ঝর্না মেয়েটা পুরো চন্ডী! ওর পায়ে বয়ে যায় খরস্রোত নদী! শরীরে আমার জমে ওঠে পলি -কাদা- জল! ও আমার চেয়ে এক স্তর নীচু! আমি উত্তর পানে চায় তো, ও দক্ষিন মেরু! দুজনের এক জায়গায় মিল, একটাই বুক! একটাই তল! ছোট্ট বেলায় পুতুলের সঙ্গে পুতুলের বিয়ে হয়।ও বিন আমি বেয়ায়!বুকে আমার দুঃখ,সূর্য,রোদ,ঝড় সাজিয়ে রাখি।ওর সিন্দুক বসিয়ে [বিস্তারিত প্লেট-টেকটনিক]
ক্যাটাগরি কবিতা
মধ্যরাতে, ঝড়ের সাথে, বজ্রপাতে, জানের ভয়ে ছুটছি আমি নিচ্ছি না দম তিলেক। ঐ দেখা যায় আবছা কায়ায় দখিন পাড়ায়, আশায় বসে মেয়ে আমার। সামনে শুধু বিল এক। রহিম চাচার বাড়ির মাচার ডিমের খাঁচার কয়েকটা ডিম নিলাম নাহয়, দোষ কি খুবি তাতে? কিন্তু ওরা কী বেয়াড়া! করছে তাড়া, খুব নিরীহ এই আমাকে একলা গভীর রাতে। সন্ধ্যে [বিস্তারিত চোর]
প্যারাডক্স@ এজহারুল এইচ শেখ রাতের অন্ধকারে ঘুমের বিছানায় ঘুম হাতড়ে বেড়ায় তোমার আঁচলের স্পেক্ট্রাম! প্রতিকনা গুলো আজ ও আমার চোখ বিদ্ধ করে, বুকের নীল যবনিকা পেরিয়ে তোমার খুঁজতে পারিনা! আমি হকিন্সের হাত- ধরে কেঁদে কেঁদে চোখ রাঙিয়েছি গোধূলি আলোয়!শ্যামা শরীরে তোমার, যদি পাই নাভিমূলের কুসুম ছোঁয়া! মেঘ সরলে,আঁচলে ফাঁক দিয়ে বিগ ব্যাং-এ তোমার, সবাই মিলে [বিস্তারিত প্যারাডক্স]
জীবনটাকে নিয়ে অনেক বার একাকিত্বের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে ভেবেছি! ভেবেছি আইফেল টাওয়ারে জীবনটাকে দাঁড় করিয়ে ফিতে দিয়ে মাপবো!জীবন তুমি কত বড়! সবাই তখন নীচ থেকে দেখে আমি ক্ষুদ্র! আমার ফিতে ক্ষুদ্র!আর আমি নীচে দেখি সবার চোখ অশ্রু-জলে ভেজা!কান্না!চারিদিক লবন-জলের বন্যা! মরু পথের ক্লান্ত পথিককে তাজমহলে মমতাজের পাশে বসাবো ভেবে যাই আমি!সেখানে আর মমতাজ থাকে না!আমিও [বিস্তারিত বাঁচা!]
যা ভিড় ! চিৎকার ! চেচাঁমেচি ! কোলাহল ! একাকিত্বের বড়ি গলবার জো নেই ! তা ও আমার এগিয়ে চলেছি এর ঠেলা ওর গুতো খেতে খেতে কেউ কারুর দিকে তাকায় না!আমিও না!শুধু আমাদের আধুনিক পথচলা!অনন্তকাল ধরে.. সামনে যেতে যেতে কারুর সাথে হয় দেখা! কেউ আবার অদেখা ! কেউ থাকে আলোয়!কেউ অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থেকে আলোর পথের [বিস্তারিত নাগরদোলা]
বুকের অতৃপ্ত যন্ত্রনা লেপ্টে থাকে ভাঙা পাঁজরের বধির মুখে,দুঃখের ভারে থিতিয়ে পড়ে স্রোতহীন পলি নদীর কোনো অচিন চরে!আলেয়া তখন ও কোনো ভাষা বলেনি,পার্বত্য মূষিক কোনো কালেই বোঝেনি থিতিয়ে পড়া নদীর ব্যাথা ভরা কথা!বোঝে শুধু ইলিউশন! অনির্বাণ আলোয় আলেয়া জ্বলে পোড়ে কোনো অজানা মৃত দেহের মিথেন পদ্মা- নদীর চরে!সবাই চাই আয়ু-বায়ু-তাপ!শুধু মাছরাঙা চাই মাছরাঙা দ্বীপের বধির [বিস্তারিত পলি]
ভোরের গালে গড়িয়ে গড়িয়ে আমার ভোর বয়ে যায়, মেঠো পথে আমি, তোমার চোখে একবার চোখ ডুবিয়ে কচি পাতার ভাবনাগুলো সাঁতারে ছিল,কিন্তু পারিনি! মাটি তাকিয়ে থাকে আমার ভেজা মুখ চোখে ভেজে সারা বিকেল, ভেজে অজর চারাগাছ! জোৎস্নার জিভে ভিজেছি আমি,ভেজে আমার পথ! তুমি জানো! আকাশ জানে, ঝরনা জানে, বাতাসও জানে!জানে সবাই! ভাবতে ভাবতে জলে বয়ে যায় [বিস্তারিত শিশির]
ফেরার পথে, ফিরতেই পারছিলাম না! মেরু ভল্লুকের খাড়া লোমে এক কাপ চা ঢেলে দিতে চেয়েছিলাম! চায়ের খোঁজে তখন আমি চা দোকানে,পাশেই চশমার ফাঁকে একটা আড্ডা হিগস-বোসন কনা! চায়ের কাপে এক সুড়কি টান আর শব্দ ভান্ডারে মুদ্রা পতন! যা বোস পাইনি,ওরা কিন্তু পেয়েছিল! স্থাবর কবি যা মৃত্যুকালে পাই! চায়ের ক্যাৎলির বাস্পকনায় জীবৎ-কাল ধরে ভার্সি খাতা খুজে [বিস্তারিত হিগস-বোসন কনা]
আমিও মাতাল হই, কিছু না কিছুর কারণে… হয়তো জীবনপথ বুঝতে চেয়েই ; কাটে না কাটে না ঘোর, হায়! অসহায় হয়ে হয়ে… ঘুরিফিরি… চক্রাকারেই…….. কেউ খেয়ে, কেউ পান করে করে, কিভাবে যেন কেউতো দেখে অথবা, কিছুটা শুনেই, সুগন্ধে মাতোয়ারা, কেউ ছুঁয়ে, ছুঁয়েছে নেশা… স্বপ্নে কিংবা ঘুমে…. অনেকে জেগেই… ভাবনায় ভেসে ভেসে, কেউ কেউ ভেবেই ব্যাকুল… কোনোজন [বিস্তারিত যুক্তাক্ষর]
পায়রার খসে পড়া দানা সরষের, খুঁজে ফিরেছি পথ-ঘাট মাঠে, দীগন্ত পেরিয়ে কোন অজানা অলিন্দে! শূন্য মরুর বুকে যেখানে শিশু কাঁদে, কান্নার স্বর যেখানে বালিতে মেশে, বাতাসে বোঝা যায় না অভুক্ষ হা-পিত্তেস, সেখানে আমি ফুফিয়ে কাঁদতে গিয়েছিলাম! কোনো এক ভোরে কলাপাতার টুপটাপ করে, শিশিরে বয়ে দিতে ছেয়েছিলা আমার কান্না! কুকুরের লালায় অহরহ বয়ে যায়, আমার মায়ের [বিস্তারিত যমুনার জল@ এজহারুল এইচ শেখ]
পত্রকলসে তোমার আমার ঠোঁট আছে!যা পাই তাই চোষে!চোষক পোকা কাকে যে বলি,জোঁক না তুমি! পুকুরের আয়নায় পড়ে হ্যালুসিনেশনের রোদের ঢুলি! তুন্দ্রা শীতে গায়ে এখন শুয়োঁপোকার কাঁটা! মথ না প্রজাপতি!এলিয়েন হাসে, আরো মরবে এবার জোনাকি!গলায় আটকে আছে মাছের কাঁটা! ভান্ডারওয়াল পাত্রে ঝুলে থাকে সব মায়ের শাঁখা! তাপ বাড়লে অনু ছুটবে,গলার যন্ত্রনা আরো বাড়বে!সামনেই ক্রসউইনস,বাজনা বাজার আগেই [বিস্তারিত ক্রসউইনস]
ইচ্ছামতী@ এজহারুল এইচ শেখ তোমার চোখের উপর আমার চোখ! মাপলে রাইট এঙ্গেল!থিটা বাড়াইনি!তুমিও না! পাথর স্থির!তুমি ও!আমি ও! মাঝখান দিয়ে বয়ে চলে,ইচ্ছামতী নদী! ষাড়াষাড়ির বান!বয়ে চলে খরস্রোত! উচ্চগতি! বয়ে চোলে কত বিরল প্রজাতি! লিংকফিস!পাথর স্থির!আমি ও! দিনে এখন শতবার কূল ভাঙে! হাহাকার!কান্না! লাশের পর লাশ!বয়ে চলে! এখনও!ভাসে! তোমার আমার অকালের শশ্মানের কাঠ!ঘাস! বয়ে চলে স্থাবর [বিস্তারিত ইচ্ছামতী]
হৃদয় পুড়ে ছাই করেছো তাই ভেবেছো, ফুরিয়ে গেছি? কাঁদা জলে পা ফেলেছি আটকে গেছি! আটকে গেছি? গোলাপ ফুলে কাঁটা ছিলো কীটও ছিলো নিঃশ্বাসে তার বিষও ছিলো, শেষ কি হলো? শেষ হলো না বেঁচেই আছি, দিব্যি আছি গাইছি আজো সুরে সুরে গুনগুনিয়ে, লিখছি আজো আগের মত প্রেম কবিতা- আঁকছি ছবি আমায় নিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে; পাহাড়সম স্বপ্ন [বিস্তারিত হারিয়ে যাওয়ার গান…]
কাদা মনে তোমাকে আমি কিছু বলতে চেয়েছিলাম, জলের গভীরে বুদ বুদের মত কিছু কথা! হৃদয় তলে ভেসে উঠতে না উঠতেই, চোখের জলে বৃষ্টি হয়ে গেল! হিলিয়াম তো কোনো দিন বৃষ্টি হয়নি……
বিবশ রজনীতে আমি পথ খুঁজেছি তোমার, খাল -বিল বন্ধুর মাঠ পেরিয়ে গাড়ির নেমপ্লেটে, আমি তোমার নাম জানতে ছেয়েছিলাম! চুন-সুরকির দেওয়ালে চুয়ে পড়ে রোদ, চোখে ঝাপ পড়া বিড়ালের সজাগ কানে বসাবো বলে! যোনিমুখের ফিনকিবাধা রক্ত কালের ধোয়াঁটে জমেছে পলি, গঙ্গার গর্ভে শকুন-নাকে মিথেনের গন্ধ! বালিকা-মেঘের কান্না, শুক্নো তালপাতায় ভাঁজে বদ্ধ! শিকেয় মা হাড়ি না তুলে রাত্রি [বিস্তারিত শশ্মানে শিশির বিন্দু]