এই শীত-শীতে, মেঘলা করে-করে বৃষ্টি উঁকি দিচ্ছে, এক্ষুণি নামবে বলে, না নামলেও; প্রচ্ছন্ন ভ্রুকুটিতে মজে আছে; সংক্রামক যখন একান্ত কুঁড়েমিতে, শীতের শ্বাসরোধ করে উষ্ণতায় ফেরাবে না-কী তীব্র শীতের কাঁথা মুড়িয়ে দেবে! শীতের আয়ুষ্কাল আন্দাজের চেষ্টা! ভাবনার দূর প্রতিধ্বনিতে, সোমত্ত বসন্তের প্রতিচ্ছবি। (canadian film board এর) ডকুমেন্টারি দেখতে দেখতে কপালে ভাঁজ ফেলে জন্ম নেবে কোন [বিস্তারিত শীতের শীতে]
ক্যাটাগরি বিবিধ
কাবাডী, কাবাডী, কাবাডী বলে ‘কাবাডী বউ’ যদি ঘুমের ভেতরে আপনাকেই দুপেগ মেরে দিয়ে পাছু লাল করে দেয়, আপনি কি করবেন, অপেক্ষা? নাকি ধপাধপ তাকেও মেরে? কারণ স্বামীদের তাই করা উচিত! চলুন মুভিতে দেখি, কি করবেন- অবসর নেওয়া এক মহিলা কাবাডি খেলোয়াড়ের খেলায় ফিরে আসতে চাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘পাঙ্গা’ ছবি। ছবির সবচেয়ে জোরদার জায়গা [বিস্তারিত ‘PANGA’ হিন্দি মুভি রিভিউ]
কতটা জেনেছি, কতটুকুই-বা জানাতে পেরেছি সমুদ্রজল আর বালিয়াড়ির সীমানায়! ভেজা পায়ের ছাপ ফেলে রেখে কতটা পথ পেরিয়েছি, আকাঙ্ক্ষার কোলাহলে অপরিণামদর্শিতার মত অক্ষর গুণে গুণে, জমাট শব্দ-কথা-গাথার বুননে বুননে, আকাশকুসুমের বুদবুদে, স্মৃতির নিকানো উঠোন পেরিয়ে ঐ দূর অবধি যাওয়া হয়নি, হবে-ও -বা না। তবুও সবুজ উপত্যকায় চুপিসারে মৌমাছির শ্রম দেখে দেখে, অরণ্য আর পাহাড়ে চোখ [বিস্তারিত গাংচিলের ওড়া-উড়ি]
মানুষ দুনিয়াতে আসে একা । আবার দুনিয়া থেকে বিদায় নেয় একা। মাঝখানের সময়টুকু মায়া মমতায় শুধু জড়িয়ে থাকা। বাবা-মা-ভাই-বোন সন্তান-সন্ততি বন্ধুবান্ধব কত সম্পর্কের জালে জড়িয়ে থাকে জীবন। এই মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে আমাদের জীবনের পথ একটু একটু করে চলতে থাকে। এই চলার পথে মায়া মমতা ভালোবাসা ছড়িয়ে থাকে। থাকে দেয়া-নেয়া প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব। জীবন যেমন সকলের একরকম [বিস্তারিত প্রাপ্তির হিসাব নিকাশ]
দীপ্র সময় এখন। দীপ্র কী? এটা একটা প্রতিকী শব্দ। বুঝলাম… কিন্ত এখানে দীপ্র প্রতিকে কী বোঝাচ্ছো সেটাই তো বুঝতেছি না। আচ্ছা তুমি বসে আছো কোথায়? এ কেমন প্রশ্ন! তুমি যেখানে! আমিও সেখানে! কোথায়? আরে!! বলো– কোথায়? শাহবাগ হলো না কেন? তুমি বসে বা দাঁড়িয়ে যাইই থাকো! তুমি অবস্থান করছো একবিংশ শবতাব্দির জলপিঁড়ি তে। আবার জলপিঁড়ি [বিস্তারিত নিশ্চুপ আওয়াজ]
জীবনের উপমা গুলো বিরল স্বাক্ষর রাখে । নিজে ভাল থাকতে , সন্তানদের মানুষ করতে, পরিজনদের ভাল রাখতে আমাদের প্রতি দিনের ছুটে চলা। দিন শেষে গোধূলি বেলা আমরা বুঝতে পারি, কতটা ভাল থেকেছি, কতটা ভাল রেখেছি, আত্ননিবেদনে কতোটা রিটার্ন পেয়েছি । দিন শেষে আমরা কেউ কারো না, এটাই প্রমাণ পেয়েছে বার বার । ভালবাসার [বিস্তারিত আমি ও আমরা]
প্রজাপতি উড়ে গিয়ে বলনা আমি নই তার হাতে খেলনা – আহারে! : গানটা ভালো লাগে – আমারো : আমি সেই ছোটবেলায় শুনেছি। আজ আবার ডাউনলোড করলাম – আপনি বড় হয়ে গেছেন? : আগের চেয়ে একটু হয়েছি। আপনি তো অনেক বড়! – অ—নে—ক বড়, সরি, ভুল হলো। বেড়ে উঠেছি, বড় হইনি এখনো। : গানটা যখন শুনেছি [বিস্তারিত তেত্রিশ বছর আসুক]
প্রেমিকের চোখে জমে বারি প্রেমিকের নয়ন আবছা তারি জন্য,হন্যে খোজে অতীত যে দিয়েছে ভাবনা জিবনটিতে হাজারো কষ্ট বুকে জমা। যার ভাবনায় কাটতো সারাবেলা সে এখন অন্যের ঘরে করে খেলা। যে ছিলো ভাবী জিবনের ভাবনা সে এখন দুঃখ কষ্টের মুহুর্মুহু ছলনা। সময় বদলে ঝরে পাতা তুমি ঝরালে আমার জীবনটা, সাগর মাঝে উত্তাল টেউ বুকে তোমারি আত্মচিৎকার [বিস্তারিত তারে সেধেই যাবো]
কোনো এক বিচ্ছিন্ন অথচ একক তন্ত্রের চাহিদা জোড় দাবি দাওয়া করেছিলো শ্লোগান। কতগুলো শুকনো মরা কাঠে পেরেক ঠুঁকে ঠুঁকে দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়েছিলো একটা অবয়ব। তারপর তার নাম রাখা হলো পাকাপোক্ত করে। একে একে জমতে শুরু হলো কাঠের পরিচয়ে চেয়ার! টেবিল ছিলো কি? – কি জানি! মনে করতে [বিস্তারিত ধুলো জমা উঠোন বাড়ি]
শুনেছি পাতাদের কোলাহল! বাদামী শরীরে তার অজস্র শিরা ঋনাবদ্ধ। ঝরেনি আকাঙ্খি বৃষ্টির বিলাস্য নামচা! পথিকের কানে শ্রবণহীন ডামাডোলে নিরুত্তর থাকে যাবতীয় কথাদের দায়। পাথর ভারী হলে জলের তলে আশ্রয় হয়। তবে আর ঘোলাটে সময়ের গায়ে কলংক লেপে কে- কোন দুঃসাহসে! বিভ্রম অথবা বাস্তবতার মাঝ বরাবর সেতু ঝুলে আছে বিপরীত জিঘাংসার বোঝাপড়া। আঙুলের ক্ষত মনে করিয়ে [বিস্তারিত নিরক্ষর -হাতেখড়ি]
কি অপরূপ তৃপ্তি, ঠোঁটে ঠোট লাগিয়ে অভিভুত, কাছে আসার সান্নিধ্য চক্ষুদ্বয় বারবার আসিবার অভিপ্রায়। ওষ্ঠের মাঝে ওষ্ঠ হৃদয় অনুরাগে আবৃষ্ট অন্তরে আনমনে সন্তষ্ট সব লাজ লজ্জাহীন মত্ত। ঈপ্সিত, জনে জনে মাতে ইচ্ছায় ইচ্ছায় জাগ্রত মন, চুম্বনে হয়ে যায় আগ্রহান্বিত পাশাপাশি মত্ত অজাগ্রত । চুম্বনে স্নিগদ্ধতা বাড়ে, বৃষ্টি ভেজা মনে, আলোড়ন তোলে, আকাশ পানে চাও, দৃষ্টি [বিস্তারিত অনুরাগে]
সর্বান্তকরণ একটু নীরব নির্জনতা চায়, শিথানে কবরস্থান রেখে, ধীর শান্ততায়, অনায়াস রুদ্ধতার অনাথ ভঙ্গি এড়িয়ে; অশ্রুহীন স্বজনেরা ছুঁড়ে ছুঁড়ে দেবে মুঠো মুঠো ঝর্ণা-ফুল, বাষ্প-রুদ্ধ হয়ে প্রার্থনা প্রার্থনায়, গ্লিসারিন-কান্না ও সাথে নেবে; আজকাল আকছার কত শত জন ই তো নিঃশব্দ হচ্ছে, নির্জন মাটির কুঠুরিতে, অনাথ শিশু থেকে পেল্লায় বিজ্ঞানী থেকে বৈমানিক, কবিরা এখন গোনার বাইরে অসম্ভব [বিস্তারিত নিমগ্ন নির্জনতা]
কাল থেকে সকল পরীক্ষা ও স্কুল কলেজ বন্ধ। শিক্ষক আর শিক্ষার্থীদের পাগল হতে আর বেশী দেরী নেই। আমি একটা জিনিস বুঝি না, সব ছেড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই সরকার গুতা মারে কেন? কোথাও কোন নিয়মের বালাই নাই। দিব্যি চলছে সব। করোনা বাড়লেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধরে মারো টান! মারো টানে—ডাকাত আর পথচারীর গল্প মনে পড়লো: পথচারীকে ডাকাত ডাকাতী [বিস্তারিত ‘ HICHKI’ হিন্দি মুভি রিভিউ]
স্বপ্ন দেখার অভ্যাস অভ্যাসেই থেকে গেল,স্বপ্ন স্বপ্নেই, মুণ্ডুহীন একরোখা সময় নিঃসঙ্গতা পোহাবে বলে ঝাঁক বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে ধীর-দানব অন্ধকারে; আমাকে ফেলে রেখে স্বপ্নেরা নিজেরা নিজেদের গাল-গল্পে মেতে গেল, শীতের অবগুণ্ঠিত আকাশের দিকে আঙুল তুলে তুলে কত কত সময় গড়িয়ে নিল; গুণে গুণে স্বপ্নেরা স্বপ্নে-স্বপ্নে দোল খায়, দোল দেয়, না ফুরানো সময়ের স্রোতে; দুঃস্বপ্নের মত [বিস্তারিত স্বপ্নেরা স্বপ্নেই ছুঁয়ে থাকে]
আকাশে সূর্য উদিত হয় পূর্বদিক দিয়ে। সত্যি না মিথ্যে? – সত্য পক্ষ কাল পর পর চন্দ্র তার শীর্ণ শরীরে পূর্ণতা লাভ করে। সত্যি না মিথ্যে? -সত্য বিল-খাল-নদীতে জোয়ার ভাটা হয় নির্দষ্ট সময়ে। সত্যি না মিথ্যে? – সত্য আকাশে’ই মেঘ জমে বৃষ্টি হয় ঋতু পরিবর্তনে। সত্যি না মিথ্যে? -সত্য সূর্য ক্রমান্বয়ে অস্ত যায় পশ্চিমে দিন শেষে, [বিস্তারিত বিশ্বাসে মিলায় বস্ত তর্কে বহুদূর]