মনের সব প্রতিহিংসা স্থির হয়ে আছে ভয়ানক এক অগ্নিশিখার মতো। হেলছে না দুলছে না সে এপাশ ও পাশ। তাকিয়ে আছে স্থির নয়নে আকাশের ঐ চাঁদের পানে। চাঁদের স্নিগ্ধতা নিতে, কোমল পরশে শীতল হতে। সারাদিনের উত্তপ্ত আকাশের বুকে চাঁদ ওঠে কোমল ভাবে। সুন্দর চামড়ার আড়ালে, আত্নার আত্নীয়রা ফনা তুলে থাকে, সুযোগে ছোবল মারে। সে বিষের জালায়… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
প্রিয় সাঁঝবাতি, কেমন আছিস? চোখের তীর ঘেষে কাজলের ওই রেখা এখনও কি আছে? নাকি চোখের নীচে কালি পড়ে গেছে? কতো কতো দিন-মাস-বছর পার হয়েছে, ভুলেই গেছি। প্রায় দুই যুগ, নাকি! যে আমরা মানে আমি-তুমি নই, সেই আমরাই এখন দুজন থেকে বহুজন। দুজনকে ছাড়া চলতে তো শিখেছি-ই, এমনকি বেঁচেও আছি। একসময় মনে হতো আমরা কখনোই আলাদা… [বিস্তারিত]
আমারা দেখি অর্জুন কে দেখা মাত্র চিত্রাঙ্গদার নারী সত্তা উন্মোচিত হয়, প্রেম হয়, বাচ্চা হয়…..........................................(যদি আমি বুঝে থাকি), নিঃসঙ্গ স্বদেশের চরিত্রটি একটি পুরুষের, যে প্রবল সুস্থতা ও অক্লান্ত হৃদয়ে নানান কিছু করে-টরে বেড়ায়, তা বেড়াক, সমস্যা নেই, কিন্তু প্রবল সমস্যা হঠাৎ করেই তৈরি হয়ে যায়। রাত্রিবেশি আর্য রমনী (ফর্সা, ব্লন্ড, কোকড়া চুল) সে এসে হঠাৎ… [বিস্তারিত]
আকণ্ঠ নিঃসঙ্গতা পানে মুখিয়ে থেকে অরণ্যোদ্ধত হয়ে হল্লায় মেতেছি, কনকনে সুন্দরতম শূন্যতার মুখরা মৌমাছির বেশে ফুলে ফুলে ফুলমধু নিয়েছি, ঝড়ঝঞ্ঝায় খালি-পা নিয়ে হেঁটে গেছি জলাজঙ্গল-মরুভূমি-পাহাড়-পর্বতের তুষার চুড়োয়, অভাবী স্বভাব নিয়ে বাঘের সওয়ারী করেছি আত্মহত্যাকে কাঁচকলা দেখিয়ে বাঘের দুধ খুঁজেছি, বর্ষাজোয়ারে উজিয়েছি কত কত খাল-নদী এ আমার পূত আগুনে পোড়ানো সুস্থ অসুস্থতা, অক্লান্ত হৃদপিণ্ডে; আচমকা আর্য… [বিস্তারিত]
ফাল্গুনের রঙের মত তোমার মনে যে রং মেখেছে; তার দোহাই তুমি কেঁদো না। নাম না জানা এক অজানা ফুলের মিষ্টি, সৌরভিত পাপড়ির স্পর্শ তোমাকে দিলাম; তবু তুমি কেঁদো না। বিশাল আকাশের সাদা মেঘের ভেতর উড়ে যাওয়া, ক্লান্ত বাতাশের মর্মর ধ্বনি তোমাকে শুনতে দিলাম; তুমি কেঁদো না। আমার অস্থিত্বের যত রং আছে, তার সবটুকুই দিয়ে তোমাকে… [বিস্তারিত]
মানুষ হিসেবে আমরা জন্ম নিয়েছি যখন সংসার বংশবৃদ্ধি করাটা জীবনের চরম পর্যায় হিসেবে মেনে নেওয়া হয়ে থাকে --কিছু যুগপুরুষ বাদে প্রায় সব মানুষকেই সংসারধর্ম পালন করতে হয় । সংসার ---- অসার --পদে পদে বিপদ ---সুখের ধানভাঙা মেশিন ----- কখনও ভাঙা চাল আবার গোটা চাল --- তবুও অদৃশ্য শক্তির তালে তালে নাচতে হয় । সবুজ ঘাসের… [বিস্তারিত]
জীবনটা কেমন যেন মাতৃ গর্ভতল থেকে প্রথম উঁকি দিয়ে বেড়িয়ে আসা, এরপর আশেপাশেরর মানুষ দেখে ভয়ে চিৎকার করে কেঁদে উঠা আরেকটু বয়সে প্রথম বসন্তের ছোঁয়ার মতো হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে চলা শেখা বালক হয়ে দূর্বার হয়ে উঠা, চিৎকার চেঁচামেচিতে সকল পাড়া এক করা যৌবনে গ্রীস্মের গরম শরীর ননিয়ে ইতিউতি তাকা, মনে রঙ লাগা, নতুন প্রেমের আলিঙ্গনে… [বিস্তারিত]
এ যেন অনেক কাল ধুন ধরে বসে থাকা লিখব বলে, কৈ? কিছুই-যে লিখছি না, পারছি না-তো লিখতে, আনন্দ-বেদনার-নদী ছুঁয়ে এবারে রক্তাক্তের অনুভবে লূ-হাওয়া, সাঁতরে বেড়ানো জলনদীর ভেজাবালি শুকোতে না শুকোতেই ঝড় এলো, এলো ঝড়, আম পড় আম পড়, না, আম নেই-তো, নেই বৃষ্টিধোয়া শ্বেতপাথরের ঝক্মকে জবরজ্যোৎস্না, আছে, কাদামাখা জলচোখ, ফিরে গেছি একাকীর সেই অরণ্যহাহাকারের নিঝুম… [বিস্তারিত]
বিশাল তোরজোর। ভিয়েতনাম যাবো। আমাশা, ডায়রিয়া প্রটেক্টর হিসেবে ট্যাবলেট, ওরস্যালাইন কিনে হালকা পাতলা একটি ফার্স্ট এইড বক্স সাথে নিয়েছি। ব্যাক পেইন আমার আমৃত্যু সাথী। একারনে খাটি ইন্ডিয়ান মুভ স্থান করে নিল ফার্স্ট এইড বক্সে। আবহাওয়া অর্থাৎ শীতের কি অবস্থা জানতে গুগল মামুর উপর আস্থা না রেখে কিছুদিন পুর্বে ভিয়েতনাম ভ্রমন করে আসা এক জুনিয়র বন্ধুর… [বিস্তারিত]
ভারত বর্ষকে লুটে পুটে খেতে এই সবুজ ঐশর্য্যে ভরা প্রকৃতির লীলাভূমিতে যুগ যুগ ধরে এসেছে অনেক লুটেরা। এদের কেউ আমাদের চোখে বীর কেউ বা খলনায়ক। প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে এই শাসন শোষনের পাশাপাশি উন্নত যে হয়নি তা নয়। মানুষ সভ্যতার দিকে পা বাড়িয়েছে অনেকটা তাদের হাত ধরে। আমরা সবাই জানি ভারত বর্ষ অর্থাৎ বাংলাকে যারাই শাষন… [বিস্তারিত]
বাচ্চা তিনটার সামনে আজ আমার নিজেকে অনেক বেশি ছোট মনে হলো। অনেক, অনেক ছোট লাগলো। অপরাধবোধে মাথাটা নুইয়ে এলো। না জানি কোন মা-বাবার আদর্শে বেড়ে উঠা সন্তান ওরা। নিশ্চয় কোন মমতাময়ী মায়ের গর্ভজাত সন্তান! মানুষ! হ্যাঁ, এরাই প্রকৃত মানুষ। লক্ষ লক্ষ কিলবিল করা অমানুষের ভিড়ে এরাই প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠছে। নিজের চোখে দেখা এই… [বিস্তারিত]
রাত জাগার অভ্যাসটি মঈনুলের সেই পুরনো।যখন থেকে বুঝতে শিখেছে সে শিক্ষিত হচ্ছেন তখন হতেই তার রাত জাগার অভ্যাসটির সৃষ্টি হয়।বলা যায় পরিচিত অপরিচিত যারাই তাকে চিনেন তাদের পর্যায়ক্রম নিমন্ত্রণে তার এ রাত জাগা।আর সব চেয়ে বড় কথা হলো রং তুলির স্পর্শের খেলার মজা রাতেই জমে।তাই যখনি কারো বিয়ের আলপনা আকাঁর দাওয়াত পেতো তখনি সে ছুটে… [বিস্তারিত]
নাহ্, কোন এক রাতের শেষ বা নিস্তব্ধ মধ্যরাতে নয়, হুড়মুড় করে হাজির সন্ধ্যা রাতেই, না বলা-কওয়াতেই, যেমন হয় সব সময়ে, এক্ষুণি যেতে হবে শ্মশানে, এক অষ্টাদশী বিশ্বসুন্দরী এসেছে, বৃথা চোখজনম না দেখলে গোল গোল চোখে, আরে দেখে-টেখে কী বা হবে? সুন্দরী-ফুন্দরী লাগেই নি কোন কালে, কী সব জ্বালাতন এই শীতে, যেতেই হবে। হেঁটে হেঁটে যেতে… [বিস্তারিত]
বেশ কিছুদিন যাবত এক অপ্রকৃতস্থ মহিলাকে পর্যবেক্ষণ করে শেষমেশ তাঁর সাথে কথা বলার সাহস হলো। প্রথম যেদিন তাকে দেখলাম, দেখি ফুটপাতে এসে সে তার সংসার গুছানোর পায়তারা করছে। অফিস ট্র্যান্সপোর্টের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আমি। শীতের সোনাঝরা রোদে এক গাট্টি ময়লা কাপড়চোপড় খুলে ফুটপাতের অনেকাংশ জুরে একবার মেলে দিচ্ছে, আরেকবার তুলে নিচ্ছে। একটা কাঠের টুকরা, একটা ভাঙাচোরা… [বিস্তারিত]
তোমার শহরে ছুটে গিয়েছিলাম তোমার স্পর্শের উষ্ণতার জন্য নয় তোমার শহরের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ঘুরেছি। আমারই ছায়া ছিল শুধু সংগী আমার। কাঠুরের মতো আমার ছায়া কেটে খুঁজি তোমার ছায়া। আমি তো জানি তোমার ছায়ার পাশে অন্য ছায়ার আনাগোনা। সময়ও ছিল তোমার, আসনি তবু সে ক্ষণে। আমার নয়নের মাঝে যে জল ছবি ছিল তা… [বিস্তারিত]








