ভয়ের কুয়াশা

 

তীব্র-কুয়াশা-ভোরে, অভেদ্য দৃষ্টিতে
এক-ঝাঁক আরক্ত-পলাশ-গুচ্ছ,
ক্ষণিকের বিস্মৃতিতে হারিয়েছে সহসা;

হয়ত অমূর্ত-আবর্তে কোথাও কোন চিত্রকল্পে
অনায়াস-পদ্ম মেলেছে মনোজ্ঞ আঙ্গিকে!!
প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত যখন।
আত্মহারা রোমাঞ্চ!সে হয়ত ক্ষণিকের
পুষ্পিত-অবয়বে।

এ-কুয়াশার কিনার ঘেঁষে উকি-দিয়ে
যদি কিছু একটা
দেখা-অনুমান করা যায়,উদগ্রীব-অতীন্দ্রিয়তায়,
সুখকর নয়,সে চিন-চিনে ব্যথা।

চকিতে ফুঁ হয়ে উড়ে যাওয়া
ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া
কুয়াশা হেসে বলে,
পলাশ-অরণ্যে আমরা তো
মাত্র-ই পৌঁছেছি।

ছবি………নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৭২১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২০টি মন্তব্য

  1. “এ-কুয়াশার কিনার ঘেঁষে উকি-দিয়ে
    যদি কিছু একটা
    দেখা-অনুমান করা যায়,উদগ্রীব-অতীন্দ্রিয়তায়,
    সুখকর নয়,সে চিন-চিনে ব্যথা”
    ———-প্রাণ ছোঁয়া

    1. কুয়াশাকে আমার খুব মায়াবী হেয়ালি মনে হয়, আমার প্রিয়।
      কুয়াশার উপর সিরিজ ফটোগ্রাফি করেছি একবার।
      এবারেও কুয়াশার ছবি নিয়েছি, প্রাণে পেলে লিখে ফেলব কয়েক লাইন, হয়ত।
      ভাবনাটি স্থির হলেই।
      আপনিও ভাল থাকবেন।

  2. দুদিন তো বেশ কুয়াশা ছিল, তখন যাওয়া হয়নি পলাশদের বনে। তাই দেখতে পারিনি তাদের কুয়াশা ভেজা রূপ।

    আজকে কিন্তু আপনার কাকবাসী রূপটা অন্য দিন থেকে ভিন্ন মাত্রার বড় ভাই।

  3. প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত যখন
    আত্মহারা রোমাঞ্চ!…

    কুয়াশার আড়ালে পলাশ অরণ্য দূর থেকে দেখাই ভালো। বেশি কাছে গিয়ে, ঝুঁকি নিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা-দেখি ঠিক না। 🙂

    হাহাহা, কি লিখেছেন মহারাজ?

মন্তব্য করুন