সব বাহন শীতঘুমে
মধ্যরাতে টমটমের ঘোড়ারাও ছুটিতে
জরি দেয়া গাড়িটার পাশে ঠাঁই দাঁড়িয়েই
নিদ্রায় মগ্ন হতে চায় ওরা।
হঠাৎ বাঁশিতে ফুঁ দেয় পাহারাদার
ছুটে চলি ফুঁ উপেক্ষা করেই
হয়তো এটাই শেষ রাত
আর যদি দেখা না হয় কারও সাথে।
মোট পড়েছেনঃ ১,১৩৯জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
আপু লেখা কই?
গড়বড় করেছিলাম ভাইয়া, তৌহিদ ভাই ঠিক করে দিয়েছেন।, 😀
শেষের লাইনটি বুকে বিঁধে গেলো যেনো, অপূর্ব লিখেছেন আপু।
আপু এতো ছোট লেখা দিলেন কেন এইবার?
ভাইয়া, করোনার কারণে মনটা বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে খুব। লিখতে ইচ্ছে করে না কিছু। ভালো থাকবেন ভাইয়া। পরম করুণাময় সহায় হোন।
আপু কবিতা কি ভয়ে পালিয়ে গেছে? ছবি দিতে গিয়ে মনে হয় লেখা দিতেই ভুলে গেছেন। শুভ কামনা রইলো
আপু, নিয়মিত ক্লাস করতে হবে, ফাঁকি দেয়া যাবে না। লেখার সাথে ছবি আর ছবির সাথে লেখা, খুব জ্বালাচ্ছে আমাকে। বলা যায় না, দুষ্ট ভূতের কারসাজিও হতে পারে! 😀😀😀
তাই মনে হচ্ছিল আমার ও। হুম নিয়মিত লিখবেন আর ছবি দিবেন । প্রাকটিস ও হবে আবার নতুন নতুন লেখা ও পাবো দ্রুত
আচ্ছা ইঞ্জা ভাই আর সুপর্ণা আপু ছবি নিয়ে কেন বলছেন? আমিতো ছবি দেখতে পাচ্ছি!!☺
করোনা আতঙ্ক জনজীবনকে স্থবির করে দিচ্ছে। ভালো থাকবেন আপু।
ছবির সাথে লেখার দেখা হতে দেরি হয়েছে ভাই, এইজন্য তাঁদের এমন প্রতিক্রিয়া।
ভালো থাকুন আপনিও।
হারিয়ে যাওয়ার ভয় আমারা পাই-ই।
তবে সব ভয় ভয় না।
লেখা কিন্ত চাই-ই।
করোনার চিন্তায় লেখা টেখা সব হারিয়ে গেছে ভাইয়া। কেমন যেন দিশেহারা লাগছে নিজেকে।
ভালো থাকবেন।
যদি আমরা জানি ‘ এটাই শেষ রাত ‘ – তাহলে মনের অবস্থা কেমন হবে ভাবছি।
ছোট লেখা ভালো লেগেছে খুব।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
মধ্যরাতে টমটমের ঘোড়ারাও ছুটিতে
ভালো থাকুন ভাইয়া।
ভয় নেই,
আনন্দ আসবে ফিরে।
ভালো থাকুন দাদা।