হঠাৎ ধুলো ঝড় শুরু হলো। তারপর ভীষণ বাজ পড়া আওয়াজ!! কিছু মুহুর্ত বাদেই তুমুল বৃষ্টি। চোখে ধুলো ঢুকে পরেছে। চোখ রগড়াতে রগড়াতে গা বাঁচাতে কাছেই বড় এক ছাউনি তলে গিয়ে আশ্রয় নিলাম। মেঝেতে লাল গালিচা পাতা। একটা উঁচু মঞ্চও আছে। মঞ্চের বাঁ দিকের ব্যানারটা চোখে পড়েনি। খোলা কোঁকড়া চুল, দুই ভ্রুর মাঝখানে ছোট্ট একটা কালো [বিস্তারিত লেখক বলছি]
ক্যাটাগরি বিবিধ
বর্তমান সাহিত্য যে জিনিসটা খুব স্পষ্ট করে লক্ষণীয় হচ্ছে তা হলো তরুণ এবং অগ্রজ লেখকের দুরত্ব। ঠিক দুরত্ব নয় এটা কে বলা যায় পৃথিবী এবং অন্ধকার কোন গ্রহের দুরত্ব। যার ফলে অগ্রজদের আলো তরুণ লেখকদের উপর পড়ছে না। বর্তমান সাহিত্যের অবনতির অন্যতম কারণ হলো তরুণ লেখকদের প্রমোট না করা। এর ফলে তরুণরা ইতিমধ্যেই পথহারা দিশেহারা [বিস্তারিত বর্তমান সাহিত্য ও পুরষ্কার সংস্কৃতি পর্ব-১]
— জেগে আছো? —–হম। —ঘুমাও নি কেন? —-ঘুম আসছে না। —কেন? —-আমার চোখ থেকে কে যেন ঘুমটা কেড়ে নিয়েছে! –ওহ। কে সে? —— যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম, যাকে নিয়ে প্রেমের এক উপাখ্যান রচনা করতাম। —– এত ভালোবাসো তাকে? —– হয়তো বাসি। —– তাকে তো পাবে না এ জীবনে। —– ভালোবাসাটা যেদিন মনের মধ্যে গেঁথে গেলো, [বিস্তারিত কথোপকথন (পূর্ণাঙ্গ)]
জীবনে কিছু কথা থাকে কখনো হয় না বলতে কথার শোধ হয় না কথাতে, না বলা কথা গুলো অতি সযতনে রেখে দিতে হয়, হৃদয়ের অন্তকঠুরিতে। সব কথা বলিতে গেলে হয় মন কষাকষি যারা তোমায় দিয়েছিল কথার তীর্যক বান তাঁরা আজ সাধু সেজে হবে মহীয়ান। যাহা গেছে অতলে হারিয়ে রেখে দাও তারে অতীত গুহার আঁধারে তুমি নিরবে [বিস্তারিত সব কথা যায় না বলা]
কথোপকথন-২ —প্রায় তো ভোর হয়ে এলো। এবার একটু ঘুমাও। —- নাহ। ঘুৃম আসছে না। আমার এই একাকি জীবনে ঘুমটাই ছিলো। সেও আস্তে আস্তে আমার সাথে বিট্রে করা শুরু করেছে। —– শরীর তো খারাপ করবে। —— করবে না। সয়ে গেছে। —— সারা জীবন কি এভাবেই থাকবে। —– জীবন তো চলেই গেলো দেখতে দেখতে। আর ত [বিস্তারিত কথোপকথোন ২]
—–জেগে আছো? —–হম। —ঘুমাও নি কেন? —-ঘুম আসছে না। —কেন? —-আমার চোখ থেকে কে যেন ঘুমটা কেড়ে নিয়েছে? —- ওহ। কে সে? —— যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম, যাকে নিয়ে প্রেমের এক উপাখ্যান রচনা করতাম। —– এত ভালোবাসো তাকে? —– হয়তো বাসি। —– তাকে তো পাবে না এ জীবনে। —– ভালোবাসাটা যেদিন মনের মধ্যে গেঁথে গেলো, [বিস্তারিত কথোপকথোন ১]
আঙুলের ফাঁক গলে ছিনিমিনি জীবনের তাড়িয়ে দেয়া সময়ের সার সংক্ষেপগুলো পায়ের ছায়া-ছাপ খোঁজে, শুকনো পাতা মাড়ানোর শব্দ এড়িয়ে, ধরা-ছোঁয়ার কাছ-দূরত্বে দাঁড়িয়ে উঁকিঝুঁকি দেয়; নিয়মে গড়া নিয়ম মেনে/ভেঙ্গে নিজেকে নিজের নৃতত্ত্বের কথা বলতে চায়, টুঁটি-চাপা খুশি খুশি ভাব বিহ্বলে, এমন আলোকিত/আলোচিত বক্তৃতা মঞ্চ মন্দ নয় মোটেই; এলাম (ঝেরে-কেশে) ব্যাকুল-ব্যস্ত অন্তরের পাহাড়ি মেয়ের মত কথার ঝাঁপি [বিস্তারিত পাহাড়ি অন্তর]
৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। প্রতি বছর এ দিনটি অনেকটা উৎসব আলোকে পালিত হয়। নারী সমতা ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো আমাদের দেশেও আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হচ্ছে। নারী অধিকার বা নারী সমতার কতটুক উন্নয়ন ঘটছে। নারী কি কোন শৃংখল মুক্ত হতে পেরেছে। এখনো আমাদের দেশে মেয়েদের মানিয়ে চলা ও মেনে নেওয়া [বিস্তারিত নারী দিবসের শুভেচ্ছা]
যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিলে- একা তুই,একাই ভুগবি ভীষন! বহুদিন সে ভয়ে কুকরে ছিলাম, তোমার শহরে ঢুকবো না এও ছিলো প্রতিজ্ঞায়। আজ বহুবছর পর তোমার শহরে আমি, কত্তো মানুষ, আমি কেবল তুমি ছাড়া কাঁপা কাঁপা বুকে সেই কলাভবনে, টিএসসিতে, বইমেলায়। স্মৃতিরা বড়ই মধুর, তুমিও শুধুই আমার, আজ একা হাঁটতে গিয়েই বুঝলাম। যেন ছুঁয়ে দিলাম নতুন [বিস্তারিত তোমার শহরে]
প্রতি শনিবার সকালে ছেলেকে সুইমিং পুলে পাঠিয়ে ক্যাফেটেরিয়ায় বসে টিভি স্ক্রিনে তার সাঁতার শেখা দেখি। অন্য শিশুদের তুলনায় রিহান বয়সে ও উচ্চতায় বড়। তা সত্ত্বেও সে অনেকটাই পিছিয়ে। আমি স্পষ্টই দেখতে পাই, অন্যরা কোনো সাপোর্ট ছাড়া অবলীলায় কিছুদূর সাঁতরে যেতে পারে। রিহান তার প্রশিক্ষকের সহযোগীতা ছাড়া বেশিদূর যেতে পারে না। হাবুডুবু দশা। টিভি স্ক্রিনে এইসব [বিস্তারিত আনন্দে থাকুন]
ওরা সারাদিন আশেপাশে ঘুরে। কাছে আসতে চায়। একটু আদর ভালোবাসার বড় কাঙ্গাল। আমার কাছে তখন এক চিমটি সময় থাকে না হাতে। আমার ব্যস্ততা ওদের দুরে সরিয়ে রাখে। কাজের ফাঁকে বলা হয় না ডেকে। এখন না অবসর সময় তোরা আসিস। হবে জম্পেশ গল্প আডডা। সারাদিন পর যখন অবসর মেলে। তখন কাছে ডাকি ওদের। রাতের নিরবতা নেমে [বিস্তারিত ওরা কি হারিয়ে যাবে]
রাতের ঝলমলে নগরী ম্যানহাটনের ডিলেনসি ষ্ট্রীটে প্রায়ই উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণের এক সুদর্শন যুবককে দেখা যেত লকডাউনের সময়টাতে। আমরা মহামারীর ভয়াবহ আতঙ্কিত দিনগুলোতে গাড়ি নিয়ে বের হতাম রাতের ম্যানহাটন দেখতে। জনমানবহীন শহরটিতে মাঝে মধ্যে নিস্তব্দতা ভেঙে দীর্ঘ বিরতিতে ২/১ টি গাড়ি ছুটে যেত। ডিলেনসি ষ্ট্রীটে রেড লাইটে গাড়ি থামলে সেই যুবককে ছুটে আসতে দেখা যেত। হাত [বিস্তারিত ক্রোধ’ বদলে দেয় জীবনের গতিপথ]
শিথিল নিদ্রার অভেদ্য রাত্রিতে লিখিত প্রাণ খোঁজে আদি সরোবর, আধ-জ্বলা অন্তহীন দীপ প্রাণের কোণে কোণে, গুছিয়ে নেয়া মেঘের মত দূর ছোঁয়ায় রহস্য চঞ্চল নিশি পাহারার মত, অবসাদ। ভালোবাসা-বাসির নির্ঘণ্টে মিলছে না হিশেব কিছুতেই দুষ্প্রাপ্য যখন ফুল ও ফল। নিরামিষ গাছের মত তবুও ঠায় জেগে থাকা বিঁধে থাকা, এফোঁড় ওফোঁড় হয়ে, আড়াল-হীন মহাকালের গহ্বরে; এখন [বিস্তারিত শুধুই দুষ্প্রাপ্যতা]
সামান্য একটু নিরাল আলতো শব্দ নৈশ-শীত-নির্জনতার গভীরে প্রবেশ করে ইস্পাত-চিৎকারে তীক্ষ্ণ প্রতিধ্বনি নিয়ে; প্রস্রবণ টের পাচ্ছি না তোতাদের সমবেত ধ্বনি মৃতদের আর্তনাদ বনাঞ্চলের শব্দ যজ্ঞ গনগনে আগুনে মুখ বাসের চাকায় চিড়ে চ্যাপ্টা ডাস্টবিন-শিশুর কান্না স্পর্শাতীত অশরীরীর দুরন্ত আনাগোনা স্পর্শযোগ্য শরীরী কসরত অনস্তিত্বের মত দাঁড়িয়ে ঠায় আছে; পিছলে পড়া পরিশুদ্ধ সোনা-আলো সময়ের পা-ছুঁয়ে, ফুটে উঠবেই [বিস্তারিত পরিশুদ্ধ সোনা-আলো]
হাতের পাঞ্জা আর আঙুল গুলোকে কায়দা করে ধরে; খালি গেলাস নিয়ে বসি! কিছু তরল ঢালি! বলছিনা, কোন সে অংশ জল, নাকি অন্যকিছু? টেবিলের ওই পাড়ে ছায়া! ছায়ার চোখ জন্ম থেকেই ঘোলা। পূণরায় – পুনশ্চ রকম দুর্দান্ত সব ফাগুন চুরির প্রচ্ছন্ন অযুহাত বিদ্ধ! টইটুম্বুর রসালো বায়োলজি বা কেমিস্ট্রির কি চমৎকার গবেষণা! ল্যাবরেটরীর মাইক্রোস্কোপ কাঁচ এড়িয়ে চলে [বিস্তারিত সরলে গরল]