বৃষ্টি নামে ভালোবাসায়

  – এই খানে একটু থামি? কেন! এতো সিগারেট কিভাবে খাও? – এককাপ চা.. আচ্ছা। – নদী, ফুসকা খাবে? খেতে পারি, তবে এগুলো না, ওইইইই গুলা। – এহ, বিদঘুটে! হোক, ওটাই খাবো। – হু বুঝি তো! তুমি কিন্তু ছ’টা খেয়ে ফেলেছো, একটু আগে বললে বিদঘুটে! – তুমিই তো আমার মুখে ঢুকিয়ে দিচ্ছো! ফাগুন, এসো পিঠা [বিস্তারিত বৃষ্টি নামে ভালোবাসায়]

প্রেমিকার ছবি (বাকোয়াজ গল্প)

কথা দিয়েছিলাম, প্ল্যানচেট Vs মুন্নার আত্মা গল্পের পর প্রিন্সের মুখে শোনা তার অপর বাকোয়াজ গল্পটাও শোনাবো.. আশা করছি আগেরটার মত এটাও ভালো লাগবে… ========================== আব্বার হাতে ছেলের প্রেমিকার ছবি… বইয়ের মাঝখানে রেখে ছবি দেখার সময় এক্কেবারে হাতে নাতে পাকড়াও করা হয়েছে.. চোর সামনেই দাড়িয়ে মাথা নিঁচু করে! সামনে সেমাই ঈদ আসছে, কিন্তু কুরবানি আজকেই হওয়ার [বিস্তারিত প্রেমিকার ছবি (বাকোয়াজ গল্প)]

অনামিকা

  আমি মাদ্রাসার দাওরা শেষ করে ফেকাহ্ ( আইন)  শাস্ত্রে ভর্তি হয়েছি। এরই মাঝে কয়েকটা মাদ্রাসা হতে চাকরির অফার এসেছে।  বেতন যথেষ্ঠ লোভনীয় তাছাড়া কয়েকটা মসজিদে ইমামতি করার জন্য অফার আছে। আমি অবশ্য আমার বাড়ির কাছাকাছি একটা বড় মসজিদে জুম্মার নামায পড়াই। তবে তা সাময়িক।  বলা আছে আমি চাইলেই যে কোন সময় খতিবের ( যারা [বিস্তারিত অনামিকা]

ছেলেটি

ছেলেটা এক মনে কাজ করছিলো, লেবারের কাজ। অল্প বয়সী ছেলে, লম্বা গড়ন আর ফর্সা টকটকে চেহারা। কেমন যেন মায়া মায়া মুখখানি। জিজ্ঞেস করলাম বাড়ি কোথায়? চেংমাড়ী। বাবা মা? মা আমার বয়স যখন দুই বছর তখন মারা গেছে। ভাবলাম বাবা বেঁচে আছে। সে চুপ চাপ একমনে কোদাল চালিয়ে যাচ্ছিলো। কিছুক্ষন পর বললো বাবাও আমার সাত বছর [বিস্তারিত ছেলেটি]

হৃৎপিণ্ড

প্রিয়ন্তি আর আসিফের মাঝে মাঝেই ঝগড়া লাগে। এটা হলো প্রচণ্ড ভালোবাসা আর আবেগ থেকে আসা খুনসুটির ঝগড়া। সে নিয়মে এবারো আজ ঝগড়া লাগলো। কিন্তু আজকের ঝগড়া আসিফের ভালোবাসার অস্তিত্ব নিয়ে ঝগড়া। প্রিয়ন্তির আগের প্রেমিকের সাথে কোনো কারনে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। আসিফ এ বিষয়ে কখনোই প্রিয়ন্তিকে কিছু জিজ্ঞেস করেনি। আসিফ ভাবে মানুষের জীবনে প্রথম প্রেম [বিস্তারিত হৃৎপিণ্ড]

সহযাত্রী

সহযাত্রী অনেক দিন পর আমার শরীরের রক্তকনা গুলো হিম শীতল হয়ে জমাট বাধলো । মানুষের জীবনে বাস্তবতা যে কি গুরুত্ববহন করে তা আজ জানাতে পারলাম । সময়ের সাথে স্বপ্নগুলো চোখের পলকে কিভাবে মিশে যায় । আমি যেন তার রাজসাক্ষী । ** মনটা অনেক খারাপ । কিন্তু সব সময়ের মত না । অল্প সময়ে একজনের মানুষের [বিস্তারিত সহযাত্রী]

জীবনের নানা রং (যাপিত জীবনের গল্প )

সাজিদ একসময় গল্প উপন্যাস লিখত এখন লেখে না । কিভাবে লিখবে ! ও এত কষ্ট করে লিখবে আর মানুষ পড়ে বলবে সুন্দর হয়েছে তবে পড়ে মনে হয়েছে হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা । কি অবাক কথা !!! এত কষ্ট করে লিখে সব প্রশংসা হুমায়ুন আহমেদ এর !!!! রাগ করে লেখাই ছেড়ে দিয়েছে । রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক কবিরা [বিস্তারিত জীবনের নানা রং (যাপিত জীবনের গল্প )]

মিথ্যে অভিনয়

–ফাহিম,কেমন আছো? পিছন থেকে কে যেন ডাক দিলো অনেক পরিচিত কন্ঠ শুনে ফিরে তাকালো ।অবাক হলো এই যে নিধি । কেমন আছো? — ভালই –জিজ্ঞেস করবে না আমি কেমন আছি ? –সবকিছু জিজ্ঞেস করতে নেই । বুঝে নিলেই হয় । –অনেক বদলে গেছো তুমি । –হয়ত । –এখনো সিগেরেট হাতে এটা বুঝি ছাড়তে পারলে না [বিস্তারিত মিথ্যে অভিনয়]

অপরিচিত এই অন্ধকারে…

  ল্যাম্প পোষ্টের নিচে দাড়িয়ে আছি। না, যেদিকটাতে আলো পড়ে সেই দিকটাতে না তার উল্টোদিকে। আলোর আভা আমার গায়েও লাগছে কিন্তু অন্ধকারে এইটুকু আলোর জন্যে অন্ধকারটাকে আরও আপন মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে। কাছাকাছি আরও দুইটা ল্যাম্পপোস্টের কোনটাতেই আলো নেই। কে জানে হয়তো লাইট গুলিই চুরি গেছে, আলো দেয়া তো এখন অনেক দূরের ব্যাপার। এ শহরের [বিস্তারিত অপরিচিত এই অন্ধকারে…]

ধ্বংসস্তূপে সব হারিয়ে

  ইব্রাহীম, বয়স ৭ বছর। দুষ্ট দুষ্ট চেহারার চমৎকার মিশুক একটা ছেলে। তার বাবার বাজারে একটা ফলের দোকান আছে। মসজিদের সামনে যে খেলার মাঠটা রয়েছে তার দক্ষিণ দিকে তাদের কলোনি। রোজ বিকেলে আজিজ চাচার ছেলে ফারুকের সাথে ঐ মাঠেই খেলে সে। আজিজ চাচাও তাকে অনেক আদর করে। মাঝে মাঝে বাজার থেকে ফিরে আসার সময় ফারুক [বিস্তারিত ধ্বংসস্তূপে সব হারিয়ে]

দাসত্বের মুক্তি

আস্তাবলে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু যেতেই হবে, আর তো কোন উপায় নেই হাতে। সন্ধ্যার আগে পৌছতে না পারলে উটকো ঝামেলা হিসেবে শেয়ালের দেখা মিলবে রাস্তায়। তাই এখুনি ফিরে যাবার জন্যে রওনা দিয়ে দিলাম। জেসি একটু খোঁড়াচ্ছে আজ। এতটা পথ একসাথে এসেও আমার মত হাঁপিয়ে যায় নি জেসি। সামনের বাম দিকে পা’টা একটু একটু [বিস্তারিত দাসত্বের মুক্তি]

“শেষ চিঠি” (একটি অপূর্ণ্য প্রেমের গল্প)

প্রিয়তমা, আমি ভাল আছি। প্রথমে আমার কথা বললাম কেন? কারন জানি, তুমি আমার কথাই আগে জানতে চাইবে।তোমার কথা আর জানতে চেলাম না।কারন, কষ্ট দিয়ে লাভ কি তোমায়?তুমি যে ভাল নেই তা অজানা নয়। তুমি হয়তো অবাক হচ্ছো।মৃত্যুর পরও কি করে চিঠি লিখলাম? হ্যাঁ, আমিই লিখেছি।স্বর্গে আসার পর এখানকার প্রহরীকে অনেক অনুরোধ করলাম যেন, তোমায় শেষ [বিস্তারিত “শেষ চিঠি” (একটি অপূর্ণ্য প্রেমের গল্প)]

অন্যর জন্য নিজেকে কখনও চেঞ্জ করবেন না

আচ্ছা প্রান্ত তুমি এত খ্যাত কেন? –আমি কি করলাম? (মাথা নিচু করে) তুমি কলেজে পড়, এখন এভাবে চলাফেরা করলে চলবে বল? –কি করব! ছোটবেলা থেকেই এভাবে চলে আসছি। চেঞ্জ হও বুঝছ, বলদ বলদ লাগে তোমাকে ! –(প্রান্ত মাথা নিচু করে থাকল, কোন কথা বলল না) আচ্ছা আমি তোমাকে বলছি, কি কি করবাঃ £ চুল বড় [বিস্তারিত অন্যর জন্য নিজেকে কখনও চেঞ্জ করবেন না]

বিলম্ব

পৌষ মাস চলে, শেষের দিকে অবশ্য। শীত পরেছে ভালোই। রিকশা জমাদিয়ে বাসায় ফিরছে জামিল। কুয়াশাও ভালোই জেঁকে ধরেছে পথঘাট। দশ হাত দূরেও কি আছে, ভালো করে বোঝার উপায় নেই। এবার নাকি আগেরবছরগুলোর সব রেকর্ড ভেঙ্গে দেওয়া শীত পরেছে। পৌষ মাসেই এই অবস্থা, মাঘে কি হবে খোদা জানে। জামিল গায়ে জ্যাকেট পড়া, তার উপর চাদর জড়ানো। [বিস্তারিত বিলম্ব]

নিঃসন্তান

শীতের বিকেল, ঘড়ির টিকটিক শব্দ ছাড়া পুরো রুম নিস্তব্ধ। বিছানা ছেড়ে আড়মোড়া দিয়ে উঠে শফিক । পাশের রুমে একা ঘুমিয়ে আছে তার স্ত্রী কণা। এককাপ চা খেতে ইচ্ছে করছে কিন্তু কে করে দেবে।স্ত্রীর সাথে কথা হয়নি অনেক দিন, একি ছাদের নিচে থাকে কিন্তু দুজনের মধ্যে অবিশ্বাস্য দুরত্ব।বাথরুম থেকে আসার সময় কণার রুমে উঁকি দিল,কণা কম্বল [বিস্তারিত নিঃসন্তান]