হিমুর ঈদ

নিশীথের নিশাচর ২১ জুলাই ২০১৫, মঙ্গলবার, ১১:৪৩:২৩পূর্বাহ্ন গল্প ১৭ মন্তব্য

আমার কাছে ঈদের দিন আর অন্যান্য দিনের মাঝে তেমন কোন পার্থক্য নেই। ভেবেছিলাম দুপুর পর্যন্ত ঘুমাবো। কিন্তু সেটা আর হলো না। সকাল সকাল ঘুম ভাঙ্গলো খালু সাহেবের ড্রাইভারের কারনে সে আমার মুখে পানি দিয়ে ধাক্কাধাক্কি করে উঠিয়ে দিয়েছে। উঠিয়ে দিয়ে তার মোবাইল হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো কথা বলেন আমি কানের কাছে মোবাইল টা নিয়ে অপর পাশ থেকে খালু সাহেবের কন্ঠ পেলাম।
– হ্যালো কে হিমু?
– জি খালুসাহেব। ঈদ মোবারক।
– রাখো তোমার মোবারক ফোবারক।
– কি হয়েছে?
– I am in deep trouble. সমস্যা বাদলকে নিয়ে। এই গাধা পুত্র আমার লাইফ ত্যানা ত্যানা করে দিয়েছে। সাক্ষাতে বিস্তারিত বলবো। তুমি এখনি আমার বাসায় চলে আসো। কুইক। উইথিন হাফ এন আওয়ার।
– ওকে কমরেড।
– তোমার স্বভাবসুলভ ফাইজলামী আমার সাথে করবে না। ওকে? আর কোন কথা না বলে গাড়িতে চড়ে আমার ড্রাইভারের সাথে রওয়ানা হও।
আমি রওয়ানা হয়ে গেলাম।
কলিং বেল টিপতেই দরজা খুলে গেলো। দরজা খুলে দিলেন মাজেদা খালা। খোলা মাত্রই আমি খালার পায়ের উপর ঝাপিয়ে পড়লাম। খালা চমকে উঠে বললেন,
– এই গাধা। কি করছিস?
– আজকে ঈদের দিন না? সালাম করলাম। সালামি দাও এখন। আজ মহান সালাম দিবস। যাকেই পাবো সালাম করবো। তোমাদের কাজের বুয়া, দারোয়ান কেউ বাদ যাবে না। খালু কোথায়?
– তোর খালু তার ঘরে। আমরা বিরাট বিপদে পড়েছিরে হিমু। বাদল আমাদের মান ইজ্জত সব ডুবিয়ে দেবে সকাল সকাল কি সব কান্ড করছে ঘরে দরজা বন্ধ করে বসে আছে একটি গামছা পরে বসে আছে এত বড় ধাড়ি ছেলে এইভাবে গামছা পড়ে বসে থাকলে কেমন লাগে? মানুষ কি বলবে? হারামজাদা গামছা পরে পদ্ম আসন দিয়ে ধ্যান করছে সে নাকি মহামানব হবে। এই সব পাগলামি কার সহ্য হয় তুই বলতো? আমি খালার কথা শুনে বললাম আচ্ছা আমি ব্যাপার টা দেখছি সব ঠিক হয়ে যাবে তুমি চিন্তা করোনা। আমি যাই খালুর সাথেও দেখা করে আসি।
খালু সাহেব আয়েশ করে বসে আছেন। তার চোখ মুখ লাল। সামনে তিনটা মদের বোতল। তিনটাই খালি। বুঝলাম তিন বোতল মদ খাওয়ার কারনেই তার চোখ মুখ লাল হয়ে গেছে।
আমি খালু সাহেবের পায়ে ধরে সালাম করলাম।
– এটা কি হলো হিমু?
– এটা একরম ব্যায়াম খালুসাহেব। পায়ে ধরে সালাম করার জন্য আপনার মাথা নোয়াতে হবে। এটা করলে গ্র্যাভিটির কারনে আপনার মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়বে। ব্রেইন নিউট্রিশন পাবে ভালোমতো।
– এটা কার আবিষ্কার?
– কার আবিষ্কার সেটা বড় কথা না। বড় কথা হলো ব্যায়ামটা।
মাতাল মানুষকে প্রভাবিত করা সহজ। খালু সাহেবও আমার কথা বিশ্বাস করে ফেললেন।
– হিমু, দাও। তোমার পা দাও। সালাম করি। ব্যায়ামটা হয়ে যাক। আমার মাথায় নিউট্রিশনের দরকার আছে। মাথাটা কাজ করছে না।
আমি পা দিলাম। খালু সাহেব পা ধরে সালাম করলেন, ঠিক তখনই ঘরে ঢুকলেন মাজেদা খালা। খালু আমার পায়ে ধরে সালাম করছেন এই দৃশ্য দেখে খালা মোটামোটি খাম্বার মতো হয়ে গেলেন।
খালু দ্বিতীয়বার ব্যায়াম করার উদ্দেশ্যে খালার পায়ের দিকে এগুলেন। খালা ছোটখাটো একটা চিৎকার করে ঝেড়ে দৌড় দিয়ে নিচে নেমে গেলেন।
খালুর মাথায় ব্যায়ামের ব্যাপারটা ভালো মতো ঢুকে গেছে। এটা কোন পর্যন্ত গড়ায় কে জানে! উত্তেজিত মস্তিষ্কে কিছু ঢুকে গেলে সেটার ফল হয় মারাত্মক।
আমি বাদলের ঘরে গেলাম দরজা টোকা দিতেই বাদল চিৎকার করে উঠলো।
– হিমু দাআআআআআআআআআ।
তুমি এসেছো? আমি তোমার অপেক্ষাতেই ছিলাম আমি মহামানব হবার ধ্যানে বসেছি তোমার কিছু আইডিয়া দাও।
– আমি বাদলের কথা শুনে বললাম কিরে বলদ। এইভাবে গামছা পরে কি কেউ মহামানব হয় মহামানব হতে গেলে অনেক সাধনা করতে হয়রে তুই এখন যা করছিস এইগুলা পাগলামি এইগুলা করলে মহামানব না তুই মহা পাগলে পরিণত হবি তোকে মহামানব হবার আইডিয়া পরে দেবো আপাতত তুই জামা কাপড় পরে আমাকে উদ্ধার কর আর তোর মা বাবা কে চিন্তা মুক্ত কর। ফ্রেশ হয় ভালো জামাকাপড় পরে ঘর থেকে বের হয়ে বন্ধুদের সাথে ঘুরে আই যা আর অন্য কোন জোৎস্না রাতে তোকে মহাপুরুষ হবার ট্রেনিং দেবো।
আমার কথা শুনে বাদল মুখ টা কালো করে বললো আচ্ছা যাচ্ছি কিন্তুু তুমি এইকথা টা যেনো ভুলে যেওনা। আমি বললাম আচ্ছা ভুলবো না কথা দিলাম।বাদলের ঘর থেকে বের হয়ে হঠাৎ রূপার কথা মনে পড়লো এই ঈদের দিনে রূপা কি করছে? বাদলদের বাসা থেকে রূপা কে ফোন করলাম।
– হ্যালো রূপা
ঈদ মোবারক কেমন আছো? কি করছো? আচ্ছা রূপা শোনো আমি তোমার বাসায় ঈদের দাওয়াত খেতে আসছি তুমি কি ফিন্নি সেমাই রান্না করেছো? খুব সেমাই খেতে ইচ্ছে করছে।
আমার কথা গুলো চুপ করে রূপা শুনে আস্তে করে উত্তর দিলো হিমু সত্যিই কি তুমি আসবে??
– আমি বললাম রূপা এইবার সত্যিই আমি আসবো।
আমি বাদল দের বাসা থেকে বের হলাম আজ আমি নিয়ত সত্যিই রূপার বাসায় যাবো। এই জীবনে অনেকেই তো বিভ্রান্ত করেছি আজ না হয় রূপা কে বিভ্রান্ত করবো আমি জানি আমাকে দেখা মাত্র সত্যিই রূপা অবাক হয়ে যাবে সে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলবে।
– আমি এখন রূপার বাসার সামনে কলিংবেল বাজালাম সাথে সাথে রূপা দরজা খুলে দিলো। আমার দিকে অপলক দৃষ্টি তে তাকিয়ে রইলো। আমি বললাম এইভাবে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখবে নাকি ভেতরে আসতে দেবে? রূপা আমার কথা শুনে চমকে গেলো তারপর অস্পষ্ট ভাবে বললো সত্যি তুমি এসেছো আমার এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না আমি কি তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে পারি না না তুমি আমাকে একটি চিমটি দাও তো। আমি রূপাকে চিমটি দিয়ে বললাম এই যে দিলাম চিমটি এইবার বিশ্বাস হয়েছে? এইভাবে ঘরের বাইরে দাঁড় করিয়ে বিশ্বাস অবিশ্বাস খেলা খেলবে নাকি ঘরে নিয়ে গিয়ে সেমাই খাওয়াবে? আমার কথা শুনে রূপা বললো
ওহ সরি আসো ভেতরে আসো। আমি রূপার পেছনে পেছনে ভেতরে গেলাম। রূপা খুব ই ব্যাস্ত হয়ে গেলো আমি বুঝতে পারছি রূপা এখনও ঘোরের ভেতর আছে সে খুবই হতবাক হয়ে গেছে আর তার এই হতবাকের কারনে রূপা আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমাকে বসতে বলছে না আমি রূপা কে বললাম।
– আমি কি বসতে পারি? নাকি দাঁড়িয়ে থাকবো এইভাবে আর তুমি এইভাবে হা করে আছো কেন? খুব ক্ষুধা লাগছে সেমাই ফিন্নি খেতে দেবেনা?
রূপা আমার কথায় আবার চমকে উঠে বললো ও হ্যাঁ হ্যাঁ তাইতো তুমি বসো আমি এখনি খাবার নিয়ে আসছি। আচ্ছা হিমু আমি তোমাকে আরেক বার ছুঁয়ে দেখি তুমি কি আমার কল্পনা না বাস্তব?
– আমি বললাম রূপা আমি তোমার বাস্তব হিমু এইযে ধরো আমার হাত ধরে একটি চিমটি দাও। বলা মাত্রই রূপা হাত ধরে চিমটি দিয়ে দিলো আমিও ওর ঘোর কাটার জন্য ওহু করে চিৎকার করলাম। রূপা তাড়াতাড়ি বললো ব্যাথা পেয়েছো? আমি শুধু হাসলাম আর কিছুই বললাম না। রূপা তাড়াতাড়ি করে ভেতরে গেলো আমার জন্য খাবার আনতে। আমি রূপাদের ড্রয়িং রুমে বসে আছি রূপাদের ড্রয়িং রুম পুরো রাজ প্রাসাদ অনেক বড় তবে একটি জিনিস খেয়াল করলাম রূপাদের ড্রয়িং রুমে পুরো টা জুড়ে হলুদ আর নীল রং এর ছড়াছড়ি সোফা হলুদ তো জানালার পর্দা নীল এমন কি দেয়ালের রং ও নীচে নীল উপরে হলুদ। রূপা কে আজ সত্যিই অসাধারন লাগছে নীল শাড়ি নীল চুড়ি চুল ছাড়া কপালে ছোট্ট কালো টিপ গলায় নীল পুঁতির মালা কানে নীল পুঁতির দুল নেই কোন মুখে প্রাসাধনী এক কথাই যে এখন রূপা কে দেখবে সে দ্বিতীয় বার আর চোখের পলক ফেলবে না।
রূপা আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আমার জন্য ওর নিজ হাতে বানানো সেমাই ফিন্নি গরুর মাংস খিচুড়ি নিয়ে এসেছে আর বার বার আমাকে বলছে হিমু খাও সব আমি নিজে বানিয়েছি। এইটুকু বলেই আবার সে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
আমি আর রূপার দিকে না তাকিয়ে খাবার খাওয়া শুরু করলাম প্রথমে মিষ্টি মুখ করলাম কারন আজ একটি শুভ কাজ করবো আজ আমার বাবার দেয়া সকল নিয়ম আমি ভাংবো আজকের দিন পুরো টাই রূপার জন্য আমি অনেকেই বিভ্রান্ত করেছি কিন্তুু রূপাকে করিনি আজ রূপাকে পুরো টা দিন ঘোরের ভেতর রাখবো।
আমার খাওয়া শেষ পেট পুরে খেলাম আর রূপা কে বললাম কিছু খাবার টিফিন বাটিতে ও দিতে বললাম আর তার সাথে বললাম তুমি তৈরী হও আজ তোমাকে নিয়ে ঘুরতে বের হবো।
আমার কথা শুনে রূপা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে মুখ দিয়ে একটি শব্দ ও বের হচ্ছে না। খুব অস্পষ্ট ভাবে বললো সত্যি কি তুমি আমাকে নিয়ে বাইরে যাবে? তুমি বসো আমি ভেতর থেকে একটু আসছি। এইবলে রূপা চলে গেলো আর তার হাতে একটি প্যাকেট। প্যাকেট টা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো এইটা তোমার উপহার। আমি প্যাকেট খুলে ভেতরে দেখলাম হলুদ পাঞ্জাবি। রূপা আমাকে বললো তোমার গায়ের পাঞ্জাবি টা কালো তিল পড়ে গেছে আর ছিঁড়ে গেছে তুমি ঐ টা খুলে এইটা পরে নাও আর ততক্ষণে আমি শুধু ভেতরে যাবো আর আসবো।
রূপা ভেতরে গেলো আমি পুরোনো পাঞ্জাবি খুলে নতুন পাঞ্জাবি পরলাম পরের মন টা আনন্দে ভরে গেলো অদ্ভুত ভালো লাগা তৈরী হয়েছে। রূপা ও ২ টা বড় টিফিন বাটি নিয়ে যে অবস্থায় ছিলো সেইভাবেই দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে বললো এই নাও খাবার এইবার চলো যাই। আমি দুইহাতে দুইটা টিফিন বাটি নিয়ে নতুন পাঞ্জাবি পরে বের হলাম। রূপা ও আমার সাথে খালি পায়ে বের হলো।
রূপাদের বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসলাম এসে একটি রিক্সা ডাকলো রূপা আমরা দুজন রিক্সায় পাশাপাশি বসে আছি। রিক্সায় ওয়ালা বারবার জিজ্ঞেস করছে কোথায় যাবেন? আমি তাকে বললাম চন্দ্রিমা উদ্যানের দিকে চলো। রূপা আমাকে আস্তে করে বললো হিমু আমি কি তোমার হাত ধরতে পারি? আমি বললাম অবশ্যই ধরবে টাইট করে ধরবে যেনো না পালাতে পারি। রূপার চোখ ছলছল করছে কাজল দেয়া চোখে ছলছল পানির আবরনে দেখতে সুন্দর ই লাগছে। মনে হচ্ছে খুশির মেঘ এসে জমেছে যেকোনো মুহূর্তে ই অঝোর ধারায় বর্ষন শুরু হবে।
রূপা আমার হাত ধরে আমার কাঁধে মাথা রেখে বসে আছে আমরা এখন চন্দ্রিমা উদ্যানের ভেতরে বেঞ্চে বসে আছি। একটি ছোট্ট মেয়ে শিউলি ফুলের মালা আরেক টি ছোট্ট ছেলে গোলাপ ফুল নিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে বলছে স্যার ভাবি কে এই খান থেকে ফুল কিনে উপহার দেন। আমি তাদের বললাম দেখরে আমার এই পাঞ্জাবির পকেট নেইরে আর তাই টাকা ও নেই তোরা ভুল জায়গায় এসেছিস আমি পকেট বিহীন টাকা বিহীন গরীব মানুষ।। তোদের ঈদের নতুন পোশাক কই? সকালে কিছু খেয়েছিস? আমি তোদের জন্য খাবার নিয়ে এসেছি এইনে এই দুইটা টিফিন বাটি তোরা নিয়ে যা বাসায়। এই বলে তাদের দুজনকে দুটি টিফিন বাটি ধরিয়ে দিলাম তারা এইটা পেয়ে আমাদের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে আর দুজন দুজনের দিকে বার বার তাকাচ্ছে। আমি তাদের এই বিভ্রান্ত দূর করতে টিফিন বাটি খুলে দেখালাম এই দেখ খাবার যা নিয়ে যা তারা দুজন দুইটি বাটি নিলো আর যাবার সময় আমাকে একটি মালা আর গোলাপ দিয়ে গেলো। আমি গোলাপ টা হাতে নিয়ে রূপাকে দিয়ে বললাম রূপা এই নাও লাল গোলাপ জীবনে তো তোমাকে কিছুই দিতে পারলাম না এইটা নাও আর এই শিউলি ফুলের মালা টা চুলের খোঁপায় দাও। রূপা কাঁপা কাঁপা হাতে গোলাপ ফুল আর শিউলী ফুলের মালা নিলো আর সাথে সাথে কেঁদে দিলো কাজল দেয়া চোখে দুই গাল বেয়ে কালো করে চোখের পানির রেখা পরেছে। রূপা তার পার্স থেকে টিস্যু বের করে চোখ মুছতে নিলো আমি তার হাত ধরে বললাম থাকুক না মুছতে হবেনা। এই কথা বলার সাথে সাথে ঝুম বৃষ্টি শুরু হলো আমি রূপার হাত ধরে তাকে বললাম চলো হাত ধরে হেটে হেটে বৃষ্টি তে ভিজি। আমি আর রূপা হাটছি আর বৃষ্টি তে ভিজছি রূপা আমাকে আস্তে করে বললো হিমু আমি এই সময় টার জন্য অনেক দিন অপেক্ষা করেছি আমার কি যে খুশী লাগছে আমি তোমাকে বলে বোঝাতে পারবো না আজকের দিন টা এই বৃষ্টি ভেজা মুহুর্ত টা আমি কোনদিনই ভুলবো না আমার খুব ইচ্ছে করছে হিমু আমি তোমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরি আর চিৎকার দিয়ে বলি আমি হিমু কে ভালোবাসি। আমি কিছুই বললাম না আমি চুপচাপ মাথা নিচু করে খালি পায়ে সবুজ ঘাসের উপর দিয়ে বৃষ্টি তে ভিজে হাঁটছি রূপাকে নিয়ে……………।
আজকের পর আবার ডুব দেবো হয়তো এইটাই রূপার সাথে আমার শেষ দেখা। আর রূপার সামনে দাড়ানো যাবেনা কারন আমি মহামানব হতে চাই আমাকে কোন মায়ার বন্ধনে জড়াতে পারবো না। হিমুরা কাউকে ভালোবাসেনা হিমুদের কাউকে ভালোবাসতে নেই।
চলবে
উৎসর্গ হিমুর স্রষ্টা হুমায়ূন স্যার কে ১৯ জুলাই স্যারের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী স্যার ভালো থাকুন যেখানেই আছেন যেভাবেই আছেন এবং পৃথিবীর সকল হিমুদের।

৮০২জন ৮০২জন
0 Shares

১৭টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ