বৃষ্টি এসেছে

হঠাৎ বৃষ্টি নেমে আসে চুপিসারে, আ-বনান্ত বীথী-পথ জুড়ে
ভিজে যায়, ভিজে যায় সাড়া পথ, ভিজে যায় সবুজের বনানী,
আকাশ আজ প্রহরী বিহীন, সন্ন্যাস হীন বর্ষনাকাঙ্খায় ক্রমশ
ভারী হয়ে ঝরে যাওয়া, ঝরে পড়া।

অবাধ ঘোরাফেরার বৃষ্টি এক সময় থেমে যায়;
স্বপ্ন ভেঙ্গে জেগে ওঠে আচমকা, দুচোখের ইন্দ্রজালে,
পাতাদের ঝরে পড়ার আওয়াজে।

হঠাৎ বৃষ্টি নেমে এসে দাঁড়িয়েছে, গা-ঘেঁসে।

মোট পড়েছেনঃ ১,১৫০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৭৯টি মন্তব্য

      1. স্ক্রিনশট নিয়া রাখলাম, এই ষড়যন্ত্র হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে। ন্যায়নীতি বলে সমাজে এখন কিছুই নাই। মডুরা কি এমন ষড়যন্ত্র দেখে না?

  1. হেলাল ভাই এসে একটা যে ধমক দিবে সেটা ভাবছি। লেখা নিয়ে কিছু না বলে, আড্ডাবাজি শুরু করেছি। কি করমু কারো ঘরে গিয়ে কি এমন করা যায়! ত

      1. জালাতন আপ্নাকেই করতে পারি, পারি বলেই করি। কই আর যামু আমরা। ঝগড়াঝাটি করি না’তো। কুবিদের মাথায় লেখা ছাড়া আর কিছুই কি নেই?

  2. তাই বলে কি বৃষ্টিকে রুখা যাবে? যাবে না। হঠাৎ এই বৃষ্টি যতোই গা-ঘেষে দাড়াক, ভিজিয়ে দেক, ঝড়াক হাজারো পাতার বন্ধন তবুও এই বৃষ্টিকেই আপন করে নিতে হবে। গায়ের পরতে পরতে মাখিয়ে গেয়ে উঠতে হবে কোনো নির্জন সঙ্গীত। বৃষ্টি ভালবাসি, হঠাৎ বৃষ্টি আরও বেশি ভালবাসি। কবিতা লেখতে মিন চায়।

    1. আহা্‌ এমন কে বাঁধা দিতে নেই, বেঁধে রাখতেও নেই।
      আগল খুলে দিয়ে দুকলম চালিয়ে দিন, ভাগ দিন, ভাগ নেই।

      অন্য ভাবনা নিয়ে লিখতে বসেছি, বৃষ্টি নেমে এলো, আমিও ঝেরে দিলাম, আনন্দের বেদনায়।
      শেষ লাইনটি আগেই বৃষ্টিকে ভেবে নিয়েছিলাম, পরে প্রথম থেকে লিখেছি।

      1. আগেও একদিন বলেছিলাম, হুটহাট লেখাগুলো আরও বেশি সুন্দর হয়। প্রমাণ পেলেন তো। আমিও তো ভাবি নবান্নের উঠোনে আবার বৃষ্টি এলো কোত্থেকে। তা আজকে কি রান্না বান্না হলো?

  3. আচমকাই বৃষ্টি নামলো।
    আলোর ধারাপাত গোনা শেষ হতে না হতেই
    রূপোলী জলের নাচন শুরু হলো।—

    আচ্ছা এ কোন বৃষ্টি? কুবিগুরুজি আর কতো!!!
    তা স্বপ্নে বৃষ্টি কি গা-ঘেঁসে দাঁড়িয়েছিল? আমার তো তা মনে হয়না! 😱

    1. আপনি একদম ঠিক ধরেছেন!!
      স্বপ্নের দরকার কী!! নধর বৃষ্টিকে কাছে-পিঠে পেলে।
      এর কুন শেষ নেই। আপনি থাকতে শেষ কী করে করি!

      আচমকাই নেমে আসে ঐ আকাশি স্বর্গ থেকে
      ফোঁটায় ফোঁটায় বিন্দু বিন্দু করে অঝরে
      রূপোলী রুপোর নাচনে ।

  4. কাঁটাছেড়া করবার ইচ্ছে ছিলো।
    কিন্তু হঠাৎ ই তাকিয়ে দেখলাম, বৃষ্টি এসেছে গা ঘেষে..

    “বহুকাল খাঁ খাঁ করছে বর্গা নেয়া হৃদয়ের জমিন
    শীতকালীন ভেসলিন বিহীন ওষ্ঠের মতোন
    শর্ত না মেনে ভেজেও না চোখের সবুজ,
    অধৈর্য্যের মতোন বৃষ্টি মেতেছে তুমুল নেশায়
    অন্যকোথাও, অন্য কোনখানে, অন্যদের শরীরী কথায়…

    1. ছুড়ি-চাকুর কারবারি!!
      ইচ্ছে হলেই চালাতে পারেন, দয়াহীন ভাবে!!
      যাক বর্গা সিস্টেম জেনে গেছেন যখন তখন আর সমস্যা নেই!!
      এত্ত কঠিন কথা লেখেন ক্যা!!
      উত্তর দেতারিনা যে, ভাইয়া!!

  5. বৃষ্টি এসেছে চোখের পাতা ছুঁয়ে,
    বৃক্ষ–পাতার ঘুম ভাঙিয়ে আলতো পায়ের আদ্রতায়, দুষ্টু চলনের মিষ্টি বৃষ্টি সন্ন্যাসীর বিনা গা–ঘেঁষায়
    হামলে পড়েছে সর্বাঙ্গে, অঝোর ধারায়,
    আচমকা বৃষ্টি এসেছে বনানীর নির্জনতায়..

    1. আপনার মন্তব্য পড়ে তো মনে হচ্ছে, বৃষ্টির ব্যাপক ক্ষ্যামতা!!
      বৃষ্টি কোথায় কোথায় পড়েনি সেটাই ভাবার বিষয়।
      বৃষ্টি গড়িয়ে/ছড়িয়ে যাচ্ছে সোনেলার উঠানে
      ভাগ্যিস শীলা-বৃষ্টি হয়ে বরফের রাজ্য গড়েনি
      অবর্ণনীয় নির্জনতায়।

মন্তব্য করুন