সমর্পিত বয়ান//

অনির্বাচনীয় সুখগুলো এখন পোড়ায়। পোড়ায় বড় নিমিত্ত অজুহাতের কলেবরে। পুঞ্জিভূত মেঘরাশি’র ওপার থেকে নেমে আসে রাশি রাশি জলকনা। আটকে যায় চিরাচরিত চোখের চৌকাঠে।আটকে যায় বাতাসের আসাযাওয়া বুকের ভেতর।

বিশ্বাসের এক্কা দোক্কায় হৃত হারানো মঞ্জিল,, কেবলই আলেয়ার পথে মৌণতা খুঁজে আজ শ্রান্ত,ক্লান্ত।

গোধূলী নিয়ে আসে আচমকা কোকিলের মিষ্টত্ব, উচাটনী বিষাদ মাখা দখিনা হাওয়া ছড়িয়ে ছিটিয়ে লোপাট করে ইবাদাতের ধ্যান গম্যি।

প্রার্থনায় অবিরত শাণিত সৌম্য কান্তি ধারাপাতের রোজনামচা।

অস্তিত্বে বহমান নিয়তঃ কৃতজ্ঞতার শ্লোক্। মোক্তার ব্যরিষ্টারের সনদনামায় নির্ভাবনায় বৈতরনী পাড়ে’র আশায় বাড়ে, আয়ুস্কালের প্রজ্ঞা।

আমার সকল জরা,দুঃখ,ক্লেশ,পাওয়া না পাওয়া *তোমার*অনুদিত শ্রেষ্ঠত্ব জাহির।

—–“আমি অপার হয়ে বসে আছি… ওহে দয়াময়……. পাড়ে লয়ে যাও আমারে “……….

মোট পড়েছেনঃ ১,৪৩৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২১টি মন্তব্য

  1. সাধনায় মাঝে মাঝে অন্য কিছু এসে যায়, এতে সাধনায় বিঘ্ন ঘটে। হতে পারে তা প্রলোভন বা পার্থিব লোভ লালসা, যা মনে হতে পারে সুন্দর কিছু একটি।

    তোমার লেখা যতই পড়ছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি।
    শুভ কামনা।

  2. আপনি খুব শক্ত ধারার কবি। সব বাক্যের অর্থগুলো ঠিকঠাক ধরতে পারিনা। তবে হতাশগ্রস্ত একজন মানুষের প্রতিচ্ছবি মনে হলো পড়ে।
    কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি যেন অনেক কিছুর হারানোর ব্যথাও ফুঁটে উঠেছে।
    কেমন করে লেখেন এমন সুন্দর করে!

    1. কিছু সহজ বাক্য খুব চাতুরিপনায় শব্দের আড়ালে নিয়ে, বিকল্প শব্দ উপস্থাপন করার চেষ্টা আমার। প্রতিটি মানুষের প্রাপ্য সুখ অনেক সময় মনে হতেই পারে ” এমন সুখ তো আমার প্রাপ্য নয়!” সেটাকেই আমির ভাষায় অনির্বাচনীয় সুখ বলে মনে হয়।
      নানা রকম জীবনের দৃশ্যত কিছু মানুষের আর্তি থেকেই আপাত দৃষ্টিতে। শব্দের চাতুরি মোহনীয় করে তোলে একেকটা অনুগল্প। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, আপনি লেখা পড়েন এবং অনুভূতিটুকু প্রকাশ করেন। শুভেচ্ছা, শুভ কামনা।

  3. বেলা শেষের গান এখনই কেনো গাইছো বন্যা ! সুদূর পথ পরে আছে সামনে, কেবল গোধুলী বেলা চলছে। অক্লান্ত কোকিলও বিশ্রাম না নিয়ে ডেকে চলেছে। মৌণ অভিমানে বন্ধ হতে চাওয়া চোখ খুলে দেখো। সূর্যের হাসিতে রহস্যময় রঙের ছড়াছড়ি লেগে থাকে, কি বলতে চায় শোনো। “ সে ” আসে- আসবে ডাকে/ বিনা ডাকে। কৃতজ্ঞতা যত পারো ঢেলে দাও, অভিযোগ রেখোনা। ” তিনি ” অভিযোগে অভ্যস্থ নন।

    মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখাগুলো সংক্রামক হয় কেন বলোতো ? আমার মনটাও উদাস করে দিলে। 😔😔

    ভালোথেকো ভালোবাসায় ❤❤

    1. “কে জানে ক’ঘন্টা সাধের এই জীবনটা? “অবিরত সময় কাকে বলি বলোতো বন্ধু? সময় ধেয়ে চলছে আপন গতিতে। কে বলতে পারে কার কখন থেমে যাবে জীবনের মেলা? ভালোবাসা তোমাকে।
      ভালোবাসা সংক্রমক ই হয় বন্ধু”♥♥♥

  4. বিশ্বাসের এক্কা দোক্কায় এখন ছিঃ কুত কুত খেলায় মেতে ওঠে অস্তিত্ববাদীতা…. এর পরের লাইন টায় কি লিখবো বলেন না আপু ???
    ভালো লাগে কবিতা আর ভালো লাগে আপনার শব্দ চয়ন…. ♥♥♥

    1. একটু ভাবতে সময় দিতে হবে যে আপু!! চ্যালেঞ্জ নেবার মতো এত বড় লিখিয়ে হই আগে….. তারপর এই লাইন নিয়েই নতুন আরেকটা লেখা দাঁড় করিয়ে ফেলবো। নিরন্তর ভালোবাসা, শুভেচ্ছা, শুভ কামনা ♥♥♥♥

  5. আপনি মাঝেমধ্যে অনেক শক্তধারায় লিখেন আপু, কিছু বুঝি কিছু বুঝিনা। তবে যতটুকু যখন বুঝি মনে দাগ কেটে যায়।

    আমার সকল জরা,দুঃখ,ক্লেশ,পাওয়া না পাওয়া *তোমার*অনুদিত শ্রেষ্ঠত্ব জাহির।

    এ লাইনগুলি আমাদের সবার জন্য পরম সত্য।

    ভালো থাকবেন আপু।

    1. চেনা পরিচিত শব্দগুলোকে একটু বাড়িয়ে নিয়ে ঘুড়িয়ে দেই। সহজ কথায় কার কত আর টান থাকে বলুন ভাই? তাইতো আপনাদের কাছে ভালো লাগে “হয়ত(?)”
      আমারো ভালো লাগে যখন এমন করে বলেন…… নিরন্তর ভালো থাকুন। শুভ কামনা, শুভেচ্ছা।

  6. আপনি ঠিক বুঝতে পেরেছেন, উকিল মোক্তারে কাজ দেবে না,
    যদি-না নিজের আরজি নিজে পৌঁছুতে না পারি।
    গোধূলির আহ্বান সবাই বুঝতে পারে না, যথাসময়ে;
    ভাল হচ্ছে লেখা, তা বলতে চাই।

    1. আপনার কুহুতান পড়েই লেখাটা এলো মাথায়। নিজস্ব অনুভূতিটুকু এভাবে প্রকাশের লোভ সামলাতে না পেরে সাহসিকতা দেখাবার দুঃসাহস দেখালাম। কৃতজ্ঞতা আপনার প্রাপ্য।আপনার লেখা ভালো লাগে আমার। আপনার লেখার ধরনই আমাকে প্রভাবিত করে ভাবতে। এখানে আপনাকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করলাম। শুভ কামনা আপনার প্রতি।

  7. গোধূলি যে কতো কি বয়ে আনে!!
    একেকটা দিন যায় কৃতজ্ঞতায় মাথা নতো করি। একটা দিন তার পার হলো।
    দয়াময় সামনের দিনগুলিও যেনো পার করে।
    সুন্দর উপস্থাপন আপু।

    1. দীর্ঘ রাত্রিপার হয় দয়ায়ের রহমতে। রহমতের অশেষ প্রসস্তিতে চোখ মেলেই কৃতজ্ঞতা উচ্চারিত হতে কার্পন্য হয়না। “শোকর আলহামদুলিল্লাহ্, আরেকটা দিন বেঁচে উঠলাম। দয়াময় সকলকে ভালো রাখুন, আমিন।

মন্তব্য করুন