কাকতাড়ুয়ার হাসি

 

চোরাবালির আবর্তে ডুবে যেতে চায়, ডুবে যায়,
অনূদিত মন, মানস; আঁজলা আঁজলা জলে
জ্বলে ওঠা মন, নিভে যায়, নিস্তেজ হতে হতে;
গেঁথে থাকে মৃতদেহরা হত্যাকারীর চোরাবালিতে;

জমিয়ে রাখা লেখাগুলো কাচের বয়ামে রেখে দিলে
মন্দ হয় না, ভালোবাসার জারকে ডুবিয়ে,
লাগামহীন নির্জনতার মার্জিনে;

ডুবতে থাকা স্বপ্নগুলোর কোন তারিখ থাকে না,
রাতজাগা চোখ-ও-না, শোক বই-ও-না।

স্মৃতিময় রূপকথার মত দ্বিধা ভুলে, বিরান বসত-ভূমিতে
খোঁজে, নিখোঁজের ঠিকানা, মানুষ বা দেবদূতের ছদ্মবেশে।

ভারমুক্ত শব্দগুলো আবার নিশ্চিন্ত কৃষকের হাতে,
সোনা ফলাবে আবার, হলুদের বাগানে,
ধান-দেশের কাকতাড়ুয়ারা ফিক করে হেসে ফেলবে,
ডানা ছড়িয়ে, হাওয়ায় দোল খেতে খেতে।

গান ও ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৮৬৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১১টি মন্তব্য

  1. কবির চমৎকার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণতা পাক কায়োবাক্যমনে তাইই কামনা করি — “ভারমুক্ত শব্দগুলো আবার নিশ্চিন্ত কৃষকের হাতে,
    সোনা ফলাবে আবার, হলুদের বাগানে,
    ধান-দেশের কাকতাড়ুয়ারা ফিক করে হেসে ফেলবে,
    ডানা ছড়িয়ে, হাওয়ায় দোল খেতে খেতে”।
    শুভ কামনা রইলো।

  2. কাকতাড়ুয়া হাসুক, হেসে কুটিকুটি হোক তারপর –
    সোনালী ফসলের যতটুকু থাকে অবশিষ্ট,
    বিলম্বে হলেও কিয়দাংশ তার তুলে দেবো মহাজনের হাতে
    এ আমার অন্তরাত্মা প্রসূত অঙ্গীকার ।

    1. কাকতাড়ুয়া কতক্ষণ টিকে থাকে, থাকতে পারে সেটিও দেখার বিষয়।
      মহাজনের হাত ফকফকা-ও হুয়ে যেতে পারে, তাড়ুয়ারা ভেগে গেলে!!
      ধন্যবাদ, নিয়মিত পড়ার জন্য। যদিও সাময়িক কী-না জানি-না।

  3. এমনই জীবনের পথ
    তবুও থাকে না থেমে চলনের রথ।
    ভাঙে স্বপ্ন আবার পরে ফাঁসি
    প্রয়োজনে ফের সাজে সে কাকতাড়ুয়ার হাসি।
    অশেষ মুগ্ধতায় নিরন্তর শুভ কামনা রেখে গেলাম পাতায়।

  4. বিরাণ বসত ভুমিতে তবুও তো নিখোঁজের ঠিকানা পাওয়া যায়। চোরাবালিতে স্বপ্ন ডুবে যায়, আবার স্বপ্ন ফিরে আসে।
    শুভ কামনা রইলো।

  5. ভালোবাসার জারকে ডুবিয়ে রাখলে মন্দ হয়না লেখাগুলো। যদিও পৃথিবীর অধিকাংশ বিরহেই বিজারিত। বরাবরের মতোই সুন্দর।

মন্তব্য করুন