ফেলে আসা দূর-বন্দরের দিকে তাকিয়ে ভাবি
কবে/কখন ফিরে এসে ডুব দেব গোছল-নদীতে,
যেখানে বন্দি হয়ে আছে আজন্মের দুরন্ত আনন্দ-শৈশব;
আকাশের অগুনতি তারাগুলো রাতভর আনন্দ-হাঁটার
খুনসুটি শেষে এই মাত্র ঘুমিয়েছে,
আমার আটকে পড়া চোখ-মন গুলো শুধুই
অপেক্ষার বীজ বোনে সাফ-শুচি হয়ে;
নৈশব্দ-খড়ম-পায়ের খট-খট ধ্বনিতে
জ্বাল হচ্ছে যন্ত্রণার তীব্র আরক,
যেন বেঁধে রেখে দেবে জন্ম থেকে জন্মান্তরে;
শীত-সকালের অবগুণ্ঠিত দুরন্ত/উড়ন্ত হাসি-রোদ্দুর
হাতের তালুতে ফেলে নেড়েচেড়ে দ্যাখে,
সোনারূপার ঘূর্ণায়মান জলে ধোয়া
ধন্য-বৃষ্টির আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
ছবি নেটের।
মোট পড়েছেনঃ ৮৮৫জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
তাল গাছ দেখতে এলাম। এই গাছটির প্রতি আমার বিশেষ দুর্বলতা আছে 🙂
চোখ সার্থক হয়েছে শুনে আনন্দিত।
ধন্যবাদ।
বৃষ্টি তো ভালোই লাগছে , সাথে এমন কাব্যরচনা। শৈশবটা খুব মনে পড়ে আমারও। অফুরন্ত শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো
শৈশবে ফিরে যেতে না পারলেও পিছু-ডাক থেকেই যায়।
ভাল থাকবেন।
” Our sweetest things are those that tell our saddest thoughts! ”
এই উক্তিটি কবিতার সাথে মানান সই।
শুভকামনা
অনেক অনেক ধন্যবাদ, উদ্ধৃতিটি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য।
কবিতায় মনটাকে যেন নষ্ট্যালজিক করে তুলল বড় ভাই। ভাবছি আজই কিছু স্মৃতিময় জায়গায় ঘুরে আসবো।
অনেক অনেক দিন পর আপনাকে দেখলাম,
দ্রুত নেমে পড়ুন আমাদের সাথে নিয়ে।
ভাল থাকবেন ভ্রমণে।
শীতের সোনা রোদ্দুর সকালে ছেলেবেলায় করা সব উচ্ছল উদ্দামতার কথা মনে পড়ছে লেখা পড়ে। ধন্য বৃষ্টি বিষয়টি বুঝিনি।
শুভকামনা ভাই।
ফেলে আসা ছেলেবেলার হাতছানি উপেক্ষার নয়। ফিরে ফিরে সে ডাকবেই।
ধন্যবাদ।
স্মৃতিকাতরতা অনেক সময় আমাদেরকে শৈশবে নিয়ে যেতে চায়। সুখানুভূতিগুলো সুন্দর জীবনের ঠিকানা হাতড়ায়। এমন সুন্দর কবিতাও আমাকে খুব সুখ এনে দেয়।
এই সামান্যের শীত সুখ আপনার হবে বলে মনে হয় না,
মোটা তরতাজা সুখ আপনাকে ডাকছে।
ভাল থাকবেন ছড়া/কবি ভাই।
বৃষ্টির প্রথম ফোটা
অপেক্ষার প্রথম প্রহর
সংশয়ের প্রথম স্পন্দন
উৎসবের প্রথম লগ্ন
বেদনার প্রথম ক্ষণ!
সবই সময়ের শৈশব,
ধন্য-শৈশব!
আনন্দে-বেদনায়-নিবেদনে-আবেদনে।
টাইম-মেশিনের ঠিকানে দিন, প্লিজ লাগে।
এক্ষুণি চাই!!
মন দিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।