অবতরণিকা

এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে মানুষ সাহিত্য চর্চা কখন থেকে শুরু করেছে বা সাহিত্যের গোড়াপত্তন কখন কোথায় আমি জানিনা। তবে আমার একান্ত ভাবনা স্রস্টার সৃস্টির প্রথম লগ্ন থেকেই সাহিত্যের বিচরণ। কারণ এই ধরণীর জন্মলগ্ন থেকেই যদি,চন্দ্র,সুর্য, সাগর নদী,ফুল,গাছ, পাহাড়,আকাশ,থাকে,তাহলে সাহিত্যও ছিলো।
কারণ যুগে যুগে মহাকবিগণ সাহিত্যিকগণতো এইসব প্রকৃতি থেকেই আস্বাদন করেছেন সাহিত্যের রস। এক কথায় ঐসব প্রকৃতির মধ্যেই লুকায়িত গল্প,কবিতা,উপন্যাসের সারবস্তু।
আমিও তাই ঐ প্রকৃতির প্রেমে পড়েছিলাম ছোটবেলা থেকেই।
নিজ বাড়িতেই ছিলো নানা রঙের ফুলের বাহার বিভিন্ন ধরণের গাছ,আর সেইসব গাছে আসতো অনেক অনেক পাখি। সেইসবের প্রতি আকর্ষন ছিলো মারাত্বক,এইসব দেখতাম আর মনের কোঠায় চলে আসা বিভিন্ন রকমের কথাগুলো লিখে রাখতাম ডায়েরীতে। এইভাবেই অনেকের মতো আমার লেখাও শুরু ডায়েরী দিয়ে। আর ঘরে থাকা  বঙ্কিম চন্দ্র চট্টপধ্যায়,রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর নিমাই ভট্টাচার্য,নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন স্যার,ইমদাদুল হক মিলন এর মতো রথি মহারথীদের বই পড়তাম। পড়ে পড়েই লেখার প্রতি আগ্রহ জন্মে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি ছিলো আগ্রহ বেশ।

২০১৫ তে এস,এস,সি দেওয়ার পরে ফেইসবুকে বেশী সময় দিতে থাকি। এখানেও অনেকের লেখার ভক্ত হয়ে নিজেকে আরো লেখার প্রতি উৎসাহ দিলাম।

ধীরে ধীরে অনলাইনে পরিচয় ঘটে আমার খুব প্রিয় এক মানুষ ব্লগার শ্রদ্ধেয় ইকরাম জিসান মোঃ শামসুল দাদার সাথে। এছাড়া ব্লগার ইয়াসমিন দিদির পরামর্শে যোগ দেই “সোনেলা”ব্লগে। সেখানে ছোট ছোট কিছু লেখা দিলে লোকজনের বাহবা ও উৎসাহ পাই যে উৎসাহে উৎসাহিত হয়ে ছোট ছোট পর্ব দিয়ে আরম্ভ করি “পর্বতকন্যের ইতিকথা” নামক একটি উপন্যাসের সিরিজ। আর সেখানে যখন সিরিজ শেষ হয় তখন অনেক প্রশংসা পাই অনেক জ্ঞানীজনের কাছ থেকে। ভাবতে চাই আসলেই কী লেখাটি এতো ভালো? না-কি শুধু প্রশংসার জন্য প্রশংসা? ভাবনার মাঝেই দুঃসাহসে জন্ম দিয়ে দেন ব্লগেরই অনেকে,বিশেষ করে…
ইকরাম দাদার কথাতো বললামই.শ্রদ্ধেয় ব্লগার মনির হোসেন মমি, শ্রদ্ধেয় ব্লগার তৌহিদ ইসলাম ,শ্রদ্ধেয়
ব্লগার সাবিনা ইয়াসমিন,শ্রদ্ধেয়
ব্লগার নিতাই দাদাসহ সবার কথা “পর্বতকন্যের ইতিকথা” উপন্যাস আকারে বের করা।
এইসব গুণীজনের উৎসাহ আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম বই প্রকাশের!
যেহেতু এই লেখা বই আকারে আমার প্রথম,তাই ভুল ভ্রান্তি থাকবেই। যশ,খ্যাতির জন্য নয়,শুধু নিজের মধ্যে গড়ে উঠা ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ এই গল্পখানা বই আকারে পাঠকের কাছে তুলে দিলাম.আশা করি ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আর যদি বিন্দুমাত্র ভালো লাগে পড়ে,তাইলে আমার পরিশ্রম সার্থক.এবং আমি নতুন কিছু লেখার আগ্রহ পাবো বলে বিশ্বাস করি।
…
ভরা ফাল্গুনে যখন হেমন্ত ছোঁয়ে যায়,
পাঠক তখন প্রকৃতির উদ্ভাস খুঁজে পর্বতকন্যের ইতিকথায়।
..
বই পড়ুন,আপনার জ্ঞাণকে আরো সমৃদ্ধ করুণ।

” পর্বতকন্যের ইতিকথা ”
.
এবারের একুশের বইমেলায় প্রকাশিত আমার প্রথম উপন্যাস “পর্বতকন্যের ইতিকথা”

..
প্রচ্ছদ- জাহেদ রবিন
প্রকাশক- মাছরাঙা প্রকাশন

বইটির পরিবেশক

সিলেট বইমেলায়-
জসিম বুক হাউস স্টল ( ২৩/২৪ )

ঢাকা বইমেলায়
প্রান্ত প্রকাশনি, স্টল নং(৬০৮-৬০৯)

বইমেলায় বিক্রয়মূল্য – ১৫০/-

মোট পড়েছেনঃ ৯৭৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩১টি মন্তব্য

  1. ভালো লাগলো একান্ত কথন। সবার নিজ লেখা বইটি সন্তানের মতো। ভুল হলেই সেখানেই শিখার কিছু থাকে।
    আপনার জন্য শুভকামনা।

  2. অসাধারণ। এত অল্প বয়সে একটা উপন্যাস লেখা যেন তেন ব্যাপার না। আপনার ও আপনার উপন্যাসের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। আপনার লেখক হয়ে ওঠার বর্ণনা শুনে খুব ভালো লাগলো। শুভ কামনা রইলো

  3. পর্বতকন্যের ইতিকথা ধারাবাহিকভাবে সোনেলায় পড়েছি। দারুণ একটি উপন্যাস এটি। আশাকরি পাঠকদের ভালো লাগবে।

    সোনেলার প্রত্যেক লেখক একে অপরের কাছ থেকে আমরা যে উৎসাহ অনুপ্রেরণা পাই তা ভোলার নয়। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো দাদা।

  4. দুর্দান্ত ধৈর্য্যশীল এক লেখক আপনি। এতো কম বয়সে উপন্যাস লেখা অনেকেই কল্পনা পর্যন্ত করতে পারে না। আপনার ও আপনার সৃষ্টির প্রতি রইল অসংখ্য শুভ কামনা।👏👏👏

  5. লিখতে হলে পড়তে হবে, এক সময় আমারো ডায়েরি লেখার অভ্যাস ছিল, নেশা ছিল ক্লাসের বাইরের বই পড়ার।

    আপনার প্রকাশিত পর্বতকন্যা পাঠক হৃদয় জয় করুক সেই কামনা করছি।

  6. পর্বতকন্যের ইতিকথা উপন্যাসের সাফল্য কামনা করি।
    ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করে, পরের গ্রন্থে এসব ভুল ভ্রান্তি আর থাকবে না।
    উপন্যাসটি ক্রয়ের তালিকায় রেখেছি।

    শুভ কামনা প্রদীপ।

  7. আপনার লেখা “পর্বতকন্যের ইতিকথা” শুধু ব্লগে থাকা সহ-লেখকদের প্রশংসায় ছিল না, প্রশংসিত হয়েছিল ব্লগের বাইরে থাকা পাঠককূলেও। এখন আবার হয়েছে রঙিন বইয়ের ছাপা অক্ষরে। আশা করি আবার “পর্বতকন্যের ইতিকথা” পৌঁছে যাবে সারাদেশের মানুষের হাতে। শুভকামনা থাকলো। আশা করি আপনার লেখা প্রথম উপন্যাস পর্বতকন্যের ইতিকথা পাঠাকের মন যোগাবে। পরিশেষে শুভেচ্ছা অভিনন্দন।

  8. আমিতো দাদা অবাক হলাম ২০১৫ তে আপনার এসএসসি দেয়ার কথা জানতে পেরে। এতো অল্প বয়সে যার এমন ভাবার্থ শব্দশৈলীময় লেখা তারতো সাহিত্যাঙ্গণে জয় নিশ্চিৎ।অনুরোধ থাকবে যত ঝড়ই আসুক সাহিত্যে লেগে থাকবেন। সোনেলায় আমার এ দীর্ঘ ব্লগিং জগতে অনেক লেখাই পড়েছি।পর্বতকন্যের ইতিকথা উপন্যাসটি পড়ে পোষ্টের মন্তব্যেও বলেছি এ লেখা দেশে খ্যাতিমান লেখকের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।সম্ভবত আমিই প্রথম ব্লগেই বলেছিলাম লেখাটি বই আকারে প্রকাশ করার।শেষ পর্যন্ত মলাট বন্দি করায় ধন্যবাদ।
    প্রচ্ছদটা যদি ধ্রব এষ দ্বারা করাতে পারতেন তবে আরো ভাল হত। যাক এ প্রচ্ছদটাও চমৎকার হয়েছে। সোনেলার সবাইকে বইটি সংগ্রহের অনুরোধ করব।

  9. তুমি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছো এই বইটির জন্যে, পর্বত কন্যার সফলতা কামনা করি। দোয়া করি প্রথম বইয়ের সাথে সাথে তোমার লেখক জীবনেরও সুন্দর সূচনা হোক।

    শুভ কামনা রইলো প্রদীপ ❤❤

  10. দাদা পর্বতকন্যের ইতিকথা উপন্যাসের সাফল্য কামনা করি।
    ব্লগে সব গুলো পর্ব পড়ার সময় পাউনি কাজের ব্যস্ততায়, তবে উপন্যাসটি সংগ্রহ করে অবশ্যই পড়বো,
    আপনার একান্ত অনুভূতি চমৎকার লেগেছে,
    আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা 🌹

মন্তব্য করুন