তৃষিত/তৃষ্ণার্ত কৃষ্ণচূড়ার ফাঁদ

 

আগুন-পলাশ-শিমুলের দিনে
তৃষিত/তৃষ্ণার্ত কৃষ্ণচূড়ার ফাঁদে,
কে কোথায় আত্মাহুতি দিয়েছে
কে জানে! কোথায় কার
ফেটে যাওয়া ধমনী থেকে রক্ত
ছড়াচ্ছে পথে পথে,
কেউ জানে না, কেউ খবর নেয় না;
শুধু-ই জানে সেই ছিঁড়ে/ফেটে যাওয়া ধমনী
আর জানে সেই আগুন-রূপী কুহকিনী;

তবুও ভাবি,
প্রায়শ্চিত্তে শুদ্ধ হোক দুর্ভিক্ষের-অভাগা-কুহকিনী
সময়োচিত ভালোবাসার চিত্র এঁকে,
হ্রদের জলে সিনান শেষে, ফিরে ফিরে আসুক;
অপেক্ষায় দাঁড় করিয়ে রাখা, দাঁড়িয়ে থাকা
কৃষ্ণচূড়ার নিচে, শিশির-সতীর্থে;

নত চোখে/মুখে গুঁজে দেবে বুক পকেটে,
তর্জমা করা পুরো একটি কবিতা।

মোট পড়েছেনঃ ১,১২৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৮টি মন্তব্য

  1. তবুও ভাবি,
    প্রায়শ্চিত্তে শুদ্ধ হোক দুর্ভিক্ষের-অভাগা-কুহকিনী
    সময়োচিত ভালোবাসার চিত্র এঁকে,
    হ্রদের জলে সিনান শেষে, ফিরে ফিরে আসুক;
    অপেক্ষায় দাঁড় করিয়ে রাখা, দাঁড়িয়ে থাকা
    কৃষ্ণচূড়ার নিচে, শিশির-সতীর্থে;

    নত চোখে/মুখে গুঁজে দেবে বুক পকেটে,
    তর্জমা করা পুরো একটি কবিতা।
    চমৎকার প্রকাশ। শুভকামনা

  2. সবার অগচরে
    আগুন-রূপী কুহকিনী ছিঁড়ে/ফেটে যাওয়া ধমনী থেকে
    রক্ত ঝরতে ঝরতে রক্তশুন্য হবে একদিন
    সেদিন না হয় প্রায়শ্চিত্তে অযুহাতে
    গঙ্গার পবিত্র জলে সিনান শেষে
    নিজেকে শুদ্ধ করে নেবে অভাগা কুহকিনী

    চমৎকার প্রকাশ।

    1. ধুর! এত কঠিন করে ভাবিনা/ভাবিনি, যাই বলি না কেন।
      শেষে কিন্তু!
      “নত চোখে/মুখে গুঁজে দেবে বুক পকেটে,
      তর্জমা করা পুরো একটি কবিতা।” এমন করেই প্রতীক্ষা থাকে।
      ভাল থাকুন।

  3. কোথায় কার কি হচ্ছে আসলেই কেউ কারো খবর রাখেনা ‌। যার কষ্ট সেই বুঝে , সেই জানে‌। ধন্যবাদ ভাইয়া। বসন্তের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো

  4. তবুও ভাবি,
    প্রায়শ্চিত্তে শুদ্ধ হোক দুর্ভিক্ষের-অভাগা-কুহকিনী
    সময়োচিত ভালোবাসার চিত্র এঁকে,
    হ্রদের জলে সিনান শেষে, ফিরে ফিরে আসুক;
    অপেক্ষায় দাঁড় করিয়ে রাখা, দাঁড়িয়ে থাকা
    কৃষ্ণচূড়ার নিচে, শিশির-সতীর্থে;

    ফিরে আসুক হ্রদের জলে সিনান শেষে শুদ্ধ শিশির-সতীর্থে। ফাল্গুনি শুভেচ্ছা।

      1. হাহাহাহা…..কি করতাম? এমুন কঠিন ভাষার ব্যাখ্যা দিতে বইলে কপালের রগ টনটন করে। পেস্টেই সুবিধা মতো বুঝাইতে সুবিধা,যা বোঝার বুঝছি, বিশদ মন্তব্যে কিপ্টামী😊😊😆😆

  5. ভাবছি কি লিখবো,
    ভাবছি কিভাবে লিখবো!
    ভেবে ভেবেই পড়ছি বারবার,
    কোথায় আছে কৃষ্ণচুঁড়া
    কই হারালো কুহুকিনী?
    কার ধমনীর শিরা ফেটে/ভিঁজে ঢোল হয়ে বাজছে
    কুহুবনে- কুহুতানে!

    ইয়ে, মানে এটা কি কবিতা ছিলো নাকি বাসন্তী প্রলাপ? আগে সেটা বলুন 🙂

মন্তব্য করুন