এ কেমন নদী-বিমুখতা

 

শহুরে জনহীন রাস্তায় একটি লিকলিকে ভয়
পিছু নিচ্ছে, প্রতি মাঝ-রাত্তিরে,
ভাগ্যকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাহুগ্রস্তের মত
দোষে নিচ্ছি-না কাউকে; নালিশ-ও না;
এ-এক আচ্ছন্ন বিহ্বলতা করোনাকালে।

নৈরাশ্যের নিরীহ নিঃস্পৃহ স্পন্দনে কেটে যায়
রাত্রির পর রাত্রি, আজন্ম অহেতুক অভ্যাসের মত,
সরীসৃপের মত জড়িয়ে থাকা একরাশ কবিতা
জোরালোর কণ্ঠস্বরে সারাক্ষণ চালু রাখে
প্রাণের শেষ স্পন্দন;

নিজেকে প্রবোধ দেই, রূপকথার যাদুতে,
স্বপ্ন-জীবনের বাঁকে দাঁড়িয়ে ভাবি
এ-ও-এক নদী-হীনতা।

ছবি……নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৬৬১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৪টি মন্তব্য

  1. কবিতাই আপনাকে বাঁচিয়ে রেখেছে দেখছি। এই করোনাকালে ভাগ্যে যা আছে তাই হোক। আমাদের জন্য প্রতিদিন একটি করে কবিতা লিখবেন দেখবেন আপনার সকল করোনাভয় কেটে গিয়েছে। আয়ু বাড়বে তাতে।

    1. প্রথমের ধন্যবাদ প্রথমেই দিচ্ছি।
      কে কাকে বাঁচায় জানি না, আমার ভয় কাটুক তা যেমন চাই তেমনি আপনি/আপনারা
      সবাই ভাল থাকবেন, নিরাপদে থেকে, এ প্রত্যাশাও রাখি।
      ভাল থাকুন, আবার বলছি।

  2. এ এমন কঠিন বাস্তবতা কেউ কাউকে দোষারোপ, নালিশ করতে পারছেনা। রাশি রাশি কবিতা যদি চালু থাকে ,থেমে গেলে চলবে না। নদী-হীনতায় আপনার কবিতাই পারে উজ্জীবিত করতে বেঁচে থাকার লড়াইটা। ভালো থাকুন

    1. আপনার/আপনাদের দেখাদেখি লেখার চেষ্টা করছি নিয়মিত,
      যেভাবে যা মনে চায়, কী হবে কি না-হবে কে জানে!
      প্রবাহহীনতা আমাদের বেঁধে ফেলতে চাচ্ছে প্রতিনিয়ত।
      আপনি ভাল থাকবেন।

  3. নৈরাশ্যের নিরীহ নিঃস্পৃহ স্পন্দনে কেটে যায়
    রাত্রির পর রাত্রি, আজন্ম অহেতুক অভ্যাসের মত,
    সরীসৃপের মত জড়িয়ে থাকা একরাশ কবিতা
    জোরালোর কণ্ঠস্বরে সারাক্ষণ চালু রাখে
    প্রাণের শেষ স্পন্দন;

    অনবদ্য।

  4. শেষ স্পন্দন জিয়ে রাখার জন্য
    সঞ্জীবনী হিসেবে পাচ্ছেন রাশি রাশি কবিতা গুচ্ছ
    এ সময় এর চেয়ে ভালো থাকার আর কোনো উপায় নেই
    এই রাশি রাশি কবিতা দিয়ে লিকলিকে ভয়কে জয় করতে হবে।

    ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সবসময়

  5. আমার কথা হইল মধ্য রাইতে আপনে রাস্তায় ঘুরেন ক্যান এই করোনার সময়ে। ভয় লিকলিকে হোক কিংবা মেদবহুল হোক ঘরে থাকলেই তো সেটা থেকে দূরে থাকা যায়।

  6. নৈরাশ্যের নিরীহ নিঃস্পৃহ স্পন্দনে কেটে যায়
    রাত্রির পর রাত্রি, আজন্ম অহেতুক অভ্যাসের মত,
    সরীসৃপের মত জড়িয়ে থাকা একরাশ কবিতা
    জোরালোর কণ্ঠস্বরে সারাক্ষণ চালু রাখে
    প্রাণের শেষ স্পন্দন;
    ————আমি নৈরাশ্যবাদীদের দলের লোক নই। সকালের সূর্যের প্রতীক্ষায় পাহারা দেই রাত।

  7. নৈরাশ্যের নিরীহ নিঃস্পৃহ স্পন্দনে কেটে যায়
    রাত্রির পর রাত্রি, আজন্ম অহেতুক অভ্যাসের মত,
    সরীসৃপের মত জড়িয়ে থাকা একরাশ কবিতা
    জোরালোর কণ্ঠস্বরে সারাক্ষণ চালু রাখে
    প্রাণের শেষ স্পন্দন;

    ভালো থাকবেন নিরাপদে থাকবেন সব সময়।

মন্তব্য করুন