হাস-ভাসা হ্রদের খোঁজে

 

হাসপাতাল-কান্নার আহাজারিতে ছয়লাব চারিদিক,
আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা,সঙ থেকে ভড়ং সুন্দরী;
লহরী-ক্রন্দন ধীর থেকে দ্রুত লয়ে করে পথ অতিক্রম।
হাসি হাসি সুখ-মুখের ভান করে অপেক্ষমাণের
মিছিল-ছিজিল, একটু পরেই চিৎকার চেঁচামেচির
অপারেশন টেবিল, সদাশয় চিকিৎসকের;

আজ অকাতরে বিলানো মানত-শিরনী কুড়োবার কেউ নেই,
বিধাতার কাছে করুন আকুতি, মাফ করে দিন এবারের মত
এই একটি বার, বিধাতা ব্যস্ত এখন!নিজ কাজে;

সালংকারা বাষ্প-রুদ্ধতায় খণ্ড-বিচ্ছিন্ন বলকানো জল,
শুধুই ধু ধু সুনসান নীরবতার ধারালো দেহে
ঝলমলিয়ে ঝুলে থাকে দেয়ালের কার্নিশে!
চেয়ে চেয়ে দ্যাখে অন্তঃশীল একান্তের গৃহযুদ্ধ।

মোট পড়েছেনঃ ১,০৮৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. নিত্যনতুন শব্দের সাথে পরিচয় ঘটে আপনার লেখায়।”সালংকারা বাস্প-রুদ্ধতায় খন্ড-বিচ্ছিন্ন বলকানো জল”.বাপরে!!
    অর্থ উদ্ধারে শিরতন্ত্রী দপ্ দপ্ করে জানান দিচ্ছে “এ বুঝ বোঝা তোমার কম্মো নয়!……

  2. আজ অকাতরে বিলানো মানত-শিরনী কুড়োবার কেউ নেই,
    বিধাতার কাছে করুন আকুতি, মাফ করে দিন এবারের মত
    এই একটি বার, বিধাতা ব্যস্ত এখন!নিজ কাজে;

    ওরে ভাইজান! কেমনে কি! গরীবের মরন সর্বোত্রই দেখছি।বিধাতাও কি নিষ্ঠুর যাতনাময়।চমৎকার কবিতা।
    তা সোনেলা জন্মবার্ষীকির লেখা রেডিতো? এমন দাত ভাঙ্গা লেখা দিলে কিন্তু খবর আছে।

    1. সে বিষয়ে আপনারা সবাই লিখছেন, সেটি পড়েই অনেক আনন্দ।
      বিধাতা খুব-ই রহস্যময়, আমাদের বুদ্ধির বাইরেই তিনি অবস্থান করেন।
      ধন্যবাদ।

  3. হাড্ডিসার মানুষগুলো চিরকাল অসহায়, বিধাতা মাঝে মাঝে কার্নিশ দিয়ে আলো পাঠিয়ে জানান দেন উনি আছেন। কিন্তু মানুষগুলো বড় কাহিল, জীবনকে চিনতে চায়না নতুন করে। নিজেরাই খাবলে খুবলে মরে।

  4. এই লেখার মানে খুঁজতে এখন কই যাবো!! তবে হ্যা সৃষ্টিকর্তা বোবা হয়ে থাকেন সত্যি,তবে তিনি সবার আহাজারি দেখেন, সব শোনেন।

    আপনিও কি ওমরায় যাবেন নাকি ভাইজান?

    1. দেখুন আমি ওমরাহতেই থাকি!!
      আপনিও ট্রাই নিন।
      তিনি সব-ই দেখেন শোনেন কিন্তু আমরা তা বুঝতে/মানতে চাই না, পারিও না।

  5. আমি যা বুঝেছি, তা এই লেখার অর্থ না। এর অর্থ যা, তা আমার আঙুলে টাইপ হচ্ছে না।

    কমেন্ট এটা না।
    অপেক্ষা করুন মহারাজ।
    আবার আসছি বিরতির পর। 🙂

মন্তব্য করুন