‘আমি’ত্বে দায়িত্ব

ভোরের শিশির ৮ নভেম্বর ২০১৫, রবিবার, ০৩:০৯:১৩পূর্বাহ্ন কবিতা ৪৪ মন্তব্য

শুনেছি তুমি নাকি শুদ্ধাচারী হবে? বন কিংবা হিমালয়ের গহীনে!
শুনেছি আরো, তুমি নাকি বুদ্ধ হবে? জগৎ সংসারের সবার শান্তি চাইবে!
বাহ্‌! বেশ তো, শুদ্ধাচারী হয়ে এই ক্ষয়িষ্ণু জগতে তুমি আরো এক সাধু হবে…

এও শুনেছি তুমি বলেছো- শুদ্ধাচারী বুদ্ধ হয়ে ‘আমি’ই হবো ত্রাণকর্তা! ‘আমি’ই ছড়াবো
প্রতিটি প্রাণে শান্তির সুবাতাস, সবার ভেতরে শুদ্ধতম মনের অন্বেষনে এই ‘আমি’ই হবো একমাত্র ত্রাতা!
আহ! শুনে প্রাণ জুড়িয়ে গেলো, মনের ভেতরে থাকা একটি প্রশ্ন উচ্চারিত হলো!

‘আমি’ত্ব নিয়েই শুদ্ধাচারী বুদ্ধ আছে প্রতিটি মায়ের মনে, ‘আমি’ত্ব সাথে জড়িয়ে আছে বাবার ছায়া হয়ে।
‘আমি’ত্বকে ভুলে ওরা বাঁচে তোমার উৎকর্ষে, তোমার সুখ সন্ধানে ওদের ‘আমি’ত্ব ছেড়েছে তোমারই জন্মক্ষণে!

এই মাত্র, হ্যাঁ; এই মাত্র শুনলাম তুমি নাকি তোমার ‘আমি’ ত্রাতা হতে চেয়ে ওদের অস্বীকার করেছো?
ওহে ভাবী শুদ্ধাচারী বুদ্ধ! চিনতে শেখো তোমার এই ত্রাতা ‘আমি’ আর কিছুই নয়, জন্মদাতা মাতা ও পিতার প্রতি প্রথম ও শেষ দায়িত্ব।

পুনশ্চঃ বুদ্ধ শব্দার্থ জ্ঞানী।

৬৯৩জন ৬৯৩জন
0 Shares

৪৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ