মাথা ঠুকে ভেঙেছ নিরেট দেয়াল,শক্ত মাথায়;
নিপুণ মায়াজালে চোখপাহারার বেড়া টপকে।
দেয়াল তুলছ না তো? কঠিন দেয়াল ?
হোক না রাত, নিশি রাত। ঘটনার ঘনঘটায় অস্থির,
পায়তাঁরা অবগুণ্ঠনের।
মসৃণ সোনালী সোনা পা,লাল জবা ঠোঁট!
গোচরের অগোচরে কখন হলো এত এত এত্তগুলো!
সইবে এত সুখ ? মন তো হয় না!
সোহাগী সেয়ানা হয়ে ওঠা রাত,আরও সেয়ানা হও,
ছিনাল হয়ো না।
হলে ?
মন্বন্তরেও হাসিমুখ-ভেজাচোখ মোছাব এ আচলেই।
মোট পড়েছেনঃ ৬৪৮জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
রাতের মুখপোড়া বলেইতো সে এত কালো।
কালোতেও যে আলো দেখতে পাচ্ছি । কী করব বলুন ।
কার দোষ দেব? মুখপুরি রাতের নাকি সেই নিরেট দেয়ালের?
দোষ গুন জানিনে।তবে আচলে চোখ মুছে কোলে তুলে নেয়ার জন্য অপেক্ষা করতেই হচ্ছে ।
রাতের ও তো ভালোবাসা পেতে বা দিতে ইচ্ছে হতেই পারে ।
অনেক গোপন আর গভীর প্রেমের স্পর্শ পাচ্ছি। যাচ্ছে তাই করে যাবার পারমিশন টাও দিয়ে দিলেন যে…
না ,যাচ্ছে তাই করতে বলছি না বরং সাবধান করছি । বলে কয়ে কিছুই হয় না ।
পালিয়ে দিয়ে ভালুবাসাবাসি তো করেই ফেলল ।
এমন আস্থায় কেউ জড়িয়ে রাখলে মাথা যে ঠুকবেই।
দেয়াল ভেঙ্গে আবার নতুন দেয়াল তুলছে সংশয়, বড়ই ঘোর ঘোর লাগছে।
আমিও ভাই ঘোরের মধ্য থেকেই ছাই-পাশ লিখি । আপনিও তো ঘোরের মধ্যেই আছে ভোরকে নিয়ে ।
সবই ঘোর এবং ঘোর ।
ভোর আমার ঘোর নয়, নেশা, ভালোবাসা হি হি। আপনি যে সিরিজ লিখবেন বলে হুমকি দিলেন, কই গেলো?
আপনার ভোর আপনারই থাকুক। ভোরকে নিয়ে গেলে আপনি সইতে পারবেন না। আপনাকে কষ্ট দেই কী করে!
যদি ও যোগাযোগ আছে ভোরের সাথে। আপনি বললে যে কোন সময় শুরু করার চেষ্টা করতে পার । ঠিক হবে ?
আপনিই বলুন ।
মাগ্গো এত শক্ত কথা আমি এহন কি বলি …..তবে মন্দ নয় বেশ লাগল রাত নিরেট দেয়াল।
সোহাগী সেয়ানা হয়ে ওঠা রাত,আরও সেয়ানা হও,
ছিনাল হয়ো না।
হলে ?
মন্বন্তরেও হাসিমুখ-ভেজাচোখ মোছাব এ আচলেই।
বেশি বলার তেমন কিছু নেই ও ।
সোহাগী আর সেয়ানা হওয়া পর্যন্ত অনুমতি ! ছেনাল হলে তো লাভ দেখতে পাচ্ছি বেশী। শ্নেহ ভরা আঁচল পাবে সে 🙂
কী করব বলুন , শত অপরাধ করলেও সন্তান সন্তান ই। শুধু সাবধান করি মাত্র।
সোহাগী লো,
এই বিষম আধাঁরিতে কে শোনায় অগ্ন্যুৎসব আবাহনী?
কে জ্বালায় দ্বিগুণ উত্তাপ?
এতো যে ঝরে জল, পরান ভেজেনা কেনে?
এত কেন এর উত্তর কী করে দেই বলুন ।
সোহাগীকে নিয়ে ভয়ে ভয়ে আছি ।
ও আচ্ছা , তৈরি হয়েই আছেন ,থাকুন।
তবে সাবধান করার জন্য আগাম ধন্যবাদ পেতেই পারেন ।
আটকে গেলে এমন চিঁ চিঁ শব্দ হয়। অবশ্যই তৈরি আছি থাকব । তবে বেশ low sound পাচ্ছি ।
এতো কঠিন লিখা বুঝি না।একটু বুঝিয়ে দিবেন আপু?
সহজ। মায়ের কাছ থকে পালিয়ে গিয়ে প্রেমে পড়েছে, দেয়ালের মত কঠিন এক হৃদয়ের।
মা সাবধান করছে। আবার ভুল হলেও শেষ মাতৃস্নহের আশ্বাস দিচ্ছি । এবারে আর সমস্যা নেই ।
কোথায় যেন দুইজনের রাতের মাঝে মিল খুঁজে পাচ্ছি। যে নিশি রাতে কেউ একজন ডুবেছে, এ যেন সেই নিশি রাতকেই শাসানো।
সত্যি বলছি আপনার মতো করে লিখতে চাই আমি। পারবোনা হয়তো, তবুও।
আদুরে মমতা নিয়ে বসে আছেন মুখপুরি রাতের জন্য। কেঁদে সে ফিরবেই।
আপনি ঠিকই বলেছেন। সেই নিশি রাতের কথাই ভাবতে হচ্ছে। কঠিন এক দেয়ালের কাছে গিয়ে ভিড়েছে ।
কাঁদলে আমাকেই যে তুলে নিতে হবে। আপনিও লিখতে পারবেন ,এর থকে ভালো ও হবে। শুরু করে দিন ।
আমরা পড়ব ।
অনেক অনেক সুন্দর একটি কবিতা পড়লাম। ভীষণ ভীষণ ভাল লাগলো —– শুভকামনা রইল
অফিসের দোহাই আমাদের ভীষন ভীষন দুঃখ দেয়। ফাঁকি দিচ্ছেন আমাদের ।
সোহাগী ও সেয়ানা কবিতা
ভালবাসার ভিন্নরকম রঙ ও ঢং… ভালো লাগলো…
সোহাগী ভালোবাসায় একটু-আধটু রং ঢং না থাকলে এ কালে জমে ওঠে না ।
লেখা চাই আপনার ।
রাতকে এত ভালোবেসে মুখপুড়ি বলায় তীব্র প্রতিবাদ ।
মুখপুড়ি না বলে উপায় কী। পালিয়ে গিয়ে বাধিয়ে বসেছে। চিন্তায় আছি। যা দিন কাল পড়েছে।
পড়ছেন দেখে আনন্দিত ।
সন্তানের চিন্তায় অস্থির থাকি আমরা ।
শত অন্যায়ের পরেও সে সন্তান ।
বাসুন বাসুন রাতকেই ভালো বাসুন।
উপায় কী? মাতৃত্বে দায় বড় দায়। সে আপনারা বুঝবেন না।
এত আদর ! আমার মাও আমাকে এমন শ্নেহ দিয়ে বলেন ।
সব মা ই এমন করে বলে,আপনিও বললে এমনই বলবেন।
রাতের জন্য এত্ত ভালোবাসা শ্নেহ দেখে আনন্দিত হলাম।
আপনাকে দেখেও ভালো লাগল।কিন্তু আপনাকে পাচ্ছি না আজকাল।