গত কয়েকদিন যাবৎ মানসিক অস্থিরতা এবং ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে নিয়মিত হতে পারছি না ব্লগ এবং ফেইসবুকে। এমনকি বন্ধুদের আড্ডাতেও না। এ জন্য সকলের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী । পৃথিবীতে মানুষের কাছে এমনকি নিজের আপনজনের কাছেও মাঝে মাঝে নিজেকে খুব ছোট মনে হয়। মাঝে মাঝে মনে হয় আমি এই পৃথিবীর জন্য একটা বোঝা।
মানুষের সব স্বপ্ন কখনই পূর্ণ হয়না। কিন্তু কিছু অপূর্ণ স্বপ্ন মানুষকে অনেক কষ্ট দেয়। বিধাতা আমাকে যা চেয়েছি সব দিয়েছেন তাই নতুন করে তার কাছে হাত পাততে চাই না। আমার অক্ষমতার দায়ভার আমাকেই নিতে হবে।
গত কয়েকদিনে আমার ভেতরে অনেক খানি পরিবর্তন এসেছে তাতে আমি নিজেই অবাক। আগে দিনরাত বাচ্চাদের মত মনটা উদ্বেল থাকত। আর এখন মনে হয় আমার উপর দ্বায়িত্ব এসে পড়েছে, আমার পরিবর্তনের সময় এসেছে। জীবনের রঙ বদলের এটাই উপযুক্ত সময়।
সব কথা হয়তো বলা সম্ভব নয় তাই বলতে পারলাম না। গুমরে মরা কিছু কষ্ট না বলাই থেকে যায়। সবাই আমাকে ক্ষমা করবেন। সকলের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থী আমি যেন স্বাভাবিক আমি আবারো নিয়মিত হতে পারি শিঘ্রই।
**পাহাড় চূড়ায়**
অনেকদিন থেকে আমার একটা পাহাড় কেনার সখ
কিন্তু পাহাড় কে বিক্রি করে তা জানিনা
যদি তার দেখা পেতাম দামের জন্য আটকাতো না
আমার নিজস্ব একটা নদী আছে…সেটা দিয়ে দিতাম পাহাড়টার বদলে
কে না জানে…পাহাড়ের চেয়ে নদীর দামই বেশী
পাহাড় স্থানু, নদী বহমান…তবু আমি নদীর বদলে পাহাড়টাই কিনতাম
কারন আমি ঠকতে চাই…নদীটাও অবশ্য কিনেছিলাম একটা দ্বীপের বদলে
ছেলেবেলায় আমার বেশ ছোট্ট খাট্ট ছিমছাম একটা দ্বীপ ছিল
সেখানে অসংখ্য প্রজাপতি…শৈশবে দ্বীপ’টি ছিল বড় প্রিয়
আমার যৌবনে দ্বীপটি আমার কাছে মাপে ছোট লাগল
প্রবহমান ছিপছিপে তন্বি নদীটি বেশ পছন্দ হল আমার
বন্ধুরা বলল…ওইটুকু একটা দ্বিপের বিনিময়ে এতবড় একটা নদী পেয়েছিস ?
খুব জিতেছিস তো মাইরি…তখন জয়ের আনন্দে আমি বিহ্বল হতাম…
তখন সত্যিই আমি ভালবাসতাম নদিটিকেনদী আমার অনেক প্রস্নের উত্তর দিত…যেমন…বলতো আজ সন্ধ্যেবেলায়বৃষ্টিহবেকিনা?
সে বলত… আজ এখানে দখিন গরম হাওয়া শুধু একটি ছোট্ট দ্বীপে বৃষ্টি
সেকি প্রবল বৃষ্টি যেন একটা উতসব…আমি সেই দ্বীপে আর যেতে পারিনা
সে জানত…সবাই জানে শৈশবে আর ফেরা যায়না
এখন আমি একটা পাহাড় কিনতে চাই সেই পাহাড়ের পায়ের কাছে থাকবে গহন অরন্য
আমি সেই অরন্য পার হয়ে যাবো…তারপর? তারপর শুধু রুক্ষ কঠিন পাহাড়
একেবারে চুড়ায় …মাথার খূব কাছেই আকাশ… নিচে বিপুলা পৃথিবী
চরাচরে তীব্র নির্জনতা… আমার কন্ঠস্বর সেখানে কেউ শুনতে পাবেনা
আমি ইশ্বর মানিনা…তিনি আমার মাথার কাছে ঝুকে দাড়াবেন না
আমি শুধু দশ দিককে উদ্দেশ্য করে বলবো…প্রত্যেক মানুষই অহংকারী
এখানে আমি একা…এখানে আমার কোন অহংকার নেই
এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা চাইতেই ভাল লাগে
হে দশ দিক…আমি কোন দোষ করিনি
আমাকে ক্ষমা কর ক্ষমা কর ক্ষমা কর…
(সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
সকলের প্রতি রইলো নিরন্তর শুভেচ্ছা।






জীবনটাই এরকম আপনি যা চাচ্ছেন তা হয়তো পাচ্ছেনা আপনার মনের মত আবার যা চাননা তাই পাচ্ছেন।এই চাওয়া পাওয়ার মাঝেই জীবন।স্রষ্টা তিনটি জিনিস নিজ হাতে রেখেছেন জন্ম মৃত্যু আর বিয়ে যা মানুষ চেষ্ঠা করলেও খনডাতে পারেনা।
দায়ীত্ব সবাই নিয়ে পারেনা বলতে পারে।দায়ীত্ব নেবার সাহস ও ধৈর্য্য লাগে।দোয়া আল্লাহ যেন আপনাকে সেই সাহস ও ধৈর্য ধরার ক্ষমতা দেন।
প্রতিটি মানুষের জীবনেই এমন কিছু সময় আসে যখন সব কিছু অসহ্য মনে হয়। সব কিছু থেকে আগ্রহ চলে যায়। আবার সময়ের সাথে সাথে সব ঠিক ও হয়ে যায়। জীবনের প্রতিকুল পরিস্থিতিতে ভেঙ্গে না পরাটাই শ্রেয়। সময়ের সাথে সব কিছুর সাথে মানিয়ে নেয়াই আসল কথা। দোয়া করি আপনার না বলা কষ্টগুলো মুছে যাক আর আপনি আবার আগের মত স্বাভাবিক হয়ে যান।
ভালো থাকবেন, অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
হুম , বুঝতে পেরেছি কিছু একটা হয়েছে ,
তাই নিয়মিত নাই সোনেলায় ।
কেটে যাক সব অস্বাভাবিকতা
জীবন চলুক আবার সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে।
ক্ষমাই মহত্ত্বের লক্ষন , আমি মহৎ হতে চাই :p , কেটে যাক সব মেঘ ।
হু বুজলাম
ভাইয়া আপনি কি করেছেন টা তো জানি না। নাজেনেই ক্ষমা করে দিলাম 🙂
এখনই এতটা অস্থির হওয়ার কিছু নেই ।
জীবন একটাই এবং তা মূল্যবান ,তাই হেলাফেলার প্রশ্ন নেই ।
অচিরেই স্বাভাবিক হয়ে যাবে সব কিছু এই কামনাই করি ।
আমার খুব প্রিয় কবিতার একটি। মনে করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
ধুয়ে যাক ,,,,মুছে যাক যত সব দুচিন্তার জঞ্জাল,,,,,,,,,,,,শুভকামনা,,,,,,,,,,,,,,,,,
এমন করে ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই ।
সব বিপত্তি কাটিয়ে আপনি আমাদের মাঝে অবশ্যই ফিরবেন ।
উহু একদম মানাচ্ছে না এই নীলকন্ঠ কে… জলদি চাই আগের নীলকন্ঠ কে….. সব ঠিক হয়ে যাবে, দেখেছেন কত মানুষের শুভকামনা আপনার জন্য …তারাতারি ফিরে আসুন…
আপনার না বলা কথা গুলার মধ্যে কিছু একটা লুকিয়ে আছে। দোয়া করি সে লুকিয়ে থাকা কষ্ট যেন কেটে যাই।
এখনই হাঁটু ভেঙ্গে খুড়িয়ে চললে তো হবে না ।
মোটেই জুতসই হচ্ছে না ।
আপনার মনটা ভালো হয়ে যাক …
কারণ-অকারণ বিষন্নতা এভাবে মাঝে মাঝেই আমাদের দখল করে ফেলে।
এ নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগা ঠিক না।
সময়ে সব ঠিক হয়ে যাবে। :T
সোনেলাকে ভালোবেসে ফেলেছেন বুঝতে পেরেছি । নইলে অনিয়মিত হবার কারনে কেউ ক্ষমা চায় , এই প্রথম দেখলাম 🙂
কেটে যাক বিষন্নতা -{@
ক্ষমাতো সেথায়
আছে নির্জনে নিরব
ক্ষমা তোমার সোনেলালয়ে
সরবে থাকলে।