পরিণতির তৃতীয় পৃষ্ঠা

তখন আমি নি:স্ব নিসম্বল
একলা একা দাঁড়িয়ে ছিলাম ওঁতে
খেয়ে পান্তা পানি ও অম্বল
গা-খানাকে ভাসিয়ে দিলাম স্রোতে

ভরদুপুরে স্রোতের সে কি তেজ!
এক নিমিষেই ভাসিয়ে নিল দূরে
আনলো টেনে শীর্ণ নদীর লেজ
সাগরবুকে বিকেল সন্ধ্যা ঘুরে

সাগরবক্ষে অন্ধকার এক পথ
চিনিয়ে দিল আকাশছোঁয়া কল
যদিও সেথা ছিল আলোর রথ
বেছে নিলাম প্রতারণার ছল

তখন আমার সূর্যছোঁয়া রাত
তাই তো আমি ধার ধারিনা কারো
চক্রবৃদ্ধি চোখের ধারাপাত
হিসাব মেলায় মহাকাশের আরও

অন্ধকারে অন্ধ আমি যেই
ভাবছি কেবল আমি ঈশ্বর রব
হঠাৎ দেখি সেথায় আমি নেই
পথ হারিয়ে গভীর খাদে শব।
——————-0 0—————–

মোট পড়েছেনঃ ৭২৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৫টি মন্তব্য

  1. “ভরদুপুরে স্রোতের সে কি তেজ!
    এক নিমিষেই ভাসিয়ে নিল দূরে
    আনলো টেনে শীর্ণ নদীর লেজ
    সাগরবুকে বিকেল সন্ধ্যা ঘুরে”
    ওয়াও !
    মনে হয় কবিতায় সাতার কাটছি।
    শুভ কামনা।

  2. আমার গুরুদেব বলেছিলেন, “আকাশের লক্ষ তারা থেকে একটি তারা ছিটকে এসে তোমার ভেতরে উদয় হলে তুমি ভেবো না যে, তুমি কিছু একটা হয়ে গেছো! মহাকাশে কিন্তু আর কোটি কোটি তারা আছে।
    কবির কবিতায় আমি সেই গুরুবাক্যই শুনতে পাচ্ছি! শ্রদ্ধেয় কবিকে শ্রদ্ধা-সহ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

মন্তব্য করুন