হারিয়ে গেলি।।
কোন মন্ত্রবলে পারলি নিজেকে হারাতে যদি বলে যেতিস।
আয়নাটা কেমন করে লুকিয়ে রাখিস?
তোর ছায়া পরেনা তাতে?
ভেঙ্গে চুড়ে শুধু নিজের ছায়া বাড়িয়ে যাস,
তবুও কেমন দিব্যি এড়িয়ে যাস।
কেমন করে?
সদ্য শান্ত হওয়া পুকুর ঘাটে, দেখি গাছের ছায়া, আকাশের ছায়া
দেখি জোড়া জলকাঁকড়া,
কিশোরের ঢিল ছুড়ে ব্যাঙ্গাচির লাফ দিয়ে যাওয়া
কেউ পারেনি বাঁধতে নিজেকেই নিজের দেখতে চাওয়া।
তুই কেমন করে পানিতে নিজের ছায়াটা এড়িয়ে যাস?
রাতের অন্ধকারে যখন ঘরের কাঁচ আয়না হয়ে যায়,
তুই কেমন করে ঘর ছেড়ে যাস?
ঘর হারিয়ে, সব ছাড়িয়ে তুই নিজেকে নিয়ে কোথায় যাস?
একা হলেই সবকিছু এসে ভিড় করে, বুঝলিরে???
উৎসর্গঃ বুনো দি।
মোট পড়েছেনঃ ৮১০জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
খুব সুন্দর অনুভূতি!
বিশেষ করে- “কিশোরের ঢিল ছুড়ে ব্যাঙ্গাচির লাফ দিয়ে যাওয়া
কেউ পারেনি বাঁধতে নিজেকেই নিজের দেখতে চাওয়া।”- অনেক ভালো লাগল।
মুগ্ধতা রেখে গেলাম প্রিয় কবি!
শুভ সকাল। -{@
কবি সম্বোধন শুনেই হেসে ফেলেছি ভাইয়া, লেখার বিভাগ সিলেক্ট করতে গিয়ে কবিতা তে টিক আমি কখনই দিতে পারিনা।
আপনার ভালো লেগেছে বলে ধন্যবাদ দিচ্ছি। শুভ সকাল।
অনুভুতি প্রকাশের
সুন্দর ভঙ্গিমা আপনার দিদি।
ভালোলাগা রেখে গেলাম।
শুভ সকাল।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সাথে থাকবার জন্য। শুভ সকাল।
“সদ্য শান্ত হওয়া পুকুর ঘাটে, দেখি গাছের ছায়া, আকাশের ছায়া
দেখি জোড়া জলকাঁকড়া,
কিশোরের ঢিল ছুড়ে ব্যাঙ্গাচির লাফ দিয়ে যাওয়া
কেউ পারেনি বাঁধতে নিজেকেই নিজের দেখতে চাওয়া।”
দারুণ লেগেছে… (y)
অনেক দিন পর আপনাকে দেখে ভালো লাগছে। ভুলে যাননা দেখে খুশি হই। ভালো থাকবেন।
অসাধারণ প্রকাশ। তিনটি লাইন ভাল লেগেছে সবচেয়ে বেশি।
… ভেঙ্গে চুড়ে শুধু নিজের ছায়া বাড়িয়ে যাস,
তবুও কেমন দিব্যি এড়িয়ে যাস।
কেমন করে?…
(y) (y)
একটি লাইন ভালো লাগলেই খুশি হয়ে যেতাম, বলছেন তিনটি লাইন 🙂
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে অরণ্য -{@
হারিয়ে আর যাবে কতদূর, কোথায়?
হারানোর সীমা তো অসীম নয়
ফিরতে হবেই এক সময় তাঁকে উৎসের কাছে।
ভালো লিখেছেন।
বুনোদিকে মিস করি আমিও।
কখনো কখনো হয়তো নিজের কথা ভাবার সময় আসে, তাই চলে যায়। ফিরে আসুক সে প্রত্যাশা আমাদের। আপনি কি লেখালেখি ছেড়ে দিলেন?
আমি কি ভাই আপনাদের মত লেখক নাকি?
ব্লগে আছি, কিছু লিখতে হয় বলে লেখা
এইত —-
আমিও ভাই লেখক নই, ব্লগে আছি, কিছু লিখতে হয় বলে লেখা। আপনার কথাই বললাম আর কি।
আসলে আপনার এ লেখাটিতে মন্তব্য করা খুব মুস্কিলের কাজ। একে ত আপনি পুরোদস্তুর কবি হয়ে
উঠছেন এরপর যে ভাবে যে উচ্চতায় নিজের ভাব-ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন তাতে সামান্যদের
মন্তব্য ফন্তব্যের মত দেয়ালে মাথা ঠুকে মরবে। তবে একটি কাজ হয়েছে তাঁর লেখাগুলো আবার আবার পড়লাম।
নূতন করে আবিস্কৃত হল আরও অনেক অনেক দিক।
যার জন্য লিখেছেন আসলে সেই সঠিক মন্তব্য করতে সক্ষম, তার লেখায় আত্মহত্যা প্রবণতা দেখলাম।
নাছরিন নিজে আত্মহত্যা করেছে,তাঁকেও ডাকাডাকি করছে। সে পথে না গেলে আপনার মত আমরাও
তাঁর ফিরে আসার অপেক্ষা করতে থাকব।
শরীরী আত্মহত্যার চেয়ে লেখার আত্মহত্যা আরো কস্টকর। দেখেছি তার লেখায় কিছুদিন যাবত, বলেছিও তাকে। জানিনা সে কি করছে? নাছরিনের প্রলোভন এড়ানো কষ্টকরই বটে। মৃত মানুষের ক্ষমতা বেঁচে থাকা মানুষের চাইতেও হয়তো বেশি।
অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোন পথ দেখছিনা।
আপনার কি অবস্থা? এখনো খোঁজাখুঁজি চলছে নাকি ধরা দিয়েছে?
কামনা করি তাঁর শেষ লেখাটি যেন তার এপিটাফ না হয়।
অবশ্য আমাদের থেকে আপনারই বেশি বেশি জানার কথা।
আপনি যে কি বলেন না !!! শেষ লেখা তার এপিটাফ হবে কেনো? আমারই তো শুনে রাগ লাগতেছে, আপনার মুন্ডুপাত করার জন্য হলেও তার তারাতারি ফিরে আসা উচিত।
আমিও বলি আমার সবকিছু পাত করে হলেও তাঁর ফিরে আসা উচিৎ।
হারিয়ে যাওয়া কাউকে এভাবে মনে করেন কিভাবে আপু? এত্ত গুলান ভালোলাগা লেখায়।
সে আমার সই তো, সবসময়ই মনে করি। এত্তোগুলান ধন্যবাদ তোমাকে।
বন্ধু তোমার কাব্য পড়ে আমার যা মনে হলঃ
সচ্ছ জলে আমি দেখেছিলাম
তোমার ভেসে উঠা জল ছবি,
ডেউয়ের তোড়ে হারিয়ে যাও
হারায় সঞ্চিত প্রেম সবি।
বন্ধু বরাবরের মত তোমার লিখায় প্লাসের বন্যা। আর শুভকামনা নিরন্তর।
ঢেউ একসময় শান্ত হয়ে যায়, চিন্তা লইয়ো না।
তোমাকেও শুভকামনা অনেক অনেক, ভালো থেকো বন্ধু।
রাতের অন্ধকারে যখন ঘরের কাঁচ আয়না হয়ে যায়,
বেশ আনকমন।
রাতের বেলা যখন বাইরে অন্ধকার হয়ে যায়, তখন ঘরের কাঁচে নিজেকে দেখা যায়, আয়না হয়ে যায়।
অনেক ধন্যবাদ মনির ভাই।
Red, red wine
Goes to my head
Makes me forget that I…still need her so.
Red, red wine
It’s up to you
All I can do, I’ve done
Memories won’t go, memories won’t go.
🙂
আহ, UB40.. Lovely song. Lovely memories.
Don’t break my heart…
Memories won’t go 🙂
চমৎকার লিখেছেন (y)
ধন্যবাদ পরী। পরীর চিঠি পাইনা কিন্তু অনেকদিন।
শিখাবে আমায় এতো চমৎকার কি করে লেখেন?
রাতের অন্ধকারে যখন ঘরের কাঁচ
আয়না হয়ে যায়,
তুই কেমন করে ঘর ছেড়ে যাস?
ঘর হারিয়ে, সব ছাড়িয়ে তুই
নিজেকে নিয়ে কোথায় যাস?
হৃদয় নাড়ানো
আপনাকে শিখাতে হবে না, পারলে আমাকে কিছু শিখিয়ে দিয়েন। অনেক ভালো লেখেন আপনি।
ভালো থাকুন, অনেক শুভেচ্ছা।
খাইচে আমারে, আমি এতো ভালো? আপু প্লিক আর না ফুলে ফেটে যাবো
আপনার লেখায় ফের লিখতে ইচ্ছে করল।
হারিয়ে যাওয়া শিখতে নেই। দেখতেও নেই এভাবে নিজেকে।
যে হারিয়ে যাবার সে এমনিতেই হারিয়ে যায়।
সবকিছু মাড়িয়ে, ভেঙ্গে-চুরে
হয়তোবা তার অতি ভাললাগা দুপায়ে গুঁড়িয়ে
তারই প্রয়োজনে এরা হারিয়ে যায়।
হারিয়ে যাওয়া শিখতে নেই। হারিয়ে যাওয়া ভাল না।
আপনার মন্তব্য আমার লেখার চাইতেও সুন্দর হয়েছে। শিখে কেউ হারিয়ে যেতে পারেনা। অই যে বললেন, হয়তোবা তার অতি ভাললাগা দুপায়ে গুঁড়িয়ে তারই প্রয়োজনে এরা হারিয়ে যায়।
তার ফিরে আসার অপেক্ষাতে আছি।
ভালো থাকুন আপনি, অনেক ধন্যবাদ।
হারিয়ে যাবো বললেই কেউ হারিয়ে যেতে পারে নাকি? শুন্য আপু আছেন না? যাবে কোথায় হারিয়ে? (y)
কেউ কেউ হয়তো পারে। নাম শুন্য বুঝতেই পারছেন, কোনই কাজের না।
তারপর ন ভাই, আছেন কেমন?
‘ দেখি জোড়া জলকাঁকড়া,
কিশোরের ঢিল ছুড়ে ব্যাঙ্গাচির লাফ দিয়ে যাওয়া’ – এত কিছু দেখেন কিভাবে? সবাই সবাইকে নিয়ে কত কিছু লেখে।আমাকে নিয়েই কেউ কিছু লিখলো না। (-3 ছেরা হৃদয়ে মলম লাগানোরও কেউ নেই 🙁
আহারে আমি কার্ডিওলজিস্ট না, নইলে আপনার হার্ট (3 এমন করে দিতাম। প্রতিভাবানরা একটু আড়ালে আবডালেই থেকে যায়। আপনাকে একটা লেখা দিতেই হয়, কিন্তু আমি যা লিখি…
তুই কেমন করে ঘর ছেড়ে যাস?
ঘর হারিয়ে, সব ছাড়িয়ে তুই নিজেকে নিয়ে কোথায় যাস?
অসাধারন :c :c :c
এখানে পেয়ে খুশি হলাম, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।
আসতে পারিনা বলে কেউ মনেই রাখবেনা এটি ভাবিনি আপু 🙁
কেউ মনে রেখেছে কিনা কি করে বুঝলেন? অন্যের মনের ব্যাপার স্যাপার বোঝা বড়ই জটিল কাজ। তবে আপনি যে সোনেলাকে আস্তে আস্তে ভুলে যাচ্ছেন তা কিন্তু দেখতে পাচ্ছি। ভালো থাকুন উত্সব কন্যা।
হারিয়ে যাবে আর কতদুর? ফিরে একসময় আসতেই হয়।লেখায় খুব আবেগ (y)
ধন্যবাদ সোনিয়া আপু। ফিরে আসবে এই আশাই করছি।
কেউ হারিয়ে গেলে এভাবে লিখতে হয় বুঝি! ফিরে আসুক সে।
কেউ না আপু, কেউ কেউ হারিয়ে গেলে লিখতে হয়। আসবে সে নিশ্চয়ই।
কেউ পারেনি বাঁধতে নিজেকেই নিজের দেখতে চাওয়া।
তুই কেমন করে পানিতে নিজের ছায়াটা এড়িয়ে যাস? — অসাধারন। হারিয়ে যাবে কোথায়? এমন ভালোবাসার টান উপেক্ষা করা অসম্ভব।
nothing is impossible… 🙂
আপনাকে এতো কম কম দেখি কেনো?
হি হি!
হি হি কি? দেখেছেন, কি কস্টটা করিয়ে ছাড়লেন? 🙁
লাইনগুলো আড়ালে আবডালে…ঠিক যেমন অনুভূতি লুকিয়ে থাকে…
ভবঘুরে টা যে কেন সোনেলায় আসেনা 🙁
এটাই বুঝি তোমার সেই পোষে রাখা কষ্টের পোস্ট আপু?……….
না না এতো আমার শত্রুর শত্রু ডাইনী বুড়িকে নেয়া লেখা। কোথায় যে পালালো আবার কোন চুলায় কে জানে 🙁
এতো কষ্ট করতে হবেনা রে পাগলী। ইনবক্সে বলবো নে 🙂
হুমমমম জানায়ও……
মিস ইউ বুনো দি। ফিরে আয়।