ঢাকা টু চট্টগ্রাম – বিমান বন্দর (স্টেশন নং-৫)

একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম পৌছে গিয়েছি ………….

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে অনেকগুলো ছোট স্টেশন আছে যেগুলোর নাম এবং সংখ্যা অনেকেই জানেন না, আমি ও জানি না । আমি এক ষ্টেশন থেকে পরবর্তী স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থানগুলোর ছবি দিব এবং প্রতি ষ্টেশনের জন্য একটা করে পোষ্ট । এতে করে স্টেশনের নাম এবং সংখ্যাটা ও হিসেব হয়ে যাবে ।

আমাদের হাটার ধরণঃ- সারাদিন রিলাক্স মুডে রেল লাইন ধরে হাটব, সন্ধ্যায় গাড়িতে করে বাড়িতে ফিরে আসব । এই সপ্তায় যেখানে আমার হাটা শেষ হবে আগামী সপ্তায় সেখান থেকে হাটা শুরু করবো এবং আবারো সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে আসব । এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমি চিটাগাংএর দিকে অগ্রসর হব এবং যতদিন না আমি চিটাগাং পৌছতে পারি । প্রতি সপ্তাহে হাটা আমাদের দ্বারা সম্ভব
না হওয়ায় দীর্ঘ দিন লেগে গিয়েছিল চট্টগ্রামে আমাদের পৌছতে। যদিও দিনের হিসেব করলে পনের দিন লেগেছিল।

স্টেশনের অবস্থানঃ এই স্টেশন ঢাকার বিমানবন্দর থানার অন্তর্গত।


(২) বিমান বন্দর স্টেশন পার হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চললাম দ্রুত গতিতে, কারণ সন্ধা হয়ে আসছে অন্ধকার হয়ে আসার আগেই পৌছতে হবে পরবর্তি স্টেশন টঙ্গী জংশনে।


(৩/৪) গোধূলী বেলায় সামনে থেকে আসা ট্রেনের কপালে জ্বলে থালা লাইট টাকে মনে হচ্ছিল যেন জ্বলন্ত সূর্য্য। আর খুব দ্রুতই এই সূর্য্য আমাদের পাশ কাটিয়ে পিছন দিকে চলে গেল।


(৫) রাতের অন্ধকারে তুরাগের রেল সেতুটার ছবি উঠানোর বৃথা চেষ্টা।


(৬/৭) নতুন দিনের সকালে কিছুটা হেটেই আমরা পৌছে যাই টঙ্গী জংশনে।

মোট পড়েছেনঃ ১,২৭৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. হাটাহাটি চলমান থাকুক, আমরাও আপনার সাথে গল্প করতে করতে এগুচ্ছি। সাথে একটু বুট-বাদাম, ঝালমুড়ি-চানাচুরের ব্যাবস্থা রাখলে মন্দ হতো না। 😊

    একদিন ট্রেনে উঠার ইচ্ছে আছে। দিনের বেলায় লম্বা এক ভ্রমণে যাবো। আঁকাবাঁকা পথে, বন-জঙ্গলের ভেতর দিয়ে অজগরের মতো মস্ত এক ট্রেনে ঘুরে বেড়াবো।

    শুভ কামনা পথিক ভাই 🌹🌹

    1. লোকাল ট্রেনে উঠলে মজা হবে বেশী, কিছুক্ষণ পর পর স্টেশনগুলোতে থামবে হরেক ফেরিওয়ালার কাছ থেকে নানা রকম খাবার দাবার কাবেন আর চলতে থাকবেন। মোটামুটি একটা পিকনিক হয়ে যাবে।

      আবারও নতুন উপাধি পেলাম 😀

  2. অনেকটা তই ঠিক সূর্যের মতই দেখাচ্ছে চলন্ত ট্রেনের লাইটটি।জানছি আপনার পর্বে পর্বে ঢাকা টু চট্রগ্রাম ভ্রমণ।বহুত হেটে হেটে কষ্ট করে আমাদের মাঝে সেয়ার করায় অসংখ্য ধন্যবাদ।

  3. দাদা প্রত্যেকটি ছবিই দারুণ
    লেখা গুলোও অসাধারণ,, ট্রেনের লাইট টাকে কিন্তু জ্বলজ্বলে সূর্যের মতই লাগছে।
    নববর্ষের শুভেচ্ছা রইলো দাদা।

মন্তব্য করুন