আকাশপানে

ভোরের শিশির ৫ আগস্ট ২০১৫, বুধবার, ১০:৪৭:১৫পূর্বাহ্ন কবিতা ১৪ মন্তব্য

সেদিন বিষাদ ছুঁয়েছিলো একফালি রোদ।
আদুরে মেঘ বড়শী নিয়ে নেমেছিলো কাদাঘোলা জলে; ভেবেছিলো ধরবে তারামাছ, সাথে ছিলো বকধার্মিক বিজলী। তারামাছের ঠোকর দিলে বিজলী সাঁই করে সূর্যহাঁড়ি এগিয়ে দিতেই; বড়শিতে উঠে আসতো বাতাসী পাদুকা জোড়া!বিজলী শুধায়- তারামাছ বুঝি বাতাসী পাদুকাতেই এতো ছটফটে! তাই বুঝি পাকড়াও হয় না?

ভাগ্যবতী দূর হতে হেসে উঠে; বলে- মেঘের গায়ে আকাশী চাদর দিয়ে দে, নচেৎ তারা ফসকাবে বারে বারে মানুষের কপালে! বলি, মানুষ চিনিস তো নাকি! ঐ যে, কপালে হাত দিয়ে বলে ‘এ আমার কম্মো নয়/কপালে নেই তাই হলোনি’/দু’চ্ছাই, কিসব ছাইপাশ’! চিনলি তো?

বিজলী হাসে, মেঘ লাজে।

আগত সময় জানান দেয়- ওহে, করছো কি! মানুষ যদি না ঘামে কপালে তবে মাটি ভিজিয়ে সোনা ফলাবে কিসে? আকাশে মেঘ যদি বিজলীকে সাথে নিয়ে নাচে তবে তারা আসবে কি নাইতে? বলি, ঐ যে দেখো মানুষ! ঘামের ভাঁজ ফেলে রজনীতে তারা গুনে, দিবালোকে সূর্য পিঠে করে চলে তোমাদেরই অন্বেষণে; কপালে হাত রেখে সেই যে তাকায় উদয়াস্ত তোমাদের পানে! ভাগ্য তুমি রবে কি না সবে মানুষের কপালে! সোনা ফলায় কাদাজল সেঁচে রোদের ঝিলিকে; গোধূলীবেলায় বাতাসী আলেয়ানে! জাগে সমুদ্র; নীলের ঢেউ, ন্যাড়া পাহাড়; সবুজ সই। তবুতো মানুষ থাকে চেয়ে আকাশের পানে তোমাদেরই খামখেয়ালীপনা নীরবে সহে, মানুষ ডাকে কপালের ঘামে, তারাদের খোঁজে আকাশের পানে; মেঘের ঘর্ষণে বিজলীর চমকে ভাগ্য এলে সময়ের বর্ষণে!

৬২৮জন ৬২৮জন
0 Shares

১৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ