বৃত্ত বন্দীত্বে

 

অক্ষর বৃত্ত, স্বর বৃত্ত, মাত্রা বৃত্ত, আরও আরও কত শত শত
জানা-অজানা বৃত্ত-ফাঁদে বন্দী হতে হতে বিনির্মাণে নরক, নরকের যন্ত্রণা!
থেমে যাইনি/থাকিনি/থাকবো-ও না।

তাই বলে কামিনীর ঝোপ-ঝাড়ে উঁকি দেবোনা!
ওঁত পাতবো-না নৈশব্দদের গুপ্ত ভাণ্ডারে! খুঁজবো-না
অতিশব্দ, প্রতিশব্দ, পরাশব্দ, শ্লীল-অশ্লীলতা,
পরস্পর মিত্রতার ছলে! সেটি হতে দিচ্ছি না;

হলুলুলু বা চেরাপুঞ্জি বা আন্দামান বা সফেদ তাহিতি
দেশ বা বিদেশের বিভূঁইয়ে!
পাগলুলু হতে হতে তাকিয়ে দেখবো,
তরঙ্গিণী ঠোঁটের বুদবুদ, জোড়া বেঁধে উড়ে যাওয়া গাংচিল!

খুঁজে নেব ভেষজ খাদ্য-দানা, সুখ-অসুখের পরিত্রাণে।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৯৪৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৮টি মন্তব্য

  1. বৃত্তে বৃত্তে বন্দী হতে হতে একজন মানুষ কবি হয়ে ওঠে। আর বৃত্ত ভাঙতে ভাঙতে তিনি বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। আপনি এখন ভাঙার দলের যাত্রী; এ আমার- আমাদের গৌরব।

    1. আজকে তো নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবতেই চাই/পারি- ও।
      কবি এমন পাগলুলু লেখায় প্রথম-প্রশংসা মন্তব্য করেছে।
      বেশী বেশী কবিতা পড়তে চাই, সদ্য প্রসূত।
      অবশ্যই নিরাপদে থাকবেন, আপনি।

  2. আপনি তো মহারাজ তাই আপনি ভাঙ্গবেন আপনিই গড়বেন , উঁকি ঝুঁকি মেরে শব্দ সেচে , পাখির মতো খুঁজবেন খোরাক তাহলেই না এমন সৌন্দর্য মন্ডিত, শব্দের মায়াজালে বন্দী হবো আমরা। শুভ সকাল ভাইয়া

    1. আমি কিছুই পারিনি/পারিনা, আউল-ফাউল যা মনে আসে তাই লিখে দেই।
      তবে মনে এলে চেপে রাখিনা কিছুই। ধুর, শব্দ কী বানাই নাকি! টুকিয়ে-ফুকিয়ে আপনাদের দেখে দেখে শিখি মাত্র।
      ভাল থাকবেন আপনিও।

  3. ভাইজান, কবিতাটি পড়ে আমি পূর্ণ বৃত্তের ভিতর আটকে রইলাম। আর কবিতার এই বৃত্ত থেকে বের হতে চাই না। যদিও শব্দের অর্থ বুঝি না। তারপরও মনে শান্তি পায়।

    1. ভাই, এ বৃত্ত কোন বৃত্ত না, ভুং ভাং মাত্র!
      আমিও কী সব কিছু বুঝি না-কী! চালিয়ে দেই যেমন তেমন।
      ভাই এমন বললে, শান্তি শান্তি আমার লাগে।
      নিরাপদে থাকবেন।

    1. অবশ্যই চলবে, তবে আপনার মত স্বজনদের দাঁত চেপে সহ্য করে যেতে হবে!!
      আমি কিচ্ছু না, সব ভুয়া কথা ওসব!!
      সবাইকে নিয়ে ভাল থাকবেন।

  4. ‘তাই বলে কামিনীর ঝোপ-ঝাড়ে উঁকি দেবোনা!
    ওঁত পাতবো-না নৈশব্দদের গুপ্ত ভাণ্ডারে! ‘
    দারুণ বলেছেন। কেন উঁকি দেবেন না অবশ্যই দেবেন!
    কবিতা ভাল লেগেছে হেলাল ভাই!

  5. অজস্র শব্দ ভাণ্ডার যাঁর দখলে
    তাঁকে কামিনীর ঝোপ-ঝাড়ে উঁকি দিতে হয় না
    ওঁত পাততে হয় না নৈশব্দদের গুপ্ত ভাণ্ডারে
    তবুও যদি অতিশব্দ, প্রতিশব্দ, পরাশব্দ, শ্লীল-অশ্লীলতা,
    পরস্পর মিত্রতার ছলে খুঁজতে থাকে
    তবে ব্যাপারটা এমন
    যতো আছে, ততোই চাই
    আরো আরো চাই

    1. চাওয়া কী শেষ হয়! চাই চাই চাইইইইইইইইইইই-ই-তো!!
      যেমন, যা লিখতে চাই তা তো লিখতেই পারলাম না,
      লিখতে চাওয়া্র ইচ্ছেটা তো থেকেই যাচ্ছে প্রাণের-সরোবরে।

      1. একটা ইচ্ছে থেকে জন্ম নিচ্ছে আরেকটা ইচ্ছের। আরেকটা ইচ্ছে থেকে আরো একটা ইচ্ছের এভাবে দিনকে দিন বেড়েই চলেছে ইচ্ছে
        অজস্র লেখা হলেও ইচ্ছের আর ইচ্ছে পূরণ হচ্ছে না

        তাই তো!!

      2. লেখা আসলে চেইন রিএ্যাকশনের মত।
        আমার অভ্যাস আরও খারাপ, একটি লিখতে লিখতে আর একটি লেখা শুরু করি।
        একই সময় তিনটে লিখেছি। একটার পর একটা না, এটা একটু লিখি, অন্যটা একটু !!
        ভাল থাকুন।

  6. অভিধান খুঁজে নতুন শব্দ, ছন্দ আনতে হবে।
    কাব্যের পাহাড় উঠবে জেগে নতুন করে।
    আমরা পাবো কঠিন শব্দের বাড়াবাড়ি আর হবো মোহিত

  7. ভাইজান এমন লেখা আমি পড়তে পারি কিন্তু কঠিন শব্দের ভীড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলি বিধায় কমেন্ট আমার জন্য কঠিন হয়ে যায়।
    ক্ষমা করবেন।

  8. তাই বলে কামিনীর ঝোপ-ঝাড়ে উঁকি দেবোনা!
    ওঁত পাতবো-না নৈশব্দদের গুপ্ত ভাণ্ডারে! ‘

    অসাধারণ লেখা দাদা,
    ভালো থাকবেনা সবসময় শুভ কামনা।

  9. বৃত্ত বন্দী জীবনে বৃত্তের বাইরে যাওয়ার উপায় নেই।
    মেনে নেয়া/ মানিয়ে চলার এই ভুবন-বৃত্তের মাঝেই খুঁজে পেতে হয় অপার্থিব স্বাধীনতা।

    1. চাইলেই যদি সব-পাওয়া পাওয়া যেত
      তাহলে আর এত এত পই পই করা লাগতো না।
      অবশ্য কেউ তা খুঁজে পেতেই পারে।
      পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
      লিখতে শুরু করুন এবার।

মন্তব্য করুন