এক শহরে হাঁটতে থাকা অবুঝ গাঁয়ের ছেলে
বৃষ্টি এলে গান শোনাবে,হারমোনিয়ামটা পেলে।

বাদ্যযন্ত্র তাল ছিল না,মন ঢেকেছে কষ্টে
সিগারেট হাতে জ্বলছে শহর,পুড়ছে শরীর দুঃখে।

রক্তশহর জলসা দাঁড়িয়ে, ভিড় জমে যায় নষ্টে
আউলা চুলে ঐ মেয়েটা, কী যেন কী বলছে।

এক শহরে লাশের খেলা,আরেক শহর হাসে
জমের ঘরে চিল পাখিটা,লাশের প্রহর গুনছে।

আরেক শহর মানুষ পুড়ায়,আগুন নামছে বেয়ে
বিন্দু মর্ত্র একটা ছেলে,দুই শহরে মারে।

সেই শহরে বন্দি হয়ে একটা মেয়ে আছে
চার দেয়ালে বন্দি হয়ে, স্বপ্ন গুলো আঁকে।

যে পায়েতে নূপুর জুড়া বাজত তালে তালে
সে পায়ে আজ শিকল বাঁধা,বন্দি চার দেয়ালে।

ছাই হয়ে আজ শ্মশান  তলে,রাত্রি থেমে গেছে
আঁধার জুড়ে ক্লান্ত শহর,ব্যাস্ত ট্রাফিক জ্যামে।

রক্ত ঝরে দুই শহরে, লাশ গুলো আছে পড়ে
সে ছেলে আজ বৃষ্টি হয়ে অঝর ধারায় ঝরে।
সঞ্জয় মালাকার//

৯১৫জন ৭৫৭জন

২১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

মাসের সেরা ব্লগার

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য