সোনাঝুরি বনে

 

সূর্যোদয় দেখবো বলে বসে আছি
অফুরন্ত সময়ের কোলে, নিরুত্তাপ নিরুত্তরে,
অপেক্ষা-প্রহর শেষে;

দেখাবে বলে কথা দিয়েছিল
ভাঁজ খুলে খুলে, নীলাকাশ সাক্ষী রেখে,
ফিরবে, ফিরে আসবে সোনাঝুরি-বনে
পাখিদের কলকাকলিতে;
বদলানোর কথা বলে এতটা বদলে যাবে!
তিন তিনটে সত্যি ভেঙ্গে ফিরিয়ে দেবে!ভাবিনি,
ঐ দেখো অপেক্ষার নদী-তীর এখন ও দাঁড়িয়ে
সূর্যি ওঠা দেখবে বলে।

অকস্মাৎ ছুটে এলো কালো কালো মেঘ-দল
আকাশ ছেয়ে-ছেয়ে,
বৈশাখী মেঘে-ঝড়ের ওলট পালট বৃষ্টি,
অন্তর্দেশের একান্ত চাওয়াটুকু মুহূর্তেই বিলীন;

জ্বলন্ত-খুন বয়ে চলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বলাময়ী ধমনীতে
ক্লান্তির সুখের-অসুখে,
দপ করে নিভে যাবে!মূর্ছা যাবে খেলাচ্ছলে!
বেঘোরে তাপিত রমণ-গাথার উদ্যানে!
নিঃশব্দের মেঘ মেদুরতায়!

তা কিন্তু মোটেই নয়।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৮১৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

  1. কিছু কবিতা পাঠকের হৃদয়ের কথা বলে,বলে জীবনের কথা।
    কিছু কবিতা পাঠক হৃদয়ে সজোরে ধাক্কা দিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায় কথা দেওয়ার ক্ষণে

    এই কবিতার মন্তব্য করতে পারছি না। বুঝতেই পারছি না কি মন্তব্য করবো।

    ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সবসময় ভাইয়া

    1. বলেন কী! এমুন হয়-ট্য় নাকী!
      লিখক তো নিজ মনে এমনি এমনি বলে, যা মনে চায়।
      বুঝছি পাঠক হওয়া লাগবে!
      মজা নিলাম, শুধু শুধুই।
      নিজের লেখা নিয়ে বিচিত্র অনুভুতি তৈরি হয়। অন্যদের কথা তো জানিনা,
      বুদ বুদ দেখেছেন, পানিতে, ক্রমাগত তৈরি হতে থাকে, ছোট বড়, দ্রুত, অতি দ্রুত বা একটু ধীরে,
      কোনটি সাথে সাথে মিলিয়ে যায়, কোনটি আবার কিছুক্ষণ থেকে থেকে শেষ হয়। এখন যেমন এর পরের তৃতীয় লেখাটির
      শেষের অংশটি কী হবে তাই ভাবছি।
      ধুর, কী না কী লেহি!
      চোখ খেয়ালে রাখবেন, মা মনিকে-ও।

      1. হয়তো বুঁদ বুঁদ একসময় মিলিয়ে যায়
        তবে তার রেশটুকু রয়ে যায় যুগ যুগ

        চোখের অবস্থা একদম ভালো না। বিচ্ছিরি রকমের যন্ত্রণা হচ্ছে।
        মেয়ে ঠিক আছে।

      2. বলেই ফেলি, বুদ বুদ বলতে, আমার মাথায় সারাক্ষণ লেখালেখি গুলো বুদবুদের মত তৈরি হতে থাকে,
        হঠাৎ হঠাৎ কোন কোনটা কেয়ারে নেই বা নেই না, কত শত যে হারাচ্ছে গুনে রাখিনা।
        আবার, এক লাইন দু’লাইন কত লিখে রেখেছি, যার প্রতিটি-ই এক একটি লেখা!!!

        আহা! আমি জানি চোখের কষ্ট কী কতপ্রকার,
        সাবধানে রাখুন চোখ-কে।

  2. তিন সত্যি করে যারা , তারাই কথা দিয়ে কথা রাখেনা। সব অপেক্ষায় থাকে , শুধু সে আর ফিরে আসে না। জ্বলন্ত-খুন টুনের মধ্যে আবার ঢুকলেন কেন? আপনার সবগুলো ই শ্রেষ্ঠ তারমধ্যে এটা অন্যতম ভালো লাগা হয়ে থাকলো। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন

    1. এখানে খুন বলতে অন্তর্জ্বালা বলতে চেয়েছি।
      গুণী পাঠকের প্রশংসা শুনলে আনন্দিত হই অবিরত।
      ভাল থাকবেন।
      তিন সত্যি হয়ত কথা দিয়ে কথা না-রাখার বাহানা মাত্র!

  3. “সূর্যোদয় দেখবো বলে বসে আছি
    অফুরন্ত সময়ের কোলে, নিরুত্তাপ নিরুত্তরে,
    অপেক্ষা-প্রহর শেষে;”

    আমি ও আছি আপনার পরে
    সহজবোধ্য কবিতা হলো বহুদিন পরে।
    শুভ কামনা। ভাল থাকবেন ভাই।

    1. হঠাৎ করেই গানটি শুনতে শুরু করলাম, তখন এই লিখাটিও লিখতেছিলাম,
      সোনাঝুরি নামটি সেখান থেকেই নেয়া। এটিই সনালু কী না তা জানি না। সে আপনি ভাবতে থাকুন।
      ভাল থাকবেন।

    1. প্রথম মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ,
      তবে কপি-পেস্টের পর কষ্ট করে মাত্র দুটো অক্ষর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
      ফাঁকিবাজি দিয়েই শুরু করে দিলেন! স্যার;

      1. না ভাই সত্যিই আপনার লেখার কোন তুলনা হয় না। হুম এটা সত্য আমি কিছুটা ফাঁকিবাজ আরাম প্রিয় মানুষ। তাই বলে কিন্তু ভাই আপনার লেখা পরতে কখনো ফাঁকিবাজি করা হয়ে উঠেনি।

      2. হুম, মনে থাকে যেন, পৃথিবীতে এমন ল্যাখক কিন্তু এক পিচ।
        তা এর পর-ও কিন্তু লেখেছি! অলস বলে পড়ার সময় পান নি! বুঝতে পারছি!
        সময় করয়ে পড়ে নেবেন, অলসতার ডানা একটু গুটিয়ে, স্যার।
        লক ডাউন প্লিজ।

মন্তব্য করুন