সুরঞ্জনা যখন সীমিত

 

সুরঞ্জনা,
ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি,
বোলোনাকো কথা ঐ সিক্স-প্যাক যুবকের সাথে;

সুরঞ্জনা,
ধানসিড়ির চিপায় চাপায় ঘুর-ঘুর কোরোনাকো যখন-তখন
এড়িয়ে লোকচক্ষু, চুলচুলে-চুপচুপে-তুলতুলে আলো আধারিতে;
রূপালি জ্যোৎস্নায় আধার লুকিয়ে, বেড়াল-চাতুরীর গভীরতা নিয়ে,
ঐ যুবকের সাথে শুয়ে-শুয়ে চক্রাকারে(এক্রোবেটিক স্টাইলে)
জ্যামিতির কেন্দ্র-জ্যা এর হিসেব কোরোনা।

সুরঞ্জনা,
সীমিত পরিসরে সব সব কোরো, তবে সেফটি ফার্স্ট-মাস্ট;
আমার প্রেম এখন ঘাস, আড়াল আকাশে।

তবুও ফিরে এসো সুরঞ্জনা;

সুরঞ্জনা,
তা ধিন ধিন নাচের তালে অমৃতযোগ ভেবে
যেয়ো নাকো ঐ চাঁদের দেশে,
সেখানে পান-মুখে বসে আছে মেশিন ম্যান
সদা প্রস্তুত সাড়ে সাত ইঞ্চির তীক্ষ্ণ ফলা,
ট্রাক চালিয়ে দেবে সানুদেশ বরাবর মুহুর্মুহু,
যেমন চালিয়েছিল একাত্তুরে,
ট্যাঁ-ফোঁ করার সময় দেবে না,
দেয়নি যেমন আগেও।

ফিরে এসো কুঁদুলী সুরঞ্জনা, আত্মপ্রসাদ ভেঙ্গে,
সীমিত পরিসরে;

সুরঞ্জনা,
এসো, বসি, গা-ঘেঁসে,এই ধানসিড়ির জলপিড়িতে,
জানতে চাই-না প্রবিষ্টতার হিসেব, ঐ যুবকের সাথে,
শুধু জানতে চাই সেফটি-মেজার নিয়েছিলে তো!

সুরঞ্জনা,
দেখ দেখ, সেই যুবক দাঁড়িয়ে গাছ-আড়ালে,
গুনছে তীব্র সান্নিধ্যের অপেক্ষা-প্রহর,
এস এস দ্রুত সেরে ফেলি কাজের কাজ/কথা,
হ্যাঁ, সীমিত পরিসরে, মাস্ক নিয়েই।

সুরঞ্জনা,
ফিরে এসো,
তলে তলে টেম্পু/গাড়ী যাই চালাও
আমাকে কোয়ারেন্টাইনে রেখে
শুধু হরতাল ডেকো-না, প্লিজ লাগে।

সুরঞ্জনা
তোমাকেই চাই, অ-সীমিত পরিসরের খোলা জানালায়
উন্মুক্ত সরোবর কোলাহলে;

বিদ্রঃ
হৃদয়বান/বতী পাঠক, পাঠ করুন সীমিত পরিসরে,
সেফটি মাস্ট-ফার্স্ট।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৯৩১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৪টি মন্তব্য

  1. 🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣। আগে প্রাণ খুইল্লা সীমিত আকারে হাইস্যা লই । শেষপর্যন্ত সুরঞ্জনারেই ধরলেন! আপনিও হলুদ সাংবাদিকতায় কাটতি বাড়াতে সুপায়ন ‌দাদার পিছে পিছে হাঁটলেন! সেফটি মাস্ট- ফাস্ট। সুরঞ্জনার এবার কি হবে সবাই মিলে টানাটানি করলে? এই মহামারীতে মৃত ব্যক্তি রে না আনাই ভালো, জীবিতরাই যেখানে মহাসংকটে। জীবনানন্দের সুরঞ্জনা এখনো বেঁচে আছে বলে মনে হয় না তবে সবার হৃদয়ে ঠিকই বেঁচে আছেন, থাকবে। আশা করি সীমিত আকারেই ঘুরতে যাবেন, কিনতে যাবেন তাহলে করোনাও সীমিত আকারেই অতিথি হিসেবে উপস্থিত হবেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। শুভ কামনা রইলো

    1. এত্তগুলা হাসি!
      আপনি হলুদ পাইলেন কৈ! কঠিন ও যুগোপযোগী প্রেমের কামনা মাত্র।
      নামটি নিতান্তই প্রতীক মাত্র।
      সীমিত সাবধানতা আমাদের নিতেই হবে।

      1. সুপায়ন দাদার পোস্টে দাদা মন্তব্য করেছিল হলুদ সাংবাদিকতা আমি ঐটাই বললাম আর কি। সুরঞ্জনা প্রিয় একটি নাম যবে শুনেছিলাম এই কবিতাটি

  2. হা হা হা হা হা হা হা হা হা…………………
    পেটে খিল ধরে গেলো রে!!!!! জীবন বাবুর সুরঞ্জনার এমন হাল বানাইয়া ছাড়লেন মহারাজ!! আমার মাইয়াডাও চিপায় পইড়া আছে 😂😂😂 ( আমার মাইয়ার নাম সুরঞ্জনা জানেন তো?) কি আর কইতাম সিমিতকারে এর বেশি আর লিকতারলাম না😂😂

    1. জীবন দা কে টানাটানি করা ঠিক না। প্রতীকী নাম মাত্র, এর বেশি কিছু না।
      আপনার কন্যাকে সীমিত শুভেচ্ছা এ সময়ে।
      সীমিত লেখার জন্য ধন্যবাদ, অনেকদিন পরে পরে হলেও।

    1. মেশিনম্যানকে চান্দে দ্যাহা গেছিল মনে নেই, সেখান থেকে ফিরছে বলে তো খবর পাই নাই।
      সেখানে বুড়ির অবস্থা টাইট করে দিছে সন্দেহ নেই।
      সীমিত মন্তব্যের জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ।

  3. হায় জীবন বাবু! আপনি কোথায়?
    দেখে যান সীমিত পরিসরের ঠ্যালায় আপনার সুরঞ্জনার দফারফা করে ছাড়লো!
    হায় সুরঞ্জনা!!

    হা হা হা হা হা হা….👏👏👏

    1. ঠিক আছে, আপনি সীমিততে আছেন।
      ধুর হ্যারে আবার ডাকাডাকি করেন ক্যা! শেষে আবার টানাটানি বাজাইবে, এখুন দুজন, তখন আবার তিন জনে
      মিললে কী না কী হয়।
      সাবধানে থাকবেন সীমিত ভাবে।
      এত্ত হাসে ক্যারে! আজিব! সীমিত হাসুন।

  4. “সুরঞ্জনা,
    সীমিত পরিসরে সব সব কোরো, তবে সেফটি ফাস্ট-মাস্ট;
    আমার প্রেম এখন ঘাস, আড়াল আকাশে।
    তবুও ফিরে এসো সুরঞ্জনা; “

    আবার সুরঞ্জনা নিয়ে এতো আকুতি
    তাও অবিশ্বাষের সুরে।
    তবু ছেরো না বন্ধু তারে।
    শুভ কামনা।

  5. হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গেলো। আধুনিক যুগের সুরঞ্জনারা এমনই হয়। যতযাই হোক সেফটি না নিলে কোন সুরঞ্জনাকেই ঘেঁসতে দেয়া হবে না।

    দারুণ কবিতা।

  6. সুরঞ্জনা,
    সীমিত পরিসরে সব সব কোরো, তবে সেফটি ফার্স্ট-মাস্ট;
    আমার প্রেম এখন ঘাস, আড়াল আকাশে।
    তবুও ফিরে এসো সুরঞ্জনা; “

  7. সুরঞ্জনা,
    ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি,
    বোলোনাকো কথা ঐ সিক্স-প্যাক যুবকের সাথে;..

    সুরঞ্জনা, তুমি কি এই লেখা পড়েছো!
    সিক্স প্যাক যুবকের ইস্পাত দেহ কেমন করে নাদুসনুদুস এক প্যাকে রুপান্তর হয়েছে,
    সেই খবর কি জীবন বাবুকে এখনো দিতে পারোনি!

    রেগে আছো খুব?
    এপ্রিলের পিংক কালারের চাঁদ দেখে জীবন বাবুর এত হিংসে হবে, তাই-বা কে জানতো!
    নিজেতো পান খায়না, তাই সে পিংক চাঁদের মর্ম বুঝলো না;

    সুরঞ্জনা, কান দিওনা কোয়ারেন্টাইনের কবির প্রলাপে;
    সে ভুলেছে কবিতার ভাষা,
    আর যাই করো এইদিনের এই সময়ে ধানসিঁড়িতে দিও না তোমার মন,
    লকডাউনে আপন আবাসনই নিরাপদ,
    বোঝোই তো সেফটি ফার্স্ট & মাস্ট ;

    হায় সুরঞ্জনা! করোনা তোমায় এমন দিনও দেখিয়ে দিলো!! তুমি কি এই হিংসুটে জীবন বাবুকে চিনতে?

    1. দেখুন জীবন দার সুরঞ্জনার কিন্তু অন্য যুবক-ধরার আসক্তি ছিল।

      এখনকার সুরঞ্জনারা কয়েক কাঠি সরেস, নানা আকৃতি-প্রকৃতির নানান যুবক তার প্রয়োজন, ( নানান প্যাকের)।
      সে উদাত্ত প্রেমিকা, না বলা সে শেখেনি। অবশ্য তাতে তার প্রেমিকের কুন সমস্যা নেই। ভালুবাসা বলে কথা,
      গা-ঘেসাঘেসির কালে গাছের আড়ালে অপেক্ষমান এক জন।
      ভয় শুধু, সুরঞ্জনা যেন চাঁদ দখলে নেয়া দেলবর(রাজাকার) সাহেবের নজরে না পড়ে।

      সুরঞ্জনার অকাতর প্রেম বিলানোর অভ্যাস জেনেও প্রকৃত প্রেমিক ভালুবাসাহীনতায় বাঁচতে চায় না।
      শুধু সীমিত প্রকাশ আশা করে, এই করোনা কালে।

      1. হাহাহা, কি ব্যাখ্যা দিলেন মহারাজ! সুরঞ্জনার কপাল কয় ফিট উঁচু মেপে দেখতে ইচ্ছা করছে,,, প্যাক, আর সেফটি প্যাকেজ তারই আওতায় 😀😀

মন্তব্য করুন