কতখানি অতলে থাকে জলের দুঃখ, কতটা গহীনে কতটা উজানে গেলে পরে পোড়ানোর উৎসব শেষ হবে, কতটা তীব্র হলে স্রোত তোমায় ছোঁবে বেনোজল, দুঃখবোধ ফুরোবে তোমার। কতটা উজাড় করে দিলে পরে বোঝা যাবে দিয়েছি সর্বস্ব কতটুকু মেঘ জমে হয় একটা আকাশ, কতখানি বৃষ্টি হলে পরে পাখি এসে পরাণ ছোঁয়াবে জলের পরাণে? একজন্ম কেটে যায় দারুণ অস্থিরতার… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
শেষ হয়ে গেছে একটা করমব্যাস্ত দিন ...। এখন বৃষ্টি ভেজা রাতে রাতজাগা পাখি হয়ে বসে আছি আমি … সামনে খোলা বই … কিন্তু পাঠ্যে আজ আমার মন নাই … আমি দেখছি রাতকে … আমার কানেকানে নিশুতি রাতের কত কথাই না শুনিয়ে যায় বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ … বোকা আমি বুঝি না কথা , আমি জানি না… [বিস্তারিত]
এলো মেলো জীবন আমার গভীর রাত জাগা দু’নয়নে ভাসে ভোরের শিশিঁরে ন্যায় উজ্জ্বল স্বপ্নগুলো দিনের আলোর রস্মিতে হয় ভস্মিভূত। জম্মিনি আমি মূখে সোনার চামচ নিয়ে যেন পিতৃ গৃহে না চাইতেই হবে স্বপ্নপূরণ মাটির ভক্ষনে আগাছার ন্যায় বেড়ে উঠা এ জীবন শুণ্যতার মরুভূমি। এলো মেলো জীবন আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যায় আমিই প্রথম বাঙ্গালী সমাজ সংসারে খেটে… [বিস্তারিত]
কবিতার শব্দেরা ভিজে যায় টুপটাপ উদাসীনতায় কবিতার শব্দেরা ভেসে যায় বিরুদ্ধ বাতাসে, শব্দেরা অভিমানের বিষে নীল, এ কেমন অভিমান ? আমার এ কেমন ভয় এ কেমন হাহাকার বুকের গভীরে খামছে থাকা যুক্তিবিহীন সংশয়? অথচ নিশ্চুপ কুয়াশার জল জমে জমে টুপাটাপ ঝরছে অভিমানী জল,ভালোবাসার আলো মেখে, এতো জল ঝরে তবু পরাণ ভেজে না কেন? তৃষা মেটেনা… [বিস্তারিত]
মানবতার বাগানে শ্বেত-ভালুুকের দাপাদাপি আর শ্বেত-সন্ত্রাস চলবে কতকাল— দেখবো কত আর হৃদয়ের রক্তক্ষরণ কিংবা আহত পায়রার ব্যর্থ উড়াল আর কতদিন প্রভূ আর কতকাল? কাগুঁজে বাঘের মতো লক্ষ বিবেক কতকাল বলো থাকবে বিবেকহীন এত রক্তের আঁখরেও দেখবোনা কি অনাগত অনাবিল সেই সুখের চিন্। আর কতকাল প্রভূ আর কতদিন।। প্রেমের বন্ধন ছিঁড়ে হলো চূরমার চৌদিকে নাচে নিঃলাজ… [বিস্তারিত]
_ টুনির মা, একটু বাইরে আসবে ? _ রাত 12টা বাজে। এখন বাইরে? কেন? _ না মানে তোমাকে জড়িয়ে ধরতে খুব ইচ্ছে করতেছে। জড়িয়ে ধরে একটা চুমু খেয়েই চলে যাব। আসবে? _ কি! কি বললে তুমি? _ বললাম একটা চুমু খেয়েই চলে যাব। আসবে ? _ চুপ! একদম চুপ! রোজা-রমজানের দিনে এসব শুনাও পাপ! হুহ!… [বিস্তারিত]
পশ্চিমের শুয়োরেরা অাবার মানবতার গান গায় আরব লীগের জারজ সন্তানরা তাতেই বাহবা দেয়। বুলেটের সামনে নির্ভয়ে দাঁড়িয়ে যায় ফিলিস্তিনের অবোধ শিশু তারও যে আজ স্বাধীনতার প্রয়োজন। ওদের মা নেই, মাতৃভূমির ওপর শকুনের ছায়া কালো ধোঁয়া, রক্ত আর ভাঙ্গা ইট ওদের এখন নিত্য সঙ্গী। বুকের মাঝখানে বিষ ফোঁড়ার মতন বিভেদের দেয়াল তুলে তৃপ্তির ঢেকুর তোলে শালা… [বিস্তারিত]
(ইন্টারনেটের বদৌলতে কী না হতে পারে? মেয়েটিও পড়েছে অসম প্রেমে আমার বউ-বাচ্চা আছে জেনেও; কিন্তু আমার সাড়া নেই। রশিয়ার ইউক্রেন থেকে এ মেয়ে আমাকে নিবেদিত চিঠিসহ কবিতা পাঠিয়েছে। এর আগেও চিঠি দিয়েছিলো অনেকবার কিন্তু জবাব দেইনি বলে সে অভিমান করে একটার পর একটা কবিতা পাঠাচ্ছে। নিচে চতুর্থ কবিতাটি অনুবাদসহ তুলে দিলাম, কেমন লাগলো জানাবেন–) My… [বিস্তারিত]
বিক্ষিপ্ত পড়ে আছে প্রেসারকুকার ভাঙা খুন্তি নিশ্চল মুঠোয় লালজামা শখের পুতুল কৌটোর বাহারি চকলেট মরুর আকাশে বুভুক্ষু শকুন বেজন্মা বিমানের গর্ভে বারুদের ডিম বিধ্বংসী আগুন বিস্ফোরকের গুদাম উগ্রে দিচ্ছে নিষ্পাপ রক্ত- স্রোত প্রাচীন লোকালয়ে নেই নীতি পেশাদার মল্লবীর সম্যক যোদ্ধা বৃহন্নলা-নপুংসক আর কাপুরুষেরা শিশু ও নারী হত্যার নাম দিয়েছে যুদ্ধ [বিস্তারিত]
পশ্চিম তীরে সীমান্তের এই পারে দাঁড়িয়ে শালপ্রাংশু বৃদ্ধটি কাটাতারের বেড়া ছুঁইয়ে আসা বারুদের গন্ধে নাক কুঁচকায় তার পেছনে দীর্ঘ মিছিল, লাশের এবং জীবন্মৃতদের। তার বায়ে দাঁড়ানো শিশুটির পিতা নেই , মা নেই মাতৃভূমিও না সে কখনো শোনেনি আদুরে ঘুমপাড়ানি গান তার লুন্ঠিত শৈশব জুড়ে কেবলই ছুটে চলা কেবল মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ আর ধাওয়া ,ধোঁয়া, রক্তের ঘ্রাণ।… [বিস্তারিত]
পঙতিগুলো এলোমেলো এসে ছুঁয়ে যায় কবিতা মূর্তিমতী বিষন্ন অভিমানে নীল শব্দেরা সব সেজেছে আজ অভিমানী ডানায় ধরা দেয়না, একবার এসে বসে তারপর উড়াল। অথচ কি ভীষন ইচ্ছে করে মায়াবী কাজল আঁকা চোখে চোখ রেখে লিখেদেই বিশুদ্ধ ভালোবাসার কাব্য। ভেবে ভেবে, ভেবে ভেবে লিখেই ফেললাম অমর কবিতার প্রথম চরনখানি। ''আমি ভালোবাসি তোমাকে।'' কতটা সে জানে আমার… [বিস্তারিত]
বুকের উপর পড়ে আছে কবিতা খোলাপাতা- পঙক্তির শরীর হঠাৎ সিঁড়ি বেয়ে পদশব্দ ভেজা চুলে কী যে স্নিগ্ধ হয়ে ওঠো বোঝাতে পারবো না কতো যত্নে মেলে দিচ্ছো ছাদে গোলাপি ওড়না সাদা সেমিজ, পাপড়ি-কাটা রুমাল প্রতীক্ষার আর্দ্র দিন নির্ঘণ্ট বারান্দা মালতির গন্ধ, সন্ধ্যাতারা-ক্ষণ নান্দিপাড়ার পাশহাঁটা নিঝুম পথ আড়চোখের মৃদুহাসি, মৌন-গুঞ্জন এতোদিন পরে- কোত্থেকে তবে কী বিকেলের বৃষ্টিতে… [বিস্তারিত]
একটা কষ্ট খুব পোড়ায় খুব সুন্দর করে কোনোদিন চিঠি লেখা হয়নি তোমাকে অনন্য সুন্দর মার্জিত উপমায় দারুণ মিষ্টি সম্বোধনে অনুপম বুননে আর সুগন্ধি কাগজে এমন কিছু শব্দমালা যা হাজার কষ্টের রাত ভোর করে হয়ে ওঠে দীপ্ত হাসির সূর্য যার জমিন স্পর্শ করে আছে তোমার প্রিয়তম রঙ খুব সুন্দর করে কোনোদিন চিঠি লেখা হয়নি তোমাকে হয়তো… [বিস্তারিত]
ইন্টারনেটের বদৌলতে কী না হতে পারে? মেয়েটিও পড়েছে অসম প্রেমে আমার বউ-বাচ্চা আছে জেনেও; কিন্তু আমার সাড়া নেই। রশিয়ার ইউক্রেন থেকে জুলিয়া নামের এ মেয়ে আমাকে নিবেদিত চিঠিসহ কবিতা পাঠিয়েছে। এর আগেও চিঠি দিয়েছিলো অনেকবার কিন্তু জবাব দেইনি বলে সে অভিমান করে একটার পর একটা কবিতা পাঠাচ্ছে। নিচে ৩য় কবিতাটি অনুবাদসহ তুলে দিলাম, কেমন লাগলো… [বিস্তারিত]
প্রতিবার মাইনে পেতে ভোগান্তি লোডশেডিং যানজট বাসস্ট্যান্ডে সকাল-সন্ধ্যা দীর্ঘ লাইন অসহ্য অপেক্ষা আজানু ঝুকে থেকে ভুলে গেছি গ্রিবা উচিয়ে বেঁচে থাকা মরু-উটের মতো পিঠ জুড়ে বইছি কলঙ্কের মস্ত-কুঁজো তেল-নুন-ভাতের অধিকার মিছিল-মিটিং-আগুন লাশ হয়ে ঘরফেরা আজন্ম দাবী-সংগ্রাম বহু আগেই তো পেরিয়েছি রক্তগঙ্গা কালশিটে যুদ্ধভূমি-বধ্যপ্রান্তর আবারও প্রতিবাদ আবার অস্তিত্বের পুনঃস্থাপন-জাগরণ হায়– আমাদের বসন্তে বিষাক্ত-মড়ক স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত… [বিস্তারিত]





