণ্ণতা কাটিয়ে মনে ফুটছে গুড়গুড় করা প্রেম। তাকে বাধা দেয়ার সাধ্যি কারোরেই নেই।

    কেমন আছেন ভাইজান?

  2. ক্লান্তু পথের সর্ব দুর্দশা ভেংগে চুরমার ডিংগিয়ে
    পরস্পর হৃদপিন্ডের জুগলবন্ধন মন্দ নয়।
    এভাবেই জিমে উঠুক ভালবাসা। হোম মিলন বন্ধন।

  3. রাক্ষসে প্রেম!
    তাও কিনা নাচুনে রাক্ষস
    বাপরে কি প্রেম!

    অবশেষে বিষন্নতার বিষাদ ছেড়ে
    প্রেমের জোয়ারে ভাসছে হৃদয় নদী

  4. দুনিয়া খেকো রাক্ষসটার মনে প্রেম ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে বলে মনে হয়। হতেও পারে সবার মন তো সবসময় একরকম থাকে না। পরিবর্তন হয়। রাক্ষসটা প্রেমের জোয়ারে ভেসে অনন্দে নাচতে শুরু করেছে। একসময় এরকম হওয়ার দরকার আছে।
    শুভকামনা থাকলো শ্রদ্ধেয় কবি মহারাজ।

  5. দারুণ লিখেছেন ভাইয়া — ক্লান্ত রাত জড়ো হয় ছুঁয়ে থাকা নিঃশ্বাসে,
    একটু শরণাপন্ন-ঋণ নেবে বলে, আকাশী চোখ থেকে,
    পরস্পর হৃৎপিণ্ডের আলিঙ্গনাবদ্ধ মৃদু ধুকপুকে।
    শুভ কামনা।

  6. ক্লান্ত রাত জড়ো হয় ছুঁয়ে থাকা নিঃশ্বাসে,
    একটু শরণাপন্ন-ঋণ নেবে বলে”…..এই এক লাইনের মধ্যে কি যেন পেলাম….ওটা নিয়ই সবটুকু ভালোলাগা প্রকাশ করে গেলাম।
    আপনি ভালো আছেন তো?
    সুস্থতা কামনা করছি।

    1. এখানে রাতের সাথে সম্পর্কযুক্ততার কথা বলা হয়েছে মাত্র।
      এ লেখায় তেমন কিচ্ছু নেই। তবুও বাড়তি কিছু খুঁজে পেলে সেটুকু গুণি পাঠকের ই।
      আল্লাহ আমাকে ভাল রেখেছেন।
      আপনিও ভাল থাকবেন।

  7. বিষণ্ণতার দুয়ার এঁটে বিস্তৃত বৈরাগ্যে বন্দিদশার
    শৃঙ্খল ভেঙ্গে অনর্গল কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে
    ঐ দ্যাখো ঐ দাঁড়িয়ে বটতলার নাচুনে রাক্ষস;
    প্রেম সে দেবেই, নেবেও!
    চারু-হৃদয়ের মধুপান তার চাই-ই;

    ওয়াও, কি নিপুণ শব্দশৈলীর প্রক্ষেপণ, মোহিত হলাম ভাইজান।

  8. হেঁটে যাওয়া ছায়াপথে একলা- উঁকি দেয়।
    আপনার লেখার প্রতিটি লাইন যেন এক একটি স্তবক।দারুন ভাল লাগা। আন্তরিক ধন্যবাদ, ভাল ও সুস্থ থাকুন,শুভ কামনা।

  9. “ক্লান্ত রাত জড়ো হয় ছুঁয়ে থাকা নিঃশ্বাসে,
    একটু শরণাপন্ন-ঋণ নেবে বলে, আকাশী চোখ থেকে,
    পরস্পর হৃৎপিণ্ডের আলিঙ্গনাবদ্ধ মৃদু ধুকপুকে।”
    যাক অনেক দিন পড়ে পেলাম
    রোমান্টিক কবিতা খানি
    যা খুঁজি নিত্যদিন
    প্রিয়তম তুমি পুজারিনী।
    ভাল লাগলো। শুভ কামনা।

  10. রাক্ষস কিছু দিতে চায়, তাও জোর-জবরদস্তি!! এই প্রথম শুনলাম। সব কিছু খেয়ে-খুলে ফেলা রাক্ষসও দানশীল হতে পারে জেনে কেন জানি কপালের শিরা-উপশিরা টপকানি দিচ্ছে মহারাজ। আপনি এত হাটাহাটি কেন করেন আর এত্ত অদ্ভুতুড়ে জিনিসগুলোই আপনার সামনে এসে কেন নাচা-নাচি করে ভেবে তো কূল-কিনারা পাচ্ছি না 🤔🤔

    ভাগ্যিস লিরিক সহ গান দিয়েছেন, নইলে এই ইংলিশ গানের অর্থ খুঁঁজতে খুঁজতেই রাত পোহাতো 🙂

    1. রাক্ষসেরা রাক্ষুসে হবে এটি-ই স্বাভাবিক। জবরদস্তিই ওদের স্বভাব।
      এই রাক্ষসদের উজিয়ে-এড়িয়ে মানুষ মানুষের ভালোবাসা নিয়ে পৃথিবীকে
      এগিয়ে নেবে সবুজের সমারোহের দিকে।
      গানটি আমার খুব প্রিয়, তাই লেখায় জুড়ে দিয়ে হাতের কাছে রাখলাম।
      নিরাপদে থাকবেন আপনি।

  11. হেঁটে যাওয়া ছায়া পথে একলা-স্বপ্ন উঁকি দেয়
    দূর-বৃষ্টি সেজে মেঘমল্লারে; পথ-রেখা জুড়ে
    শুধুই বিপন্ন ডানা-হীন পাখিদের ডাক
    ক্ষয়ে যাওয়া অস্তিত্বে, নামে বেনামে;

    কি অনুপম লেখনশৈল,
    শব্দের কি জাদুকরী খেলা,
    খুব সুন্দর লিখেছেন ভাইয়া।
    লেখায় একটি বিষয়বস্তু থাকে সেটাই স্বাভাবিক।
    শব্দবুনন হচ্ছে একটি লেখার অনন্য আকর্ষণ।
    খুব ভালো লাগলো।
    অনেক শুভেচ্ছা রইল।

  12. বর্ষার দিনে বৃষ্টি দেখলে সবাই কবি হইয়া যায়। সাদা-কালো মেঘের দিকে কতকিছু আঁকতে থাকে! অন্যরা ঐ মেঘের ভিতর রাক্ষস/ পরীর ছবি কল্পনা করে। আর আপনি তাতে কল্পনা করেছেন বটগাছ, রাক্ষসের ছবি।
    কবিতা আরেকটু বড় কইরা লিখলে পইড়া মজা নিতাম।

    1. দেখুন কবিদের কল্প-ভাবনা পাহাড় ডিঙ্গিয়ে যায়।
      আর যারা পাহাড় চেনে না, চড়তেও জানে না। তাদের দৌড় সে তো আপনি জানেন-ই।
      কালে ভাদ্রে এসে মজা চাওয়া/নেয়া ঠিক না।
      বড় লেখা দিলে সবাই পালিয়ে বাঁচতে চাইবে! এড়িয়েও যাবে।
      ভাল থাকুন।

মন্তব্য করুন