যদি

আজ যদি হঠাৎ জড়রা নড়েচড়ে ওঠে!!
বলকে ওঠা গরম চা চুমুকে পোড়াবে অধর
ওদিকে তোমার চোখ সেঁটে আছে
দূরের য ফলা ম্যাসেজে
ক্লান্ত চা অপেক্ষায় শীতল হয়ে হঠাৎ যদি বলে বসে
“খুব বেশি কী চেয়েছিলাম”?

পথের ধারে পড়ে থাকা সোনালী কয়েন
যদি ট্যাঁরা চোখে তোমায় দেখে ডেকে ওঠে
“বন্দী হতে চাই তোমার মিকি মাউস বক্সে
কতোই না যত্ন করে গোনো এক, দুই, তিন
এক রত্তির ঐ ভালোবাসাতেই চলে যাবে ঢের”।

অভিমানে যদি হুট করে বলেই বসে
ফাঁটল ধরা পথ
“অনেক তো পিষ্ট করলে পা এ, হেঁটে গেলে,
দৌঁড়ে দৌঁড়ে সেই যে সময়ে পৌঁছালে আর তো ফিরলে না!
একটিবার শুয়ে পড়ো, হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখো
ভালোবাসার খাজনা যে আমারও চাই”।

কিংবা ধরো মিছিল হলো জড়য় জড়য়
১৪৪ ধারা কিংবা ধারা ছাড়াই
ইট পাটকেল, গাড়ির কাঁচ
ভালোবাসার অবহেলার বিচার চাই,
নইলে আমরণ অনশন!

ভয় পেয়েছো? খুব বেশি কি?
ভয় পেয়োনা। জড়রা বলতে জানেনা
তবে যদি জীবন্ত জড়রা কখনো ভালোবাসা চেয়ে বসে!!

মোট পড়েছেনঃ ৯৩২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৯টি মন্তব্য

    1. নীহারিকা আপু এদেশে বেশিরভাগ মানুষের সাইজের যেই অবস্থা! জড়রা কথা বলতে পারলে সবার আগে জামাকাপড় মুক্তি চাইতো 😀
      এক একটা ম্যাকডোনাল্ডের হাতী 😀

  1. জড়রা বলতে জানে না নড়তেও জানে না যদি কেহ সাহায্য না করে।দূরে য ফলা ম্যাসেজটি কি আপু একটু বলবেন।এত সুন্দর অনুভুতি কি করে লিখেন। -{@

  2. যদি অন্য সবার মত আপনার লেখা আমি খুব সহজে বুঝতে পারতাম!
    যদি অন্য সব পাঠকের মত যদি গুলো আমার মাথার সমান উচ্চতা দিয়ে যেত!
    তবে কতই না ভাল হতো।

  3. যদি অভিমানের ভেতর কর্পূর-গন্ধমাখা ভালোবাসা হাওয়ার ভেতর দিয়ে পাঠিয়ে দেই
    হৃদয়কে কি বিদ্ধ করবে ৯-কারের মতো হুল ফুটিয়ে?
    আমি চাই তুমি আলপিনের মতো কথা ফোটাও তোমার ঠোঁটে
    জানোই তো প্রতিদিন কতো হৃদয় মরে যায়
    সম্পর্কের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে
    আর কতো অট্টালিকা আকাশ ছুঁতে থাকে একা একা—
    বাইরের দরোজা-জানালায় সুদৃশ্য পর্দা ঝোলানো থাকে বলেই হৃদয় দেখা যায়না।
    ধরো যদি হৃদয় আমার মরে গিয়ে অভিজাত ঘর তোলে, তুমি কি স্থবির হয়ে যাবে?
    জানো তো স্থবিরতার গায়ে কেউ শ্বাস নিতে আসেনা! ——–

    আমাকে তুমি পাগল করে দিলে এ লেখাটা দিয়ে। সত্যি বলছি মনের ভেতরেরও গহীন স্পর্শ করেছে কবিতার প্রতিটি অনুভূতি। এই না হলে শুন্য শুন্যালয়! কম লেখে কিন্তু রেশ থাকে দীর্ঘদিন। এমন কবিতার জন্য বহুদিন(পনেরো দিন) অপেক্ষায় থাকতে পারি। -{@

    1. কী অদ্ভুত সুন্দর লেখো তুমি নীলাপু! বাহিরের দরোজায় সুদৃশ্য পর্দা থাকে বলেই হৃদয় দেখা যায় না, বাহ্ বাহ্। আমার এইসব আবজাব ছাড়ো, বলো কবে এনরোল করছো? আমি কিন্তু একাই ছাত্রী 🙂
      ও, পনেরো দিন শান্তিতে থাকতে চাও বুঝি? সেটি হচ্ছেনা। দাঁড়াও না লেখা শুরু করি খালি।

  4. না চাইনে আর কোনো অধীকার,
    এ একার অধীকার চাইতে চাইতে আজ যে সে সত্যিই জড়ো।
    জো তাই নড়ে না চড়ে না। কোনো অনুভূতি তার কাজ করে না।
    আজ এ অধীকার না চাওয়াতে ভেবে নাও, অন্য কোথাও জড়ের প্রাণ সেজেছে। কতোটা আঘাতে এক প্রাণ জড় হয় বলতে পার?
    খুবই সুন্দর লিখেছো ননদিনী। সত্যিই রেশ থেকে গেলো। ভাবাবে আজ। ভাল থেকো। (3 -{@

    1. অতিরিক্ত ভালোবাসাতেও জড় হওয়া যায়, এটিও মাথায় রেখো!
      সত্যিই তাই কিভাবে একটি প্রাণ জড়ো হয়। তোমার মন্তব্য লেখার চেয়েও সুন্দর হয় ভাবীজান। -{@

    1. যাক বাবা, আমিতো লেখা মাপতে বসেছি। আপনি ভালো না বললে আমার লেখা জড় হয়ে থাকে, বোঝা গেলো?
      হুম ওটি আমার পছন্দের লেখা। 🙂

  5. কিছু লেখা পড়ার পর না কিছু বলতে পারিনা এক্কেবারেই চুপ হয়ে যাই। শুধু ভাবতেই থাকি ভাবতেই থাকি।এই লেখাটাও ঠিক সেই রকম। যদিও বুঝতে কষ্ট হচ্ছিল।
    খুব ভাল লিখেছো।

    1. সহজ লিখাতো মিষ্টি আপু। যাক বুঝেছো শুনে ভালো লাগছে। তোমরা ভালো বলেই না যা খুশি লিখে ভরাই দেই।
      লাভু মিষ্টি আপু -{@

  6. বুবু জড়রা না হয় বলতে পারে না কিন্তু কিছু জীব/ মানুষ যে চাইলেও বলতে পারে না। তার কি হবে?
    ওহ হো “তবে যদি জীবন্ত জড়রা কখনো ভালোবাসা চেয়ে বসে!!” এই লাইন টাও আছে? ভাবার বিষয়।
    আচ্ছা বুবু চা,সোনালি কয়েন,আর ফাটল ধরা পথের চাওয়া টা কি খুব বেশি?

    ( এই সোনালী কয়েনটা কি বাংলাদেশের সোনালী এক টাকার কয়েন 😉 ? যেটা এখন আর পাওয়া যায় না ওটা? তাইলে আমার ওটা চাই)

    1. চাওয়া বেশি না বলেই তো জড়দের মন খারাপ।
      হুম বলতে চেয়েও না বলতে পারা আরো বেশি কষ্টের।
      বাংলাদেশের কয়েন কই পামু পিচ্চি ভূত? এখানকার সোনালি কয়েনে চলবে না?

    1. আনিছ ভাইয়া তোমার লেখার কথা দিয়েই বলি। ভূমি তো জড়ই তাইনা? যা আজ তার কড়ায় গন্ডায় শোধ নেবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে…
      ভাবার আছে আসলেই।

  7. জড়রা জড়,
    নড়েচড়ে না, নড়ে না, চড়েও না,
    চা-চু-ও খায় না;
    জড়রা অজড় হলেই
    তামামশোধ!!

    এত্ত সুন্দর করে লিখলে পাঠকের আসন পাক্কা!!

    1. জড়রা না নড়লে চড়লে হাফ -লাইফ হয় কী করে ;? চলুন ভাবতে বসি।
      চা খায়না বাঁচছি, নইলে কাপে ঢালার সাথে সাথে খেয়ে ফেলতো।
      অই আসন কবেই ছেড়ে দিছি আপনারে, সুন্দর আর বেসুন্দর যাই ই লিখিনা ক্যান।

  8. হুটহাট কি লিখেন এগুলো? তবে লিখতে বসে না লিখে আমার মনে হয় এভাবে হুটহাট লিখাই ভালো। সৃষ্টি তখন শিল্প হয়। চমৎকার চমৎকার। এত্ত সুন্দর করে লিখলে পাঠকের আসন পাক্কা!!

    1. আসন পাক্কা তো অবশ্যই তবে পাঠক অনিয়মিত না হলেই বাঁচি, তখন আসন সিমেন্ট দিয়া বান্ধাইয়ায়ো কাজ হপেনা। সব হাওয়া হাওয়া। মাঝে মাঝে সত্যি বলার চর্চা রাইখ্যেন।

মন্তব্য করুন