ভোরের আততায়ী

খুঁজছি একটি সুবেশী আততায়ী
নিঃশব্দ মৌনতার কাছে বর্ষামাদলে,
জানলা দিয়ে হামলে পড়বে শিলাবৃষ্টির বেশে
বয়ে যাবে কেয়ামত তাজা রক্তের স্রোত শেষে;

ধোয়া ওঠা হিম হিম বরফে খুন হতে হতে
ভালোবাসার মেঘজল বর্ষা হয়ে ছুঁয়ে যাবে
সকাল, বিকেল ও রাতে,

বন্ধক প্রাণে খুনের তালিম নিয়েছে কে কবে কোত্থেকে?
ভোর যে এসে গেল আততায়ীর ভুতুড়ে বিষণ্ণ চিৎকারে
সোনারোদ হেসে হেসে হানা দেয় নূতনের মায়াভোরে,

মোট পড়েছেনঃ ৬৮২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. ভোর যে এসে গেল আততায়ীর ভুতুড়ে বিষণ্ণ চিৎকারে
    সোনারোদ হেসে হেসে হানা দেয় নূতনের মায়াভোরে,,,,,,,,,,,,,,,

    দারুন। .. (3

  2. বাহ্‌ চমৎকার লেখা ভাউ। আততায়ী শিলাবৃষ্টির বেশে জানালা দিয়ে হামলে পড়বে? ভালোবাসতে বাসতে মেরে ফেলা কি একেই বলে?
    বন্ধক প্রাণে খুনের তালিম!! মানে প্রাণ আগেই বাঁধাছাঁদা পড়েছে কোথাও? এখন এই প্রাণ খুন করেই বা কি হবে!! সত্যি বলছি মাইরালাইছেন এই লেখা দিয়ে। আমি আইজই পেস্ট করুম আমার ইয়ের কাছে, লেখকের নাম উহ্য রেখেই।

    1. অবশ্যই চমৎকার, দেখতে হবেনা কে প্রশংসা করেছে।
      দেখুন এত্ত ভালুবাসা আপনি বোঝবেন না, আর সেখানে খুন হওয়া খুন করা কুন ব্যাপার না।
      বন্ধকের মায়াবী যন্ত্রনা এড়ানোর ঊপায় নেই, খুন হলেও।
      আমার এই মূল্য লেখা হরণ করে আমাকে বৈরাগী বানাবেন্না প্লিজ,
      কপিরাইটের মামালা থেকে কেউ বাচতারবে না,
      ইয়ে সবার থাকে না , হয় ও না, তা কিন্তু জানি ভাউ।

      1. ইয়ে নাই, ইয়ে নাই বলে আমার ইয়েরে সামনে আনতে চাচ্ছেন, সে কিন্তু আমি ঠিক বুঝতে পেরেছি। এতোটা সহজ না, ভোর সবসময়ই রহস্যময়।
        একটা লেখার এতো টান? এইজন্যেই প্রিয়তে নেইনা, কবে এসে হামলা করেন আমার জিনিস আমারে ফিরায় দেন বলে ঠিক নাই। হ ভাউ, আপনার ভালুবাসা আমি বুঝতারিনা, আম নেব না ছালা নেব টাইপ অবস্থা, আল্লাহ্‌ আপনারে রক্ষা করুক।

      2. আপনার দুয়া অবশ্যই কাম কাইজে লাগবে, লাগুক।
        আচ্ছা, ইয়ে রহস্যের আচলে বেধে রাখুন, তবে আচল তলে যেন না হয় আবার। ইয়েরাও নিঃশ্বাস
        নিয়েই বাঁচতে চায়।
        বলেন কী! টান ! মানে ভীষণ টানাটানি, কালে ভাদ্রে এ বস্তু মিলায়! অবশ্য ভাউ চাইলে না দেয়ার সাধ্য
        ভূ-ভারতে কারো নেই।

      1. রিতু আপু, কে কারটা নকল করছে কোন প্রমাণ আছে? দিনক্ষন আর এখন কোন মজবুত প্রমাণ না 🙂 আর ভাবী তো সারাক্ষন ননদিনির পেছনে লাগে, তাই কেউ আপনারে বিশ্বাস করবেনা 😀
        বেশি ঘুষ ঘুষ করলে কদুর তেল মাখিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখবো 🙂

  3. শিলাবৃষ্টির মতো হয়নি তো কখনো এ মৌন মেঘ। নিরবে ঝরেছে টিপ টিপ বৃষ্টি হয়ে। টিপ টিপ বরষনেই হিম হিম কুয়াশায় এঁকেছি জানালার কাচে এ মৌনতার দূশ্যপট।
    গোপন যে আততায়ী সে তামিল নিয়েছিল কোনো এক অজানা সময়ে, খুন করে গেলো এ দৃশ্যপট।
    বাহ! দারুন তো, কবিতাটা !

  4. ধোয়া ওঠা হিম হিম বরফে খুন হতে হতে
    ভালোবাসার মেঘজল বর্ষা হয়ে ছুঁয়ে যাবে
    সকাল, বিকেল ও রাতে,

    লাইন গুলো আটকে থাকবে, অনেকদিন পর্যন্ত মনে।

  5. খাইসেরে! আততায়ী শিলাবৃষ্টির বেশে জানালা দিয়ে হামলে পড়বে? এইরাম কিছু হইলে আততায়ী আমারে খুন করবে কী, আমিই বরং শিলা কুড়াইয়া কটরমটর কইরা চাবাইয়া খাইইয়্যালামু। 😀
    “ধোঁয়া ওঠা হিম হিম বরফে খুন হতে হতে
    ভালোবাসার মেঘজল বর্ষা হয়ে ছুঁয়ে যাবে
    সকাল, বিকেল ও রাতে,” – ভাউ, কয়বার খুন হওয়া যায়? এই খুন কোন খুন? ;?

    1. আততায়ীরও প্রাণের মায়া আছে, ওরা সব ডাকে সাড়া দেয় না।
      দ্বিতীয় খুন খুন না, ভালুবাসার বর্ষা ধারা, এ খুন মহানন্দের।

      যাক, শত ব্যস্ততায়ও এহেন লেখা পড়ছেন দেখে আনন্দিত।

  6. মাথা চুলকাচ্ছে। ^:^
    ডরও লাগে। খুণ শব্দটা শুনেই তো আর ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা।

    কবিতারে আজ ছুটি দিলাম। বুঝে নিতে পারলে আবার আসবো। ;?

মন্তব্য করুন