যে আর ফিরে আসেনি

ভাবছি লিখবো, সেই অভিমানী মেয়েটির গল্প
যে আর ফিরেনি কোনদিন, এ বিচ্ছেদ পাওনা ছিল বলে
লোকমুখে শুনা যায়, সে ফিরে___
প্রতি অমাবস্যায় বিষণ্ণতার চাদরে ঢেকে
ঝড়ো বৃষ্টির দিনে রিমঝিম ক্রন্দন হয়ে
ঘন অন্ধকারে অন্ধ আর্তনাদে
অহেতুক কড়া নাড়ে প্রিয়জনের দ্বারে ।

মোট পড়েছেনঃ ৯৮৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. প্রত্যেকটি মানুষ ভাবে তারমতো ভালো কেউ বাসতে পারেনা, অভিমান তারটাই দামী, রাগ জিদ তারই সবচেয়ে বেশি ….. কে সারা সারা

    1. মেয়েটি অভিমানে দুর্লঙ্ঘ্য এক দেয়ালের ওই পাড়ে চলে গিয়েছে। কেউ কেউ নাকি ঘোর অমাবস্যায় মেয়েটির আসা টের পায়। ভাবছি তাকে নিয়ে লিখবো।

  2. আপনার ছোট লেখা পড়ে পাঁচ লাইন মন্তব্য করতে ইচ্ছে করলো।
    অভিমানীরা বুঝি এতটাই বিষন্নতা মুড়ি দিয়ে আসে? অভিমানীরা বিষন্ন হবে কেন? ওরা হবে ফুরফুরে, প্রসন্ন সর্বদা কিংবা অট্টহাসি। বৃষ্টি ওদের কান্না হবে না, সেতো তার সুদ্ধিস্নান – ময়লা, ক্লান্তি যে টুকু জমে যায় অগোচরে, তা ধুয়ে ফেলার মহোৎসব! অন্ধকার সে তো তার শক্তি – ওরাই পারে অন্ধকারে চোখ মেলে দেখতে। ওরা অহেতুক কড়া নাড়ে না। যদি এসেই যায়, লুকিয়ে আসেনা। দরজা ভেঙ্গে ঢোকার অধিকার তো তারই ছিল।
    লোকমুখে না শুনে এবার নিজে শুনুন।

    হাসি পেল? 🙂

    1. নাহ্‌ ভাবছি আপনাদের ভুল ভাঙ্গানোর জন্যে হলেও গল্পটি লিখেই ফেলবো। আত্নহত্যা করা মেয়েটির প্রেতাত্না ঘোর অন্ধকারে এসে প্রিয়জনের দরজায় কড়া নাড়ে __ এসব পড়ে আবার ভয় না পেলেই হলো । 🙂

  3. দারুণ লেখা, লেখা ছো্ট হলেও কেমন জানি একটা ভাবনা সৃষ্টি করে, ভালো লাগে ভাবনার কিছু পেলে। কবিতার পাগল আমি এমন কবিতা পেলে খুব খুশি হই। শুভকামনা।

মন্তব্য করুন