“শত শব্দের শত গল্প”
কাপড়চোপড় ছাঁদের রশ্মিতে টাঙিয়ে রোদের সাথে মশকারি করছি আর গান গাইছি – নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে…।
পাশের ফ্লাটের আন্টি বেলকনিতে দাঁড়িয়ে আমার দিকে তাকাতেই লজ্জায় চোখ আঁচলে ঢেকে চলে গেলো।
‘সব দিয়ে যার সব কেড়ে নাও তারতো প্রাণে সয়না…।’
বেলকনিতে আন্টির মেয়ে এসেই চোখ মুখ ওড়নায় পেঁচিয়ে দৌড়ে চলে গেলো।
হাঁটিতেছিলাম হঠাৎ নিমাই ছাঁদে, ‘কি রে বালতির…’ বলেই থেমে গেলো।
‘তোর কি হলো? এভাবে দেখছিস?
‘তোর জাইঙ্গা কোথায়?’
দুহাতদিয়ে চেপে ধরে মেলানো গামছা পরে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম।
নিমাই – ‘কি করে হলো?’
‘শীতের মধ্যে রোদটা এতো মিষ্টি লাগছিলো যে কখন যে পরনের জাইঙ্গা খুলে শুখাইতে দিছি আমি নিজেই জানিনা?’
ছবিঃ সংগৃহীত (ইন্টারনেট থেকে)
মোট পড়েছেনঃ ১,০২৯জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
ভাগ্যিস আর কেউ দেখে নাই😜😜
হুমম, দেখলে মান সন্মান আর…
🤭🤭🤭🤭🤭🤭🤭। ভালো ই লাগলো।
ও আচ্ছা, ধন্যবাদ প্রিয়।
বেশ মজার লেখা।
সত্যি! ধন্যবাদ কবিবর।
হা হা হা হা হা
ভালো লিখেছেন 🙈🙈
ধন্যবাদ প্রিয়, শত শব্দের শত গল্প লেখার প্রয়াস।
অবস্থা তো বেশ সঙ্গিন মনে হচ্ছে!
সত্যি, সেরকমই।
হা হা হা শীত দেখছি বড্ড পাজি।
আসলেই, ভীষণ পাঁজি। ওরে যদি ধরে রাখতে পারতাম তাহলে আরও ভালো হতো।
শীত কি আর কেড়ে রসিকতা?
হা হা হি হি😁
হুমম, তেমনই।
হা হা হা হা…. খুব হেসেছি..
ধন্যবাদ প্রিয়
মজার গল্প থেকে ছবি উধাও ?
কাকতালিয় না কারসাজি
কেউ কি আছেন বলতে রাজি ?
ছবি তো ছিলো। এখন দেখছি নেই। বুঝতে পারছি না।
বেশ ভাইটামিন যুক্ত পোষ্ট, তবে সব জায়গায় আবার এমনটা করতে যাবেন না যেন। বাচ্চাদের সামনে পড়লে মুখ লুকাবে না, ঢিল ছুড়বে 😀
হুমম, ঠিক বলেছেন। দোয়া করবেন যাতে এরকম পাল্লায় না পরি।
হুমম, দোয়া করছি 😀
আচ্ছা ঐ সময় কোন সেলফি টেলফি তুলে রাখেন নি তো? আমি সতয় কইরা কইতাছি তুলে থাকলেও আপনাকে বলবো না ব্লগে ঐ ছবি পোষ্টাইতে 😀
ও আচ্ছা, সে কাহিনি নিয়েও হয়তো কোন গল্প লিখবো।
আচ্ছা তাহলে সেই কাহিনীর অপেক্ষায় থাকলাম 🙂
ভালো লাগলো, দারুন লিখেছেন।
শুভ কামনা রইলো।
ধন্যবাদ প্রিয়