রক্ত এবং আত্মিক দ্বন্দ্বে নি:শ্বাস নিরাপত্তা খোঁজে আজন্মকাল
অবিচ্ছেদ্য জীবনের কেন্দ্রবিন্দু কি আদৌ আছে কোথাও!
তবুও বাঁচার জন্যেই মৃত্যুকে ফেরাই,
আবার মৃত্যুও কামনা করি।
দোটানা জীবন দু:খ-বিলাস, সুখ-বিলাস নিয়ে মত্ত থাকে।
ইতিহাস বদলে হাইহিল আর কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ উঠে আসে।
যেমন, পলেস্তারা উঠে যাওয়া পুরোনো জমিদারবাড়ীর বাঈজীমহলের গল্প জানে সবাই
অন্দরমহলের রানীর দীর্ঘনিঃশ্বাস অলঙ্কারের ঝঙ্কারে মিইয়ে যায়।
অপসৃয়মান আলোয় নারী সত্তার চিরন্তন রূপ আমারই আদলে গড়া
পৃথিবীর অতৃপ্তবোধের সৌন্দর্য এই আমি ক্ষুধিত পাষাণ।
হ্যামিল্টন, কানাডা
৪ মে, ২০১৬ ইং।
মোট পড়েছেনঃ ৫৮৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন

অনেক অনেক ভাল লেগেছে।ভালো থাকবেন সব সময়।
আপনাদের ভালো লাগে বলেই তো লিখতে পারি।
ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
দোটানা জীবন। বাহ! মনে থাকবে দোটানা জীবনের কথা। দিদি খুব ভাল লেগেছে কবিতা।
ভাভু বাইয়া আমাদের জীবনটা আসলেই দোটানায় চলতে থাকে।
ভালো থাকুন।
অনুপম লিখণীতে মুগ্ধ হলাম। 🙂
ইনজা আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হোলাম।
ধন্যবাদ।
দারুন দারুন, মুগ্ধতা রেখে গেলাম কবিতায়
আপনার মুগ্ধতা সযত্নে রক্ষিত হলো আবেগের কলামন্দিরের সিন্দুকে। 🙂
আপনার লেখা সব সময়ই অসাধারন!
কি যে বলেন না! আপনার লেখার মানের কাছে কিছুই না।
ধন্যবাদ।
এমন ভাবে লিখেছো মনে হচ্ছে আবৃত্তি শুনলাম
ইদানিং এত ভাল লেখো কেন তুমি?
নানা এ কি বললে! আগে বুঝি খারাপ লেখতাম? :@
যাও আবৃত্তি শোনাবো তোমাকে। 😀
আহা, দারুন দিদি, একেবারে লিখার ভেতরের লিখাও দেখলাম আয়নায়
এতো সুন্দর মন্তব্য করে রাঙিয়ে দিলেন লেখাটিকে।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এতো চমৎকার লেখ আপু তুমি ! কীভাবে লেখ ? দাওনা কিছু শব্দ আমায়।
এই সেরেছে! এভাবে বললে অহঙ্কারে মাটিতে পা পড়বে না, আকাশে উড়তে থাকবো। আর লেখাগুলো মেঘের জলে মুঁছে যাবে, তখন কোথায় পাবেন? 😀
ভালো থাকুন আপু।
ওরে দিদি, কেমন করে লিখো এমন করে !!
সব কয়টি লাইনই সুন্দর…
রিমি আপু তুমিও এমন করে বলছো!
কি যে লজ্জ্বা পাচ্ছি!!
অফুরান ভালোবাসা রইলো। -{@
এমন লেখায় নীলাদির বিকল্প নেই। পাঁচ তারকা দিলাম দিদি 🙂
লীলাবতীদি এভাবে বলবেন না। আজ দেখছি আমি অজ্ঞানই হয়ে যাবো এতো প্রশংসায়।
ভালো থাকুন নিরন্তর। -{@
//অবিচ্ছেদ্য জীবনের কেন্দ্রবিন্দু কি আদৌ আছে কোথাও!//
গুরুত্বপূর্ণ আত্মজিজ্ঞাসা!!
বরাবরের মতো লেখা ও ছবিতে ভালো লাগা অনেক।
অনেক শুভকামনা।
ভালো থাকবেন। সবসময়।
আপনি সবসময়ই ভালো বলেন।
আমি তো দেখি আপনার লেখনশৈলী।
অপূর্ব লিখনী আপনার।
ভালো থাকুন আপনিও।
ভাল লাগল।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
দারুণ আপু, অনেক সুন্দর 🙂
এভাবে সুন্দর মন্তব্য পেয়ে লেখাটি ঝলমল করে ফুঁটে উঠেছে।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
একে তো অনেকদিন পরে এসেছি তার উপর আবার আপনার পাঁচতারা পাওয়া লেখা! কি মন্তব্য করবো বুঝতেছি না!
আপাতত বলেন আছেন কেমন?
এখন ভালোই আছি পিচ্চি আপু। অফিস ডিউটি করছি। এখনও ফিল্ডে মানে নার্সিং-এ নামিনি। পেপার ওয়ার্কস করছি।
কিন্তু আপনাকে পাওয়া যায় না, পরীক্ষা তো শেষ। এবার কিছু লেখা আসুক। অপেক্ষা করি বোঝেন না?
চলে এসেছি আপু। এবার আড্ডা হবে, মজা হবে আর লেখা সেও দেবো দেবো….
পিচ্চি আপু তাই করুন। আপনার লেখা কোথায়? খুঁজে তো পেলাম না।
এসব কিন্তু ঠিক না। কথা দিয়ে কথা না রাখা।
শুন্য আপুকে খুব মিস করি।
কবিতা পড়ে যা মন্তব্য করবো ভেবেছি, তা যে সবাই আগেই দিয়ে ফেলেছে। কবিতায় মুগ্ধ আপু।
স্বপ্নের মন্তব্য স্বপ্নীলই হয়।
এই যে মুগ্ধতা তাতেই তো ভালো লাগছে।
ভালো থাকুন।
সবাই আগেভাগেই সব বলে ফেলেছে। আমি কী বলে প্রশংসা করবো? ;(
“উপবৃত্তাকার পথে পরিভ্রমণ করে একেকটি সম্পর্ক” – আমি এখনো জানিনা সম্পর্কেরা কোন পথে পরিভ্রমণ করে। 🙁
দিদি এ কথা আপনি বললে চলবে না। আপনার মন্তব্য অতুলনীয়, তা থেকে বঞ্চিত করা কেন বাপু?
লেখাটা তো কাঁদবে। ;( 🙁
কবিতাটি অন্য কবিতাগুলির চেয়ে দৈর্ঘ্যে ছোট হলেও প্রত্যেকটি সারণী দারুণ অর্থবহ।
নন্দিনীদি আপনার এমন মন্তব্যর অপেক্ষাই তো করি। -{@
পৃথিবীর অতৃপ্তবোধের সৌন্দর্য এই আমি ক্ষুধিত পাষাণ।
কবিদের কখনো কোন কিছুতেই আত্ত্বতৃপ্তি নেই এটা সত্য।
অনেক লেখার মাঝে এই লেখাটি একটু
আত্ত্ব জিজ্ঞাসা এনে দিল মনে।তাহলে সত্যিই আমরা দুটানায় বেচে আছি -{@
“পৃথিবীর অতৃপ্তবোধের সৌন্দর্য এই আমি ক্ষুধিত পাষাণ।”—–এই একটি লাইন আমার স্যারের ভাবনা থেকে নেয়া।
মনির ভাই আপনাদের সকলের প্রেরণাদায়ক মন্তব্যে লেখার চেষ্টা করি।
তারপর আপনাদেরই কথার অলঙ্কারে সেজে ওঠে আমার একেকটি লেখা।
ধন্যবাদ আপনাকে। -{@
🙂 ব্যাপক সুন্দর। খুব যত্ন করে শব্দ সাজানো হয়েছে। মুগ্ধতা রেখে গেলাম। ভাল থাকুন।
অয়োময় অবান্তর আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মুগ্ধতা যত্ন সহকারে রক্ষিত হলো।