বিরহের বিমূর্ততা

নিয়মের ঘূর্ণিপাকে আজ আমি শ্রান্ত,
গন্তব্যের ধ্বজা হারিয়ে গেছে দূর্বোধ্যতার উর্ণাজালে।
মননশীলতা থমকে গেছে ব্যর্থতার গড্ডালিকায়;
শূণ্যতার উপস্থিতি অহর্নিশি-
অমানিশার শামিয়ানা হয়ে আবর্তমান।
পথ হারিয়েছে পথের বিরাগ-অভিমানে;
অন্তর্জ্বালায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে ব্যথার শ্মশানঘাটে।

স্বপ্ন-জাগরণে ধেয়ে আসে অবিরত-বিরহের বিমূর্ততা;
ছুঁয়ে গেছে জীবনের চতুর্মাত্রিক পটভূমি;
ভবনদী বয়ে চলে সর্পিল গতিতে-
নিরাশার লন্ঠন হাতে নিয়ে।
চিরস্থায়ী ঠিকানার ডাক ভেসে আসে-
সুদূর তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে কর্ণযুগলে।

মোট পড়েছেনঃ ৮৭৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৪টি মন্তব্য

  1. স্বপ্ন-জাগরণে ধেয়ে আসে অবিরত-বিরহের বিমূর্ততা;
    ছুঁয়ে গেছে জীবনের চতুর্মাত্রিক পটভূমি;
    ভবনদী বয়ে চলে সর্পিল গতিতে-
    নিরাশার লন্ঠন হাতে নিয়ে।
    .
    ভবনদী সবসময় ভবঘুরে তার নেই যে ঠিকঠিকানা!
    অনবদ্য কাব্যকথন দিদি।

  2. “চিরস্থায়ী ঠিকানার ডাক ভেসে আসে-
    সুদূর তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে কর্ণযুগলে।”
    বিরহ ব্যাথায় কাতর হলে কি চলে
    সুদিনের আশায় স্বপ্ন দেখার ছলে ?
    ভাল লাগলো দিদি। শুভ কামনা।

  3. কবিতা পড়ে একটা কথাই কেবল মনে হচ্ছে,
    এই কবিতার সম্পুর্ণ পাঠোদ্ধার করা আমার মতো মূর্খের পক্ষে সম্ভব না। মহারাজের ডিকসনারিটা যদি ধারে পাই তাহলে হয়তো চেষ্টা করতাম 🙁
    যাই, মহারাজকে খুঁজে আনি..

  4. স্বপ্ন-জাগরণে ধেয়ে আসে অবিরত-বিরহের বিমূর্ততা;
    ছুঁয়ে গেছে জীবনের চতুর্মাত্রিক পটভূমি;
    ভবনদী বয়ে চলে সর্পিল গতিতে-
    নিরাশার লন্ঠন হাতে নিয়ে।

মন্তব্য করুন