অনামুখো সময়

 

ছোরা হাতে, খাঁ-খাঁ সময় তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে,
নগ্ন-দৃপ্ত আভিজাত্যে;
কোন সুকুমারী-বুক এগিয়ে আসেনি
একটু উষ্ণতার ছায়া দেবে বলে,
আসেনি অপরূপ বাণীর মায়া-কান্না/কুমির-কান্না নিয়ে,
কাঁপুনি-জ্বরের কাঁথাখানি সজোরে টেনে নিয়েছে
বিলোল কটাক্ষের মেকি আপ্লুত গুণগানে।

বিষণ্ণের মরু প্রান্তরে হন্যে হয়েছি,
ছোরার ভয়ে, ভিসা নিয়ে কেউ আসেনি,
নৌকা-শরণার্থীর আকুল কান্না কেউ শোনেনি;

শুনেছিল এক ডাইনি-রানী!
আমি তার করতলগত এখন, একান্ত গোপন কুঠুরিতে;

অনামুখো সময়, আজ উন্মুক্ত প্রান্তরে ঐ দাঁড়িয়ে
নিজেকে নিজে চিরে/ছিঁড়ে, বিঁধবে/বেঁধাবে বলে!
অনীশ বিষাদে, কা কস্য পরিবেদনায়;

মোট পড়েছেনঃ ৮৬০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

    1. না পড়লে এই-ই হয়।
      “শুনেছিল এক ডাইনি-রানী!
      আমি তার করতলগত এখন, একান্ত গোপন কুঠুরিতে;”
      খরা হতে যাবে কোন দুঃখে! ডাইনি সহযোগ দেখতে পাচ্ছেন না!

  1. হয় ছোড়া বিদ্ধ হও, নয় মাতৃভুমি ছেড়ে হারিয়ে যাও অনিশ্চিৎ ভবিষ্যতের দিকে। বড় রাক্ষসেরাও ডাইনি রাণীরই ভক্ত। (কতটা বুঝে মন্তব্য করলাম বুঝে উঠতে পারলাম না 🙁 )

  2. “ছোরা হাতে, খাঁ-খাঁ সময় তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে,
    নগ্ন-দৃপ্ত আভিজাত্যে;
    কোন সুকুমারী-বুক এগিয়ে আসেনি
    একটু উষ্ণতার ছায়া দেবে বলে,”

    কঠিন সময়ে কেউ এগিয়ে আসেনা বন্ধু
    সুকুমারীতো দুরের কথা।
    শুভ কামনা।

  3. বিপদে পড়লে কেউ কারো নয়, সে কুমারী হোক আর সুকুমারী হোক, পুরুষ হোক আর সুপুরুষ হোক। ভালো লেগেছে। ভালো থাকুন সবসময়

  4. ছোরা হাতে, খাঁ-খাঁ সময় তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে,
    নগ্ন-দৃপ্ত আভিজাত্যে;
    কোন সুকুমারী-বুক এগিয়ে আসেনি
    একটু উষ্ণতার ছায়া দেবে বলে,
    আসেনি অপরূপ বাণীর মায়া-কান্না/কুমির-কান্না নিয়ে,
    কাঁপুনি-জ্বরের কাঁথাখানি সজোরে টেনে নিয়েছে
    বিলোল কটাক্ষের মেকি আপ্লুত গুণগানে।

    খুব ভালো লিখেছেন ভাইয়া্ শুভকামনা জানবেন।

  5. বিষণ্ণের মরু প্রান্তরে হন্যে হয়েছি,
    ছোরার ভয়ে, ভিসা নিয়ে কেউ আসেনি,
    নৌকা-শরণার্থীর আকুল কান্না কেউ শোনেনি;

    সুন্দর ভাবনা ….

মন্তব্য করুন