হুঁশিয়ারি।


সইলো করিসনে তুই রঙ্গ,
পরান কাঁপে হ্যাঁচকা টানে বাজে বুকে বঙ্গ।
বিষের বাঁশি বাজাস তোরা,
সুর কেনো তার ছাড়েনা মোর সংগ?
সইলো,স্বপন বুঝি করলি এবার ভঙ্গ।

তোর ছলেতে হয় যদি সে কুপোকাত,
সন্ন্যাসিনী হবোই আমি,
ভাবিস যদি চুকলো ল্যাঠা করবি বোকামি
জটাধারী মন্ত্রনাতে করবো অভিসম্পাত।

মায়াবীনি পাষন্ডিনি তুই লুটেরা মেদিনী,
বনোভূমের বিলাস স্রোতে ভাসিয়ে নিলি তরনী,
আমি এখন কাঁদি বসে, ভাবি বসে
ছলাকলায় হবোই হবো তোর মতোনই হরিণী।

সই হয়ে তুই হলি সতীন
এবার দেখিস অমরাবতীর দুয়ার হবো,
ভোর হবে মোর অংগ।
ভালোবাসায় ভাগ হবেনা, যতোই খুঁড়িস সুরঙ্গ।

মোট পড়েছেনঃ ৭২৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৭৩টি মন্তব্য

  1. দারুণ একখানা কবিতা। প্রথমে ভেবেছিলাম কোন স্বনামধন্য কবির কবিতা আমাদের সাথে শেয়ার করছেন। শেষে এসে বুঝলাম এই অদ্ভুত সুন্দর কবিতার কবি আমাদের সোনেলার “শুন্য শুন্যালয়”।

        1. আপাতত চুপচাপ থাকুন ভাইয়া, সুযোগ বুঝে শক্তিমতীর দলে ভিড়ে যাবেন। দিদি হয়ে ভাইকে তো আর খারাপ বুদ্ধি দিতে পারিনা 🙂

  2. শিরোনাম দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। ভয়ে ভয়ে আসলাম আপনার পোষ্টে। একটি মিষ্টি যুদ্ধের আমেজ পেলাম পড়ে। এত কিউট করে লিখলে কি যুদ্ধ হয় আপু ? ভোরকে নিয়ে ভালোই টানাটানি চলছে দেখছি।

  3. সতীনের চুল যুদ্ধের অপেক্ষা করছি।
    ভাই আপনাদের হবে।
    বেঁচে থাকবে সোনেলা অনেক কাল।

    ভাগ্যিস লিখতে পারিনা,তাই যুদ্ধেও যাই না।

    1. ঠিক ঠিক আপনি একদম লিখতে পারেন না। আড়ালে বসে মজা দেখতে হলে এই তো বলা চাই। তা আপনি যা পারেন, তাই-ই না হয় করুন। সেই হেড়ে গলায় গান শোনানোর ব্যবস্থা কবে হচ্ছে?

  4. কি হয়েছে আপু ? আমাদের এত শান্ত শিষ্ট আপুটার ভোরকে কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে? সোনেলায় ভোরকে নিয়ে এসেছেন শুন্য আপু। এই ভোর তারই থাকবে। আপু অনেক ভালো লিখেছেন।

     

    1. নিয়ে তো এসেছিলাম, কিন্তু কি আর বলবো ছোট জনের আদর আহ্লাদ একটু বেশিই হয়। ভয়ে আছি তাই। লীলাবতী দি পাশে আছে, আর নেই ভাবনা।

  5.  

    বু’লো করিস নে এমন বুক ভাঙ্গা কান্না
    সুরের তালে বুকে বইছে এখন খুশির বন্যা।

    #বু’জি একটু কাজ করুন
    ##কী কাজ তাড়াতাড়ি বল।
    #ভোর সে তো পালিয়েছে কাঁটা বিঁধিয়ে ও বুকে। কায়া হীন ছায়া হয়ে আছে তোমার পাশে।
    ##তো
    #ভোরের ট্যাক্সি ডার্মি করে রাখলে কেমন হয়!
    ## কী বললে? ধাড়ি সতীন আমার!

    পালাই এবার। 
    যেখানে বাঁশের ভয় সেখানে নাকি দিন ও হয়।
    হি হি।

     

    1. আচ্ছা এতোকিছু? এখন ট্যাক্সিডার্মি করে রাখবার খায়েস হচ্ছে? যাও কাছে আসতো, এই খুনী বাসনা শুনে ভোর এবার ত্রিসীমানায় আসবেনা। 🙂  ভয়ভীতি সব আসলেই পালাচ্ছে দেখতে পাচ্ছি।

      1. বু লো বু
        ফেলনা কোন দীর্ঘশ্বাস
        নিওনা কোন সন্ন্যাস
        আমার! ভোর বু’জানকেই দেব
        এ কথায় রেখ তুমুল বিশ্বাস।
        আমরা এখন ডিজিটাল সতীন
        দু’জনে বাজাব দু’জনের বীণ।

      1. ডেড এনিমেল স্কিন কে ডিস্প্লে করার পন্থা। আরো কিছু আছে নাকি? বুনো দির মাথায় যে আরো দুস্ট কিছু ঘুরেছে সে আমি বুঝেছি, নইলে বাঁশের ভয়ে পালাতে চাইতো না। 🙂

        1. আপনাকে ভোরের ছায়া নিয়ে থাকতে হবে তাই আপনাকে তখন ট্যাক্সি ডার্মির কথা বলেছিলাম।
          কায়া তখন অন্যের হাওলায়।
          এখন পতাকা সাদা। হবে ভোরের একটি ছবি তুলে কাছে রাখতে পারেন। বলাতো যায় না পাখা যখন গজিয়েছে তখন কী না কী হয়।

        2. আপনি লিখবেন এটা শুনলে অবশ্য ভয়ই লাগে এখন। অর্ধ মেলা এনেছেন। কবে যে কি করেন। কথায় কথায় লেখা ছাড়া আর আমাদের আছেই কি? 🙁

  6. ভোর তো খুশিতে ডগমগ। তারে নিয়ে এমন টানাটানি…যুদ্ধ যুদ্ধ অবস্থা…চলুক।

    এতে আমাদের ই লাভ আমরা আরো বেশি বেশি ভাল ভাল লেখা পেয়ে যাব,এই যুদ্ধের ডামাডোলে… 🙂

  7. আমার পিদিম জ্বালা ভোর , এসো এসো
    সোনালী সকালের আলো, নির্ভয়ে।

    আমরা এবারে দু’জনে যাব অমরাবতী 
    খেলব ছি-বুড়ী।
    না না, তিন জনে এবারে যাব সুন্দর বনে
    খেলতে বানর বানর খেলা।

    আমি হাসছি না,মানা আছে।

    1. আপনি তো বলেই ডূব। কি পরিমান ভয়ে আছি তার আন্দাজ আছে? যে রংঢং আর লেখার যাদু প্রতিপক্ষের !!! একটূ যে লিখে টিখে দেবেন তাওতো করবেন না জানি 🙁

    1. ঝগড়া চালূ রইবে, এতো সহজে হার মানবো ভেবেছেন? কিন্তু আপনি কোন দলে তাতো বুঝলাম না। নাকি দুদিকেই অগ্নিতে ঘৃত?

  8. ভোরের তো দেখি কপাল হি কপাল!তারে নিয়া পুরা টাগ অফ ওয়ার চলতেছে!পিছনে আরো কেউ নাইতো/নিজেদের যুদ্ধে আবার অন্য কেউ সুযোগ নিয়ে ভোরকে সহ পালিয়ে না যায়,খিয়াল কৈরা!

  9. আমি শুনেছি সেদিন তুমি (তুমি) নাকি… তোমার দাদীর ঘরের নানীর বংশের ছিলে…তাইতো এমন প্রতিভা পেলে :p

    শুন্যাপু তখন শুন্য ভাইয়া ছিলেন :D)

    কত সুন্দর করে শুরু কিন্তু শেষের দিকে এসে পুরাই সাঙ্ঘাতিক মারমূখী শব্দবিন্যাসে 🙁

    1. ছন্দে পতন হয়েছে শেষের দিকে, আমি বুঝতে পেরেছিলাম, তবে লিখে অভ্যস্ত না থাকলে যা হয় আর কি।
      শুন্য ভাইয়া বলে মন্তব্য করেন নি, তাইনা :@
      প্রতিভাবানের নানী দাদী ছিলাম, ছিটেফোঁটা না পাইলে ক্যাম্নে চলে 🙂
      হাসির জন্য সোনেলায় এওয়ার্ড সিস্টেম চালু করার সুপারিশ করতে হবে মডুদের 🙂

মন্তব্য করুন