রাতে

রাতে, নিভাঁজ প্রকৃতির সামনে দাঁড়ালে মাথা নত হয়ে আসে,
খুব গুটি গুটি লাগে নিজেকে।
আয়ত চোখে তপোবনের হরিন শিশুর পেলবতায়
উপচানো প্রসাদের থালা হাতে বলে ‘নাও না যা খুশি’।
লজ্জায় মিশে যেতে ইচ্ছে করে;
এ ভাবে কি কেউ নেয়? নাকি নেয়া যায়?

রাত-বিরাতে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে রাত
কখনও ঝুল বারান্দায় কখনও ছাদের কার্নিশ ঘেঁষে;
কাঠের চেয়ারে হেলান দিয়েও বসে থাকে ঘুরঘুট্টি অন্ধকারে,
বসে থেকে থেকে ঘুমিয়েও পড়ে কখনও-বা।

চড়ুই-চঞ্চল উৎসুক্য নেই , ছিল না তা কখনও।

মোট পড়েছেনঃ ৭০৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৬টি মন্তব্য

  1. কাউকে যখন জ্বীনে ধরে, তখন তার সব কর্মকান্ডের দোষ জ্বীনের উপর। আমি করিনা, জ্বীনে করছে। আপনাকে নিশিতে পেলো, এখন যাবতীয় দোষ সব রাতের। ঠায় দাড়িয়ে থাকে, হেলান দিয়ে বসে থাকে আবার বসে বসে ঘুমিয়ে পরে। তবে ঝাড় ফুঁক মন্ত্রে যাচ্ছিনা আমরা। এমন করে রাতের আরেক রূপ দেখে যেতে চাই। নিয়ে যেতে চাই, সবার দেয়ার ক্ষমতা নেই। সবার নেয়ার ক্ষমতা আরো কম।

    1. না না, রাতের দোষ হতে যাবে কেন ! তার সাথে এখন বেশ চলছে আমার। সে কী করে না করে তাই
      একটু বলেছি মাত্র। ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা সহজ কাজ নয়। নাছোড় বান্দা টাইপ বলা যেতে পারে!
      দেয়া নেয়ার ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক দেয়া-দেয়ি ও নেয়া-নেয়ি চালু আছে থাকবে।

  2. রাত, সে তো অনেক অনুভূতিই দিয়ে যায়। সত্যিই এভাবে যদি বলে বলে দিতো তাহলে হয়তো তার কিছুই নিতে পারতাম না। বারান্দায় কিংবা কার্নিশ ঘেঁষে দাড়িয়ে কিংবা ঘুমিয়েই একটা সময় ফুরিয়ে আসে…

    ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম…. -{@

  3. ঈশিতায় এমন রাতের জলবিম্ব ছুতে ছুতে কাটিয়ে দেওয়া যায় আরেক রাত,
    কখনো কখনো পোড়ে, কখনো বা পোড়ায়
    কখনো বা সরব নির্জনতায় সামনে এসে দাঁড়ায়।
    হাজারো সুন্দরীর নোলক পরে দাঁড়িয়ে থাকা প্রকৃতির এই গোলকে
    সত্যিই নত হয়ে আসে শির, ফেরারী হয় অলীক সুঁতো।
    বোধ জাগে ঘুমন্ত প্রাচীন বোধ, যেমন জাগে আপনার লেখায়। (y)

    1. প্রকৃতিকে সত্যি ভালবাসলে সে প্রতিদান দেয়।
      অবশ্য দেয়া বা নেয়া জানতে ও বুঝতে হয় আমাদের।
      সুন্দর করে বলার জন্য ধন্যবাদ।

  4. কত লেখা মিস করেছি কে জানে। আজ এলাম আপনাদের কয়েকজনের লেখা পড়বো বলে,লেখাই তো খুঁজে পাচ্ছিনা। রাতকে কত ভাবে দেখেন ভাইয়া ?

      1. রাত দাঁড়িয়ে থাকে 😮
        রাতরে দেখি শুধু পালাই পালাই করে , ধোঁয়ায় মিশে মিশে কখন যে খুন হয়ে যায় আলোর হাতে টেরও পাইনা মাঝেসাঝে 🙁

  5. মিহি সুতোর সূক্ষ্ণ কারুকার্য—
    যেনো ওই আকাশ
    বুনে চলছে প্রাহরিক স্পন্দিত রাত্রি
    ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ভিঁজিয়েই চলে উথলে ওঠা আবেগ,
    তবুও খরায় ফেঁটে চৌঁচির রাত্রির জমিন।
    এমনই বুঝি হয় ঘুমের সাথে ঘুমের দেখা না হলে। -{@

মন্তব্য করুন