ভালো থেকো তোমরা সবাই

ভালো থাকো

 

প্রবেশক: আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো

“পড়বে না চোখ জেনেই তোমার
লিখছি তবু চিঠি
ঐ দেখো দূর আকাশ জুড়ে
তারার মিটিমিটি
তোমার হাতে আকাশ দিলাম
আমরা নিলাম নদী
সঙে নিলাম শীতার্ত রাত
জানতে তুমি যদি;
এই ঘুমালো তোমার মেয়ে
জাগছি আমি পাশে
করবো কী আর তোমরা আমার
নিঃশ্বাসে-প্রশ্বাসে
তোমার মেয়ের বায়না হাজার
হাজার খবরদারি;
অফিস, বাসা গুছিয়ে একা
ওর সাথে কী পারি!
এই দেখোনা, আজ এনেছি
পাঁচটি টিপের পাতা,
তিন বছরের বাচ্চা মেয়ে
তাই নিয়ে কী কথা!
তুমিই বলো লাল মেরুণে
তফাৎ আমি জানি!
তোমার মেয়ে তোমার মতো
বড্ড অভিমানী!
গাল ফোলালো ভাত খাবে না
আসবে না আর কাছে;
এমন ভীষণ রাগ ভাঙাবার
সাধ্যি আমার আছে!
কান ধরেছি কালকে মেরুণ
টিপ দিবো ওর হাতে
তবেই মেয়ে ভাত খেয়েছে
এই ঘুমালো রাতে;
আমার কথা না-ই বা লিখি
হয়তো আছি ভালো!
নেই তুমি তাই চোখের কোলে
একটু মেঘের কালো,
মেঘের কালো! ভুল বলেছি
সমুদ্র দুই চোখে
তোমার কথা বরং বলো
খুব কি আছো সুখে?
মুখটি তোমার কেবল ভাবি
কী শান্তিতে শোয়া!
বন্ধ দুচোখ বরইপাতা
গরমজলে ধোয়া-
ইচ্ছে করে যাই উড়ে দূর
চর্তুদিকে খাঁচা;
নেই যে উপায়, কেবল মেয়ের
মুখ জড়িয়ে বাঁচা-
এই দেখো তো! কাঁদছো নাকি!
ভাবছো আমায় নিয়ে!
আচ্ছা পাগল! আসছি আমি
মেয়ের বিয়ে দিয়ে
তোমায় ছাড়া আমিই কী আর
ভাবতে কিছু পারি!
দেখবে আবার করবো সৃজন
শূন্যতে সংসারী;
বন্ধ করি আজকে লেখা?
লুকিয়ে রাখি চিঠি?
ঐ দেখো নেই দূর আকাশে
তারার মিটিমিটি!
মধুর আজান আসছে ভেসে
ফুটছে দিনের আলো
কাছের মানুষ তোমরা আমার
তোমরা থেকো ভালো!”

ছবিঃ সংগৃহীত

 

 

মোট পড়েছেনঃ ২,২০৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৬টি মন্তব্য

    1. কি যে বলেন!!!

      সামান্য চেষ্টাই তো কেবল!!

      আপনাদের ভালো লাগা মূলত অকৃত্রিম আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ।

      কৃতজ্ঞতা ভাই।

      অনিঃশেষ শুভকামনা জানবেন।

      ভালো থাকবেন। অনেক।

    1. অনেক ধন্যবাদ।

      আপনাদের হৃদয়স্পর্শী উপস্থিতিও দাগ কেটে যাচ্ছে মনের অনেক গভীরে।

      কৃতজ্ঞতা অনেক। অনেক।

      আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।

      ভালো থাকবেন। সবসময়।

  1. দাদা ভাই, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখোর মেয়েটি মনের মাঝে স্থায়ী ভাবে আসন নিয়ে নিয়েছে। এরপরে এই চিঠি। অন্যরকম এক অনুভূতিতে নিয়ে গেলো আমাকে। ধন্যবাদ দাদাভাই।

    1. লীলাবতী, আপনাদের অকৃত্রিম আন্তরিকতায় ভীষণ আপ্লুত আমি।

      কৃতজ্ঞতার কথা ছাড়া কিছু বলার মতো ভাষার অভাববোধ করছি ভীষণ।

      শুভকামনা এবং শুভকামনা এবং শুভকামনা।

      অনেক অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়। অনেক ভালো।

      1. আপনি ভালো লেখেন। একজন ভালো লেখক একজন নবীন লেখকের লেখা পড়ে মতামত দিলে সে অনেক উৎসাহ পায়। আপনি প্রতিনিয়ত দিয়ে যান নবীনদের, দেখে ভাল লাগছে খুব। অনেকেই আছেন একটু ভালো লিখলেই ভাব এসেছে যায় তার মধ্যে। অন্যের লেখা পড়া তো দূরের কথা, নিজের লেখার মন্তব্যের জবাব পর্যন্ত দেন না। ভাল থাকবেন দাদা ভাই।

      2. আপনি তো আমাকে লজ্জায় ফেলে দিচ্ছেন!!

        লেখা সম্ভবত দুধরনের। ভালো লেখা এবং ভালোর জন্য লেখা। আমার লেখার সামান্য চেষ্টা ভালোর জন্য।কার্যত পেরে উঠি না জানি, তবু খুব করে চাই ভালো হোক আমাদের, আমাদের সমাজের।

        ভালো লেখেন যাঁঁরা, তাঁঁরা নিজগুণেই ভালো। থাকুক না কারো আচরণে বৈচিত্র্য! স্বাগত বৈচিত্র্যকে।

        শুভকামনা জানবেন। পুনরায়।

        ভালো থাকবেন। অনেক। অনেক।

    1. আমার সমস্যাও প্রায় একই ধরনের!!

      এমন আন্তরিক মন্তব্যের প্রতিমন্তব্য করা তো মুশকিল!!

      অনিঃশেষ শুভকামনা।

      সবসময় ভালো থাকবেন। অনেক।

    1. //কবিতার মত চিঠি না কি চিঠির মত কবিতা??//

      হা হা হা হা

      চিন্তায় ফেলে দিলেন তো!!

      সুন্দর মন্তব্যে শ্রদ্ধা।

      উপস্থিতিতে কৃতজ্ঞতা।

      আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।

      ভালো থাকবেন। সবসময়।

  2. ছন্দ মিলানো কবিতা অনেক ভাল লাগে আমার। শব্দে কতটা দখল থাকলে ছন্দ মিলানো যায়, তা ভাবি আমি। আর একটি কবিতা আসবে বুঝতে পারছি। অপেক্ষায় থাকলাম।

    1. আরে না-না!! কিছুই নেই আমার দখলে!! কখনও কখনও দু’চারটি শব্দ মিলে যায় হয়তো!! সেটা উল্লেখযোগ্য নয় তেমন!!

      কৃতজ্ঞতা কবির উপস্থিতিতে।

      শুভকামনা জানবেন। অনিঃশেষ।

      অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়। অনেক ভালো।

  3. এই দেখো তো! কাঁদছো নাকি!
    ভাবছো আমায় নিয়ে!
    আচ্ছা পাগল! আসছি আমি
    মেয়ের বিয়ে দিয়ে
    তোমায় ছাড়া আমিই কী আর
    ভাবতে কিছু পারি!
    দেখবে আবার করবো সৃজন
    শূন্যতে সংসারী;

    হুম প্রিয় ভাল লাগলো।

    1. অনেক অনেক ধন্যবাদ মজিবর ভাই।

      অনেক কৃতজ্ঞতা উপস্থিতিতে।

      শুভকামনা এবং শুভকামনা। অনিঃশেষ।

      ভালো থাকবেন। অনেক। সবসময়।

  4. মনে দাগ কেটে যাওয়া চিঠি।
    সজুর সাথে একমত।
    মেয়ের চিঠি, মেয়ের বাপের চিঠির পর হিসেবমতে মেয়ের মায়ের চিঠিই দেয়া উচিত।
    অপেক্ষায় রইলাম। 🙂

    1. কিন্তু মেয়ের মা যে অন্য ভুবনের বাসিন্দা!!!

      অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা উপস্থিতিতে।

      আমার শুভকামনা জানবেন অনিকেত নন্দিনী। অনিঃশেষ।

      সবসময় ভালো থাকবেন। অনেক ভালো।

      1. লেখালেখিতে সবই সম্ভব।
        এখানে কাহিনীর স্রষ্টা লেখক নিজে। কাজেই সে তার নিজের ইচ্ছা এবং সময়ের দাবিতে অনেক কিছুই করতে পারে।
        ধন্যবাদ অফুরান।

  5. point of view——– সম্পর্ক এর ভালবাসা—- জানতে তুমি যদি;
    এই ঘুমালো তোমার মেয়ে
    জাগছি আমি পাশে
    করবো কী আর তোমরা আমার
    নিঃশ্বাসে-প্রশ্বাসে
    —-
    ২—-
    চ্ছে করে যাই উড়ে দূর
    চর্তুদিকে খাঁচা;
    নেই যে উপায়, কেবল মেয়ের
    মুখ জড়িয়ে বাঁচা-
    এই দেখো তো! কাঁদছো নাকি!
    ভাবছো আমায় নিয়ে!
    আচ্ছা পাগল! আসছি আমি
    মেয়ের বিয়ে দিয়ে

    —————

    বিদাতার প্রতি ভালবাসা—– ঐ দেখো নেই দূর আকাশে
    তারার মিটিমিটি!
    মধুর আজান আসছে ভেসে
    ফুটছে দিনের আলো————–

    লিখা ——————অনেক ভালো————- ভালো লাগার—–

    1. নিবিড় পাঠে অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই।

      কৃতজ্ঞতা উপস্থিতিতেও।

      আপ্লুত আন্তরিকতায়।

      আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।

      সবসময় ভালো থাকবেন। অনেক ভালো।

মন্তব্য করুন