পাতারা ফের এসেছে ফিরে

 

ক্ষতিপূরণ হয়ে পাতারা ফের
এসেছে ফিরে, জানলার ওপাড়ে/ওপাশে,
অরক্ষিত/অদীক্ষিত পরিসরে মিশে আছে
খানিকটা দ্বিধায়, শিশির-স্নানের সমান্তরাল
রশ্মি গায়ে লেপ্টে;

ওঠো, উঠে তাকাও, জানালা ছুঁয়ে,
দ্যাখো পাতাদের প্লাবন ভূমি, অপেক্ষার
উঠি উঠি সকাল, স্নায়ুর প্রান্তিকে উচ্চকিত হৃদ-ধ্বনি
কমনীয় অমরতায় স্থির দাঁড়িয়ে আছে,
কুয়াশা গুটিয়ে অবিকল সুবাতাস বসন্ত পরম্পরায়
ছলকে দেবে;

আরবার যদি দেখা পাই অলোকসুন্দর অরুণাভে,
লিখে নেব/দেব সামান্য একটি গীতিকবিতায়
দুরূহ-দূরাভ সংকেতে, প্রত্যাবৃত্তের কাহিনী
নন্দিত বন্ধকি হৃদয়ে।

স্বাধীন নিসর্গ-নির্বাসনের আড়াল নিয়ে
আজ এতটা গরিমা না দেখালেও পারতে,
মুষ্টিমেয় অন্যমনস্কতার ভাব নিয়ে।

মোট পড়েছেনঃ ৬৫৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

    1. পাতারা ফিরে ফিরে আসে কিন্তু অন্য পক্ষ যে স্বাধীন নিসর্গ-নির্বাসনের আড়াল নিয়ে আছে!
      আপনার জন্য ও শুভ কামনা

  1. অবশেষে বুঝলাম কঠিন শব্দ প্রয়োগে কমেন্টের মানে।

    শিশির-স্নানের সমান্তরাল রশ্মি কী করে করবে যে ক্ষতি পূরণ!!

    দাঁত ভাঙ্গা শব্দ চয়ন। বাপরে বাপ!

    1. আসলে ঐ মন্তব্য আলাদা ভাবে তাৎক্ষণিক করা।
      এই লেখার সময় কি মনে করে যেন জুড়ে দিলাম।
      আমি তো আপনার/আপনাদের লেখা পরেই অনেক কিছু শিখি।
      ভাল থেকে বেশি বেশি লিখুন।

  2. কে যায়, কে যে সুদূরে হারায় –
    সুশান্ত সমীরণে ঝড় তুলে হায়,
    সুখ কি গো বীরভূমে, ময়ূরাক্ষী বুকে
    কালানল জ্বলুক তব বুকের চিতায় ।।

  3. ★আরবার যদি দেখা পাই অলোকসুন্দর অরুণাভে,
    লিখে নেব/দেব সামান্য একটি গীতিকবিতায়
    দুরূহ-দূরাভ সংকেতে, প্রত্যাবৃত্তের কাহিনী
    নন্দিত বন্ধকি হৃদয়ে।

    ★★ বন্দকি হৃদয়!!

    ★স্বাধীন নিসর্গ-নির্বাসনের আড়াল নিয়ে
    আজ এতটা গরিমা না দেখালেও পারতে,
    মুষ্টিমেয় অন্যমনস্কতার ভাব নিয়ে।

    ★★ ছ্যাঁকা-পোড়ার ছাপ 🙂

    হাহাহা, সব আপনিই লিখছেন মহারাজ!!

    1. হা হা হা!
      আগের লেখা না পড়লে তো এমন ই হবে!
      এই লেখায় সব ই পাতার/পাতাদের অভিব্যক্তি। জানালায় এসে কথা বলতেছে, ডাকাডাকি করতেছে।
      সাড়া না পেয়ে ভবিষ্যতে আবার দেখা হওয়ার আশা রাখছে, শেষে অভিমানের কথা জানাচ্ছে, গাল পেড়ে!
      পাতার/পাতাদের পোড়ার গন্ধ অবশ্যই আমরা পাচ্ছি!

  4. ওঠো, উঠে তাকাও, জানালা ছুঁয়ে,
    দ্যাখো পাতাদের প্লাবন ভূমি, অপেক্ষার
    উঠি উঠি সকাল, স্নায়ুর প্রান্তিকে উচ্চকিত হৃদ-ধ্বনি
    কমনীয় অমরতায় স্থির দাঁড়িয়ে আছে,
    কুয়াশা গুটিয়ে অবিকল সুবাতাস বসন্ত পরম্পরায়
    ছলকে দেবে

    -চমৎকার লিখেছেন, ভাল লাগলো।

  5. যা কিছু ক্ষতি, ঢেকে যাক সবুজ পত্রে । বিবর্ণ হাওয়ারা দিগভ্রান্ত হয়ে সরে যাক দূরে। রঙের ছোঁয়ায় রঙিন হয়ে উঠুক সব।

মন্তব্য করুন