মরণ আসার আগে তুমি কি আর আসবে না?আমার স্যাঁতস্যাঁতে ভেজা আঙিনায়,প্রহর গোনে তোমার পাড়ের কচি ঘাস!কত জল গেছে বয়ে,কত ইতিহাস যাচ্ছে ক্ষয়ে… সেই অনেক দিন আগেকার কথা তুমি কি আর বলবে না?যখন তোমার কেউ ছিলো না…নদী ছিলো না,এত ফুল ছিলো না,পাখি ছিলো না,সবার কাছে ছিলে তুমি, চাষা অযোগ্য ভূমি!তখন শুধু তোমার বুকে ছিলাম ফুটে সেই [বিস্তারিত গঙ্গার কচি ঘাস]
ক্যাটাগরি কবিতা
আমার মন আজ আর ভালো নেই…রোদ নেই, আকাশে তাঁরাও নেই …ওরাও ভালো নেই! মাঠেরা কেঁদে ফিরছে ভোর বেলায়,পাখিরা আর ঘরে ফেরে না,ফিঙে কোন অজানা আশঙ্কার প্রতীক্ষায় দিন গোনে,পার হয়ে যায় বেলা ,সকাল বেলা,সন্ধ্যে বেলা…..আবার ভোর! ঊষারানী ভেজা চোখে,কাপড় হীন, খিদে পেটে বাড়ি ঢোকে….!বন্যরা আজকাল বেশ ভয়ে থাকে, বনে খাবার নেই,বন নেই,পশুদের মন নেই! ওরা আজ [বিস্তারিত মনেদের মন নেই!]
এলানো সময়গুলো শামুকে খোলকে জমাট বাঁধে সিলিকা, মুচকি হাসির কুচকি নামে লাল ঘুনসির কোমরে ব্যথা, আঁকা-বাঁকা পথে তিমিরের পা চলে না,কাঁদা মাখা দেহে সন্ধেতে উদয়,ভোরে অস্ত! কাল-পুরুষ কবে যেন, কাপড় পরেছিল,হ্যাংলা লাঙল ধরে হ্যাচকা মারে, হাঁট গরু হাঁট হাঁট, এই বাঁ-এ নয় ডা-এ… মেট্রো-সোসাইটি জোলের নির্ভেদ্য,তবু ও পাছা খুলে মশার কানে এক চড়, এই ডা-এ…! [বিস্তারিত ইজাকুলেশন]
Love never dies…. Dark night go on Blooming stars twinkles, Hybrid Cloud catches their light, Moon cry and shout out, Nobody can listening the sound Since men busy for breath! Angle come down on the earth Crying through grass’s eyes, At last,slowly comes the morning The sun gives smile In the sky, Since love never [বিস্তারিত Love never dies….]
অভিমানরে ,তোর জন্য আমার সব হারালো,ঘর হারালো,তোর জলে ভরা সংসার আমার ভেসে গেল,চোখর মোছার ছেড়াঁ কাপড় টুকুও আজ আমার হারালো! তুইও আবার কবে একা ফেলে যাবি বল? তুই যেদিন যাস,শ্মশানে মুখে আগুন টুকু দিয়ে যাস…না হয় একটু কবরে ফেলে যাস…মনরে…শেষ বারের মতো… একটু…আমার পানে চেয়ে যাস… তুই বিহীন শুক্ন ডাঙায় আমার আর কিছুই চলে না…দিন [বিস্তারিত অভিমানী মন]
রাত-দিনের ঠিক নেই! মেরুদ্বয়ের ঠিক নেই,সুমেরু সুমেরুতে নেই, রোদ-বৃষ্টির ঠিক নেই! যেখানে হেসে ওঠার কথা,হাসতে পারি না!ফুঁফিয়ে কাঁদবো ভাবি কাঁদতেও পারি না! আমি আর সেই আগের মতো নেই! জীবন-যাপনের ঠিক নেই,মান অভিমানের ঠিক নেই! খেতে বসলে থালায় তোমার কান্না ভরা মুখ,জল-পাত্রে জলে ভরা তোমার চোখ! হাঁটতে গেলে পথে মরণ আমার আপন বলে ডাকে, ফিরে এসেছি [বিস্তারিত ক্ষয়]
মানুষের কেমন চোখ আছে, মুখ আছে, কান আছে,দুই পা আছে,দুই হাত আছে, ডান হাত যখন কথা বলে, বাম হাত তখন বাঁ দিকে চলে,ডান পা যখন এক পা এগিয়ে চলে,বাম পা তখন তিন পা আরও এগিয়ে চলে ,আমার চলে না ! আমি জামরুল গাছের গোড়ায় বসে থাকি ডাইনি হয়ে! সবাই ভাবে মানুষ!আমি-ই অমানুষ! সবারই দল থাকে,বল [বিস্তারিত অমানুষ]
ভুবন মোহনি চাঁদনী না তুমি সেরকম নও স্বর্গের অপ্সরা ডানাকাঁটা পরি না তুমি সেরকমও নও ভারি হয়ে আশা গর্ভবতি মেঘ না তার সাথেও তোমার খোলা চুলের কোন মিল নেই ঝন ঝন করে ভেঙ্গে যাওয়া কাঁচ তুমি হাসলে এরকম শব্দও শুনি নি অমৃতশুধা,রসের ধারা তার দেখাও পাইনি তোমার ঠোঁটে কোনদিন মনে হয়নি শুধু তোমার সুশ্রী মুখের [বিস্তারিত দেবী নয় মানবী রূপে তোমাকে চাই ।]
গ্রামের ছেড়াঁ মেঘ, শহরে তুমি যেও না! আমার ফুটো চালের তলায় এসো, বসতে দেবো আমার মায়ের উচুঁ পিড়ে,শালুক ধানের চিড়ে দেবো, এক মালসা দই দেবো, এক গাল পান দেবো,এক ঘটি জল দেবো, নকসীঁ – কাঁথার গল্প দেবো,এসো তুমি,পাশে এসে বসো! যেও না তুমি শহরে .. গ্রামের নির্বোধ মেঘ, কঙ্ক্রীটের নকল হাসির পানে তুমি আর চেয়েও [বিস্তারিত মেঘ-বালক]
এত মানুষের মৃত্যু হাত কাঁটা পা কাঁটা শরীর জীবন বাঁচানোর জন্য সাধারন মানুষের ছোটাছুটি আহতদের জন্য কিছু একটা করার চেষ্টা মন্ত্রী সাংসদদের ছাগলামি সুশিলদের ভন্ডামি মিডিয়া ব্যবসা লাশের রাজনীতি বিজিএমই এর মাস্তানি শ্রমিকদের ধ্বংসাত্মক আন্দোলন স্বজনহারাদের চোখের জল কিছুই এখন আমাকে স্পর্শ করে না ছুতে পারেনা আমার দুখের হৃদয় কে সারারাত জেগে এখন আর ভাবি [বিস্তারিত আমি রোবট হয়ে গেছি ।]
দস্তার থালায় ক্ষুদ – চালের ভাত,লবন আর ডয়রা কলার বীজ ছাড়িয়ে,ভাতের দলা পাকিয়ে হাঁসের মতো গিলে নিচ্ছে, মাঝে মধ্যে গলায় আটকালে জল ছাইছে, গামছা গায়ে যে মেয়েটি এক গাল হাসি নিয়ে বলবে ,এই হেবলা,কেমন খেলি বল?ভালো লাগেনি তাই না?আমারগা বাড়িতে পোলাও হয় না!এই মেয়েটির নাম গঙ্গোত্রী! সবাই ওকে গঙ্গা বলে ডাকি! পোড়া উনুনের কলঙ্ক কালি [বিস্তারিত গঙ্গা]
দাদির নারকেল গাছ@ এজহারুল এইচ শেখ দাদির চারটে নারকেল গাছ ছিল, এই ভিটে বাড়ির চার কোনায়,দাড়িয়ে আকাশের সঙ্গে নীল মেখে,বলল নাকি পেয়ে ছিলো গলায় মালা পরিয়ে… চারটে ছেলে দুটো মেয়ের মা উনি মেয়েরা যখন আসে দুই হাতে নিয়ে আসে দুই ব্যাগ,একটাতে ভর্তি কাহিনি অন্যটাতে গাছের ফল নারকেল কাজু, মায়ের আর লোকজনদের ও খোঁজ রাখে,ভিটে বাড়ি [বিস্তারিত দাদির নারকেল গাছ]
ফিল্টারের শ্বেত কোরকে সবে আগুন ধরেছে মধ্যরাতে একাকিত্বে, তারপর দম দিয়ে ছাওয়ালের টান… শ্বাস কামড়ে ধোঁয়া খায় ,আবার টান! লাল টুক টুকে পলাশে আগুন, নিশির কেশতো আর কই না ফাল্গুনী চর্যা!শুধু অপলক… ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় বিষবৃক্ষের ডাল পালা সারা শরীর খুবলে খায়,দুই গাল চোখের জলে সাঁতরায়! বিষম লাগে!প্রথম প্রথম তো, বিষম তো লাগবেই গোল মরিচের! কাশতে [বিস্তারিত সিগারেট]
বিছানায় একটা নিশ্চল দেহ পড়ে হাত পা সমস্ত অঙ্গ নিথর শুধু নাকের কাছে হাত রাখলে বিষ্ময় সূচক চিহ্ন ইট-দেওয়ালে দাগ কাটে ,পূর্ণছেদ পড়ে না সেটাও বুকের উপর কানে আসে! চোখ খুলতে গেলেও একটা শক্তি লাগে না হয় ব্যথার ভার লাগে সেই টুকুও নেই ,মৃত দেহের সঙ্গে দেহটির পার্থক্য শুধু পালস! দেহের একটা নাম থাকে,সেই নামে [বিস্তারিত শূন্যে অন্তর শূন্য]
পুরানো একটা বাড়ি গভীর নিস্তব্ধ শুধু কথা বলে কত মানুষের নিঃশ্বাস, ইটগুলোর বুক থেকে রক্তের রঙে গুড়ি গুড়ি দিন রাত ঝরে পড়ে ব্যথার পরে মানবকূল,পক্ষীকূল ঘুমায়… ড্যাম ড্যাম তাকিয়ে থাকে বুকের বধির নোনা লাগা পাঁজর, জেগে থাকে অনন্তের ইতিহাস! দেওয়ালের গা বেয়ে বট,অশ্বথ, আর কিছু শ্যাওলা কমা চিহ্নগুলো রাস্তার ধারে ভাঙা-ময়লা পাত্র হাতে দাঁড়িয়ে থাকে [বিস্তারিত হেরিটেজ]