বৃষ্টি এবার কালো-আলতায় ঠোঁট এঁকে
ধূন ধরে বসে আছে, সেই ভোর থেকে এই অব্দি!
আনন্দ-বেদনার মোহন চৌহদ্দিতে অখণ্ড-অস্পষ্টতায়
অ-নগ্ন বিবসনা যোগিনীর মত;
বিজুলির ধ্মক-চমক থোরাই কেয়ার করে সে,
কিছুতেই সে আজ নাববে না, বিজলিদের শাপ-শাপান্ত
কিছুতেই সে মানবে না।
চোখ উল্টে ভয় দেখায় বিজলিদের, ভ্রু-নাচিয়ে,
চেতিয়ে-ও না কিন্তু, ওয়াশিংটন ডিসির মত
চুবিয়ে-ডুবিয়ে দেব, বেঁকে-চুরে জ্বলে ওঠা প্রেমের
লেলিহান অনলে, পুঞ্জ-মেঘের স্তব্ধতায়।
মোট পড়েছেনঃ ৮৫৮জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
বৃষ্টি নামবেই না এবারে!
হুমকি তে ভয় পাইছি,
ল্যাপটপ ভেদ করে হুঙ্কার এসে কানের তালা ফাটিয়ে দিচ্ছে।
বৃষ্টি খুউব রেগে আছে!
রাগমোচন হবে নিশ্চয়-ই।
ওয়াশিংটন? চট্টগ্রাম ঘুরে গেল বুঝতেন!!
তবুও বৃষ্টি নামুক! ধুয়ে দিক সকল কালিমা,প্রেমের দোহ।
আমিও বলি তবুও নেমে আসুক সে ঝর্ণাধারা হয়ে।
উচ্ছল আনন্দে।
বরিষধারা মাঝে শান্তিরও বাণী
আসুক আসুক।
বৃষ্টির সাথে মেঘের ঝগড়া হয়েছে, কবি সাহেব এর আহাজারিতে যদি রাগ ভাংগে।
উহ্, বৃষ্টিতো কালো-আলতা (মেঘ) পড়েছে,
সে রাগ করেছে বিজলিদের সাথে, খালি তাগাদা করে।
কারো আহাজারিতে কিছু হবে বলে মনে হয় না।
আমার তো মনে হলো কবি সাহেব বিজলীদের দলের হয়ে কথা বলছে।
আরে বিজলিরা তো শাপ-শাপান্ত করছে!
হামকি-ধুমকিতে কাজ হবে মরে যাবে তবুও সাবনা। পণ তাঁর আছে!!
কবি সাহেব এক ভিন্নতর কবিতার স্বাদ পেলাম,শব্দের বুনন ভাল্লাগছে
আনন্দিত হলাম আপনার প্রশংসায়।
ঠিক বলেছেন, সে পণ করেছে, কী যে হবে তাই ভাবছি।
আর বৃষ্টির দরকার নেই।
গাছ-অট্টালিকা সব ধোয়ামোছা শেষ। রাজপথে সাতরে বেড়াচ্ছে ডিজিটাল নৌকা-গাড়ি,
মেঘ যতই কুকড়ে থাকুক, বৃষ্টির বোধবুদ্ধি ঝরে না পড়লেই হয়।
অতি বৃষ্টিতে গাছ তো গাছ, কবিতাও ব্যাঁকা-ত্যরা হয়ে যাবে।
এখন তো মনে হচ্ছে আপনি-ই বৃষ্টিকে আটকাচ্ছেন!!
শুধু একটু হুমকিতেই ভেসে ছয়লাব!!
লেলিহান প্লাবন নিয়ে এলে পালিয়ে-ও বাঁচা যাবে না।
বিদ্যুৎ চমকানি আর কড়াৎ কড়াৎ শব্দে আমি নিজেও ভয় পাই। তবুও জানালা খুলে বসে থাকি বৃষ্টি দেখবো বলে। নতুন খবর হচ্ছে ওয়াশিংটন ডিসিতে বন্যা! জীবনে প্রথম শুনলাম খবরে ভাই।
যাক আপনিও বৃষ্টি প্রেমি জেনে ভাল লাগল।
ঐ বন্যার কথাই এই লেখায় উঠে এসেছে।
হেলাল ভাই কালো আলতায় ঠোঁট রাঙানো কেন?
রাগ করে আছে বৃষ্টি!! তাই এমন।