অগুনতি চিঠির ঝাঁক

 

ভাবছি, পাঠিয়ে দেবো আকাশের পানে
দৈনন্দিনের ভাবনা-লিপি,

অজস্র জোনাক-ঝোপের ঠিকানা,
চুপিসারে বসে থাকা স্তব্ধ-পুকুরের ঠিকানা,
ধু ধু মাঠে প্রেতাত্মার ঘূর্ণাবর্তের সাবধানতা,
অস্থির-চিত্ত হরিণীর দু’চোখের মাপ,
অহংকারী হাওয়ার উদ্দীপনা
হিংসুটে হাওয়ার ও;
অবশ্য-স্পর্শের বিদ্যুৎ-চমকের না।

সাথে থাকার আশ্বাসে ভ্যা করে কেঁদে দিলে
মাথা নেড়ে হু হু হুম হুম করা অট্টহাসি
থামিয়ে দেয়ার।

অবশ্য
ঠিকানা খুঁজে খুঁজে পেরেশান-হয়রান
হচ্ছি না আর;

অভীষ্ট ঠিকানায় ঠিক পৌঁছে যাবে
ঝাঁক বেঁধে অগুনতি চিঠি
যুক্তি তর্কের আড়ালে।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৭৯৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৬টি মন্তব্য

  1. অজস্র জোনাক-ঝোপের ঠিকানা আমি জানি। আমাদের শিমুল তলার অন্ধকার ঝোপটাটাতে প্রতি রাতে হাজার হাজার জোনাকরা দাপিয়ে বেড়ায়। আমার ভীষণ ভালোলাগার একটা ঠিকানা। চাঁদহীন রাতে সুযোগ পেলেই আমি ছুটে যাই আপনার চিঠির সেই ঠিকানায়…….

  2. রোল নম্বর দুই। জোনাকি রাত তারমধ্যে ও প্রেতাত্না ! দুঃশ্চিন্তা করবেন না অভিষ্ট লক্ষ্যে একদিন ঠিক পৌঁছে যাবেন।অস্থির -চিত্ত, অহংকারী, হিংসুটে হওয়া যাবেনা। প্রেতাত্মা রা অট্টহাসি দিয়ে যাক। আমরা ভালো কিছুর অপেক্ষায় আছি।

  3. অহংকারী হিংসুটের ঠিকানা খুঁজে না পাওয়াই ভালো।
    চিঠি পৌঁছে যাক যোগ্য ঠিকানায়, ম্যাপ সমেত 🙂

    এমন করেও কবিতা লেখা যায়!!
    আহা! প্রতিভাবানেরা কতভাবেই-না আপন প্রতিভা বিলিয়ে দেয়!!

    একটু একটু হিংসা হচ্ছে লিখতে না পারার অক্ষমতায় 😰😰

    1. হিংসা থেকে যদি ভাল কিছু হয়, হোক না তা;
      হিংসা পরম ধর্ম, কোমর কষে শুরু করে দিন, হিংসা।
      দেখুন আউল-ফাউল সবাই লেখে না, কেউ কেউ লেখে, আর এতে ‘পরতিভার’ কিচ্ছু নেই।
      নিরাপদে থেকে প্রতিভার স্ফুরণ দেখান, সোনেলা আপনার অপেক্ষায়।
      ধন্যবাদ।

  4. ভ্যা করে কেঁদে ফেললে কিন্তু কিছুক্ষণ পর মন হালকা হয়ে যায়।
    কি দরকার পেরেশান-হয়রান হওয়ার?
    পৌঁছবে বলেই লেখা হয় সমস্ত চিঠি।
    এমন কবিতা আমি লিখতে পারি না! 😔

  5. একবার লামাতে বাস একটা পাহাড়ে আটকায় যায়। তখন যাত্রীদেরকে নামতে বলা হলে দেখি কোটি কোটি জোনক পোকা রাস্তার দুধারে।
    চলেন, আকাশের ঠিকানায় চিঠি দেই। আল্লাহ এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিন।

মন্তব্য করুন