মুখপুড়ি রাত

মাথা ঠুকে ভেঙেছ  নিরেট দেয়াল,শক্ত মাথায়;
নিপুণ মায়াজালে চোখপাহারার বেড়া টপকে।
দেয়াল তুলছ না তো? কঠিন দেয়াল ?
হোক না রাত, নিশি রাত। ঘটনার ঘনঘটায় অস্থির,
পায়তাঁরা অবগুণ্ঠনের।
মসৃণ সোনালী সোনা পা,লাল জবা ঠোঁট!
গোচরের অগোচরে কখন হলো এত এত এত্তগুলো!
সইবে এত সুখ ? মন তো হয় না!

সোহাগী সেয়ানা হয়ে ওঠা রাত,আরও সেয়ানা হও,
ছিনাল হয়ো না।
হলে ?
মন্বন্তরেও হাসিমুখ-ভেজাচোখ মোছাব এ আচলেই।

মোট পড়েছেনঃ ৬৪৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৫টি মন্তব্য

    1. দোষ গুন জানিনে।তবে আচলে চোখ মুছে কোলে তুলে নেয়ার জন্য অপেক্ষা করতেই হচ্ছে ।
      রাতের ও তো ভালোবাসা পেতে বা দিতে ইচ্ছে হতেই পারে ।

       

      1. এমন আস্থায় কেউ জড়িয়ে রাখলে মাথা যে ঠুকবেই।

        দেয়াল ভেঙ্গে আবার নতুন দেয়াল তুলছে সংশয়, বড়ই ঘোর ঘোর লাগছে।

    1. আপনার ভোর আপনারই থাকুক। ভোরকে নিয়ে গেলে আপনি সইতে পারবেন না। আপনাকে কষ্ট দেই কী করে!
      যদি ও যোগাযোগ আছে ভোরের সাথে। আপনি বললে যে কোন সময় শুরু করার চেষ্টা করতে পার । ঠিক হবে ?
      আপনিই বলুন ।

  1. মাগ্গো এত শক্ত কথা আমি এহন কি বলি …..তবে মন্দ নয় বেশ লাগল রাত নিরেট দেয়াল।

    সোহাগী সেয়ানা হয়ে ওঠা রাত,আরও সেয়ানা হও,
    ছিনাল হয়ো না।
    হলে ?
    মন্বন্তরেও হাসিমুখ-ভেজাচোখ মোছাব এ আচলেই।

  2. সোহাগী লো,

    এই বিষম আধাঁরিতে কে শোনায় অগ্ন্যুৎসব আবাহনী?

    কে জ্বালায় দ্বিগুণ উত্তাপ?

    এতো যে ঝরে জল, পরান ভেজেনা কেনে?

    1. সহজ। মায়ের কাছ থকে পালিয়ে গিয়ে প্রেমে পড়েছে, দেয়ালের মত কঠিন এক হৃদয়ের।
      মা সাবধান করছে। আবার ভুল হলেও শেষ মাতৃস্নহের আশ্বাস দিচ্ছি । এবারে আর সমস্যা নেই ।

  3. কোথায় যেন দুইজনের রাতের মাঝে মিল খুঁজে পাচ্ছি। যে নিশি রাতে কেউ একজন ডুবেছে, এ যেন সেই নিশি রাতকেই শাসানো।

    সত্যি বলছি আপনার মতো করে লিখতে চাই আমি। পারবোনা হয়তো, তবুও।

    আদুরে মমতা নিয়ে বসে আছেন মুখপুরি রাতের জন্য। কেঁদে সে ফিরবেই।

    1. আপনি ঠিকই বলেছেন। সেই নিশি রাতের কথাই ভাবতে হচ্ছে। কঠিন এক দেয়ালের কাছে গিয়ে ভিড়েছে ।
      কাঁদলে আমাকেই যে তুলে নিতে হবে। আপনিও লিখতে পারবেন ,এর থকে ভালো ও হবে। শুরু করে দিন ।
      আমরা পড়ব ।

মন্তব্য করুন