সেলফোনের এলার্ম সেট ছিলো আগের রাতে, তারই চিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে গেলো সকাল সাতটায়, উঠে ফ্রেস হয়ে গোসল দিলাম, এইটা আমার নিত্য অভ্যাস, কি শীত আর কি গরম, গোসল সেরে দ্রুত রেডি হয়ে নিজ লাগেজ নিয়ে নিচে রিসেপশনে এসে কমপ্লিমেন্টারি ব্রেকফাস্ট কার্ড নিয়ে লাগেজ জমা রাখলাম, এরপর এগিয়ে গেলাম রাতের রেস্টুরেন্টে, একটা টেবিলে [বিস্তারিত চায়না ভ্রমণ (২য় পর্ব)]
ক্যাটাগরি ভ্রমণ
চায়না ভ্রমণের আমার কিছু খন্ড অভিজ্ঞতা আপনাদের জন্য তুলে ধরছি। ২০০৮ সাল, যাবো চংকিং শহরে ব্যবসায়িক কাজে, বাংলাদেশ থেকে ডাইরেক্ট চংকিং ফ্লাইট নেই, তাই কুনমিং হয়ে যেতে হবে, চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের টিকেট কাটলাম এমন ভাবে যেন কুনমিং নামার দুই ঘন্টা পর চংকিং ফ্লাইট ধরতে পারি। অপরদিকে আমার সাপ্লাইয়ারকে বলা হয়েছে চংকিংয়ে যেন আমার [বিস্তারিত চায়না ভ্রমণ (১ম পর্ব)]
গত ২০১৭ এর নভেম্বরে নিজের কাজের জন্য দুটো জাপানী এক্সাভেটর আর একটি ছোট রোলার কেনার জন্য গিয়েছিলাম চীনের সাংহাই। সাংহাই শহর দেখাও ছিল অন্যতম আগ্রহের তালিকায়। আমার পরিচিত অনেকেই চাইনিজ খাবার খেতে পারেন না। আমার এসবে সমস্যা হয়নি কোনো দেশেই। আমি শিখে গিয়েছিলাম কিভাবে চাইনিজ খাবার আমার পছন্দ মত অর্ডার করতে হয়। সেলস ম্যানেজার টিনা [বিস্তারিত চীন ভ্রমন……বাঁশ খাবার অভিজ্ঞতা………]
পর্ব-৬’এর শেষাংশ: হোটেল থেকে বাইর হয়ে রমেশ কানাইকে জিজ্ঞেস করলো, এবার কোথায় যাবি? কানাই বলল, ‘জীবনে তো হাওড়া ব্রিজ নাম শুনেছিস, এবার দেখে যা বাস্তবে।’ সেখান থেকে ট্রামে চড়ে গেলো হাওড়া। পর্ব-৭ আরম্ভ: ট্রাম থেকে নেমে হাওড়া ব্রিজের সামনে দিয়েই, দুইজনে পায়ে হেঁটে যাচ্ছে। ব্রিজে ওঠতেই রমেশের চোখে পড়ল, ব্রিজে লাগানো একটা সাইনবোর্ডের দিকে। সাইনবের্ডে [বিস্তারিত ভারত ভ্রমণের গল্প-৭]
চিঠি পাঠাল এই কারণে যে, রমেশের জন্য যেন কোনও প্রকার চিন্তা না করে, তাই। এভাবে কেটে গেল আরও দুইদিন, রমেশের চিন্তাও বাড়তে লাগল। এখন আর রমেশের কিছুই ভালো লাগছে না, শুধুই চিন্তা। চার-পাঁচদিন পর একদিন সকালবেলা কানাই বলল, ‘চল দুইজনে টাউনে গিয়ে ঘুরে আসি।’ রমেশ জিজ্ঞেস করল, কোথায় যাবি? কানাই বলল, ‘আজ তোকে মেট্রো ট্রেনে [বিস্তারিত ভারত ভ্রমণের গল্প-৬]
রমেশ বলল, ‘এখন তো রাত ১১টার মতো বাজে, দমদম পৌঁছতে কয়টা বাজবে?’ কানাই জবাব দিল, ‘রাত ১২টার মতো বাজতে পারে।’ কানাইর কথাই ঠিক হলো, রাত ১২টা দশমিনিটের সময় ট্রেন দমদম পৌঁছাল। দু’বোনকে নিয়ে কানাই, রমেশ ট্রেন থেকে নামল। দমদম স্টেশনটা তখন নিস্তব্ধ, কোনও মানুষ নাই। ভারতের মানুষ এমনিতেই অনেক হিসাব করে চলে, বাইরে বেশি রাত [বিস্তারিত ভারত ভ্রমণের গল্প-৫]
ফিলিপ আইল্যান্ড। দ্বীপ শুনলেই চোখে ভাসে বরিশালের দূর্গাসাগর। দারুচিনির স্বপ্ন দ্বীপ, যে দ্বীপে যেতে হয় গুটি গুটি পায়ে হেঁটে কিংবা ডুব সাঁতারে। ফিলিপ আইল্যান্ডে সাঁতরে কিংবা ছইতোলা নৌকায় করে যেতে হয়নি। তিনদিকে সমুদ্র দিয়ে ঘেরা অসাধারন এই দ্বীপটির একদিকে সাঁপের মতো এঁকেবেঁকে গেছে সরু পথ। সে পথ ধরে যেতে যেতে শুরুতেই পৌঁছুলাম ছোটোখাটো এক চিড়িয়াখানায়, [বিস্তারিত স্বপ্নে ফিলিপ আইল্যান্ড]
আজ মালয়েশিয়াতে আমাদের শেষ দিন। দুপুর ১২টায় আমাদের হোটেল চেক আউট। একটু দেরি করেই সকাল ৮.৩০ এর দিকে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে ব্রেকফাস্ট করতে চলে গেলাম। ব্রেকফাস্ট করে রূমে এসে ব্যাগ গুছাতে লেগে গেলাম। এদিকে দেখি কর্তা এ ক’দিন ধরে যা যা কিনলাম তার রিসিটগুলো এই ব্যাগ, সেই ব্যাগ, মানিব্যাগ, পকেটের চিপা-চাপা থেকে বের [বিস্তারিত মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ১০ (শেষ পর্ব)]
Trick Art Museum থেকে বের হয়ে ম্যাপ এ দেখতে লাগলাম কাছের পরবর্তী স্পট কোনটি। দেখলাম কাছে আছে 5D Cinema। টিকিট দেখাতেই দুটি মেয়ে আমাদের পাশের রুমে নিয়ে এলো। ফাঁকা রুম। আমরা ৩ জনই তখনকার মত দর্শক। সীট বেল্ট বেঁধে, চোখে চশমা পড়িয়ে আমাদের বসিয়ে দেয়া হলো। ভিডিও শুরু হলো। বুক ধুকপুক করছে কি ভয়ংকর ভিডিও [বিস্তারিত মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ৯ (i-City 2)]
অস্কার আমাদের নিয়ে যখন হোটেলে পোঁছায় তখন স্থানীয় সময় রাত এগারটার কাছাকাছি, আমাদের সাথে সেও নেমে পড়লো গাড়ী থেকে, আমাকে জড়িয়ে ধরে কানের দুই পাশে উম্মা উম্মা শব্দ করে বিদায় সম্ভাষণ করলো, সাথে হাতে একটা এনভেলপ ধরিয়ে দিয়ে বললো, বন্ধু আমার, আমার একটা অনুরোধ রাখো, যখন তোমার ফ্লাইট টেইকঅফ করবে, এরপর খুলবে এইটাকে, [বিস্তারিত ভ্রমনে দুর্ভোগ (ইটালি ভ্রমন ৫ ও শেষ পর্ব)]
প্রায় ভোর-রাত, জাঁক করে বসলাম, র’ মত নয়, উদ্দেশ্য ভাত-ঘুম বা ঝিমুনি টাইপ কিছু একটা। এ-ওর কাঁধে-বুকে মাথা ফেলে কাজ চলে যাচ্ছিল, এভাবে কতক্ষণ কেটেছে তা মালুম নেই, ঘুম ভেঙ্গে গেলে কফির ঘ্রাণ নাকে এসে পৌঁছুল ভাল করেই, খিদেটা-ও চনমনে, মোচরা-মুচরি শেষ করে হাল্কা কনুই চালিয়ে তাঁর পাক্কা-ঘুম কাঁচা করে কফির উৎস খুঁজে নিলাম। উরি-বাস!! [বিস্তারিত ভ্রমণ কথকতা………৪]
পরদিন সকালের দিকে দুরে কোথাও গেলাম না। এ কয়দিনের টানা ঘুরাঘুরিতে কিছুটা ক্লান্ত। তাই প্ল্যান হলো সকালটা নিজেদের মত করে কাছেপিঠেই ঘুরে বেড়াবো। ১১টার দিকে বের হয়ে হেটে হেটে শহর দেখতে লাগলাম। হাটতে হাটতে এক রাস্তায় এসে দেখি শুধুই খাবারের দোকান। রাস্তার দুধারে চেয়ার টেবিল পাতা আর লাইন ধরে শুধুই খাবারের দোকান। এত কাছে এত [বিস্তারিত মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ৮ (i-City 1)]
ডিনার শেষে অস্কার আমাদের হোটেলের সামনে নামিয়ে দিয়ে বলে গেল সকাল নয়টায় পিক করবে, তাকে বিদায় দিয়ে হোটেলের প্রবেশ পথে দেখলাম সকাল বেলার সেই বরিশালের বাঙ্গালি ভদ্রলোক অপেক্ষা করছেন আমাদের জন্য, হাই হ্যালোর পর উনাকে নিয়ে নিচের ছোট রেস্টুরেন্টে বসলাম। উনি বললেন, কিছু খান। আমরা সারেন্ডার হয়ে দুই হাত নাড়িয়ে বললাম, এই মাত্র খেয়ে এসেছি, [বিস্তারিত ভ্রমনে দুর্ভোগ (ইটালি ভ্রমন ৪)]
হোটেলে এসে দুপুরের খাবার খেতে না খেতেই দেখি ৪টা বেজে গেছে। রেস্ট না নিয়ে লবিতে এসে বসলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়ি চলে এলো। এখন যাবো একটি স্পটে যার টিকিট আগেই কেটেছিলাম। গাড়িতে উঠার পর ড্রাইভার বললো সেখানে যাবার আগে সে আমাদের চকলেট কিংডমে নিয়ে যাবে। সেখানে নাকি ভালো চকলেট বিক্রি হয়। তো আমরা বললাম, ঠিক আছে। [বিস্তারিত মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ৭ (Upside Down House)]
বাতু কেভ থেকে বের হয়ে রওনা হলাম শহরের দিকে। ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করছিলাম এখানে ভালো জিনিস কোথায় পাওয়া যায়। সে বললো অরিজিনাল পাথর এবং মেটালের জিনিস কিনতে চাইলে কাছেই একটি দোকান আছে সেখানে যেতে পারি, তবে এখানে জিনিসপত্রের দাম একটু বেশি হবে। আর নাহলে শহরে মাইদিন শপিং মলে যেতে পারি। বললাম মাইদিন মার্কেটে গিয়েছি। তো সেই [বিস্তারিত মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ৬]