আমায় ভালোবাসতে দাও দেখতে দাও তোমার মনের প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে রাখা হ্রদের স্বচ্ছ পানির মতই ভালোবাসার উচ্ছাসে তোলা বুকের ছোট ছোট ঢেউ। বিসুরো বেহালার ছন্দময় সঙ্গীতে অন্তর্চোখে দেখতে দাও যৌবনের ঈশারা শরীরের ভাঁজে ভাঁজে কবিতার উপমা খুঁজতে গিয়ে নক্ষত্র পতনের মতই পতিত হই স্নিগ্ধতায় উম্মত্তের মত গলায় বুকে ঠোঁটের স্পর্শ দিয়ে বেঁচে থাকার মানে খুঁজি।… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
একদা মহাশূন্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র রাজি শান্তি, প্রেম আর সাম্যের গীতিকুঞ্জ অনিরুদ্ধ অনির্বাণ এক মহাআলোকবর্তিকা আজ সেন্ট হেলেনায় নির্বাসিত বাতিঘর ক্ষয়িষ্ণু,ম্রিয়মাণ প্রায় লুপ্ত চেতনা! যে খুশিতে নাচত ঘাস ফড়িং যে খুশিতে বাক বাকুম চাঁদ যে খুশিতে হাসত আঁধার রাত অথচ আজ সেই খুশিতে হাত পা বাঁধা বাঘিনীর মত দু চোখে নেমে আসে অঝোর শ্রাবণ আর অপেক্ষার… [বিস্তারিত]
পাখিদের ভাবনাগুলি আকাশ হতে পারত... ব্যপ্ততার রংছবি আবার যদি ছড়িয়ে দিই— আবার যদি ভরে নিই নিজস্ব পাত্রে তবে কি পারব ঠিক আগের মত আঁকতে একটি ভোরের সম্ভ্রম ! পাখিদের ডাকে যদি ভোর হত, দিবা স্বপ্নগুলি বিভ্রম ছিঁড়ে জেগে উঠত ফল্গু— বস্তু মননে,তুমি তবে পাখি,পাখির স্বপ্নে মানুষের স্বপ্ন ভাস... [বিস্তারিত]
হাইকু এক ধরনের জাপানি কবিতা/ছড়া । যা তিন লাইনেই সীমাবদ্ধ । এই তিন লাইনেই কবি পাঠকের সামনে একটা চিত্র তুলে ধরেন আর পাঠক নিজের কল্পনা বা অভিজ্ঞতার দ্বারা সেটার পুর্নতা দান করেন । হাইকু সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ তাঁর জাপানযাত্রী বইয়ে লিখেছেন - “জাপানি বাজে চেঁচামেচি ঝগড়াঝাঁটি করে নিজের বলক্ষয় করে না । প্রাণশক্তির বাজে খরচ নেই… [বিস্তারিত]
তার চশমার আড়ালে ওই দুই মায়াবী চোখ, চোখের তারায় ওই মন কেড়ে নেওয়া আলোক, দেখে শিহরিত হয় আমার মন, নিঃশব্দে ঝিল্মিলিয়ে ওঠে রং ... তার ওই ঘন কালো কেশ, মনকে আমার ঘায়েল করেছে বেশ , তার ঘাড়ের উপর এলিয়ে পরা কেশে, সব স্বপ্ন আমার ভীর করে এসে ... পারথনা করি যেন ফিরে ফিরে আসি ,… [বিস্তারিত]
শিশুগুলো ভিজে যাচ্ছে ঘুমিয়ে পড়ছে দ্যাখো দ্যাখো শিশুর তাজা রক্তে খসে যাচ্ছে পৃথিবীর মানবিক মানচিত্রগুলো। ওদিকে অবলীলায় মুছে যাচ্ছে ভূগোল ও নৃতত্ত্ব! প্যালেস্টাইনের আকাশ আজ উদার ভীষণ সেখানে নেই ঈশ্বরের কোনো ছাদ তাইতো বুলেট বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে ঘুমন্ত শিশুগুলো আর ঘুমের মধ্যেই তারা ঘুমিয়ে পড়ছে পুনরায়! এদিকে একদল পিতা ঘুমন্ত শিশুদের হাড়গোড়, অস্থিমজ্জা, রক্তমাংস বুক… [বিস্তারিত]
আতশবাজীর ঝলকে চমকে উঠেছে লোকালয় পথে পথে আলোর ফোয়ারা সাজবাতির সমাহার অথচ পরবের চাঁদের চিকন চুমু জোটেনি সব উঠোনে বিপন্ন শিকোয় জমা নেই দু’বেলার আহার সঞ্চিত উল্লাস দূরাগত কলের গানে করুন সুর নিপীড়িতের অশ্রুভেজা ব্যঞ্জনা নতুন জামায় রক্তছোপ বারুদের গন্ধ দিগন্ত জুড়ে অশনি-আঁধার মানবতার শতছিন্ন শামিয়ানার নিচে কতোক শুভেচ্ছাপত্র আর মোবারকবাদে কী করে জমে ওঠে… [বিস্তারিত]
এতটা আঘাত করার প্রয়োজন ছিল না অনেক দুর্বল ছিল- ক্ষানিক বাদে এমনিতেই মরে যেত সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিল না হেটে যাওয়া তো অনেক পরের ব্যাপার যাই হোক- ওদের কথা বলে লাভ নেই ওরা দুর্বল ওরা নিপীড়িত বেঁচে থাকার অধিকার অতি নগণ্য তাই তো এতটা আঘাত করেছে মরে গেছে হয়তো বাঁচতো আরো কয়েকটা দিন কষ্টের বোঝা… [বিস্তারিত]
কবিতার শব্দেরা ভিজে গেছে কার্তিকের শিশিরের জলে, ভেসে গেছে গাঙ্গুরের স্রোতে ঊদাসীনতার গুচ্ছফুলের পরাগরেনূ মেখে। শিশিরের সাদা ফোটা উড়ে ঊড়ে এসে বসে আমার জানালায়, যেন শিশির আজ পেয়েছে ডানা অত্যুতসাহী মেঘবালিকার প্রায়। নিঃশব্দে ঝরছে হিজলের লাল রঙ অভিমান ভেতরে প্রলয় পোষা কাকচক্ষু স্থির জলে, উদাসীনতার বুকে জমছে কেবল নীলচে রঙের বারুদগুড়ো অভিমান শিশিরও একদিন প্রলয়ঙ্করী… [বিস্তারিত]
ন’টার গাড়ি ক’টায় ছাড়ে দেখতে যদি চাও ইস্টিশনে যাওনা ছুটে— জলদি করে যাও। টিকেট কেটে ঝিমাও বসে দশটা হলেই পার ন’টার গাড়ি ছাড়বে তবে চিন্তা কেনো আর? নয়টা এবং দশটা থেকে দু’টাও যদি বাজে— পৌঁছে তুমি যাবে ঠিকই বিকেল কিবা সাঝে!! [বিস্তারিত]
একবার আমাদের পাড়ার মসজিদের ইমাম তাঁর দেশের বাড়ি বেড়াতে গেছেন । আমি তখন ক্লাস টু'তে পড়ি । আমার ক্লাস ওয়ান পড়া হয়নি । আমার আগের ভাই-বেরাদররাও ক্লাস ওয়ান পড়েনি । আমার দাদা আমাকে বললেন যাও আজান দিয়ে আসো । আমি আজান দিলাম । দাদা এসে নামাজ পড়ালেন । নামাজ পড়লাম । নামাজ শেষে দাদা বললেন… [বিস্তারিত]
বিস্ব বাসী একটু তাকাও দেখো, কি ভাবে জ্বলছে আগুন ধ্বংস হচ্ছে প্রার্থনালয় আশ্রয় স্হল মৃত্যুর দুয়ারে আমি এক অনাথ শিশু। বিস্ব বাসী একটু তাকাও আমারি মতন শত শত শিশু জম্মেছি এই পবিত্র ফিলিস্হিনী বয়সের বিচারে যাদের নেই বর্ণ নেই ধর্ম। বিস্ব বাসী একটু তাকাও আমি তোমাদেরই আগত নতুন প্রজম্ম প্রাত্যুষে কর্ণে প্রচন্ড শব্দে ঘুম ভাঙ্গে… [বিস্তারিত]
প্রেম নয় খাল কেটে কুমির এনেছো সর্বগ্রাসী কামড় দেবে সদা প্রস্তুত থেকো । ভালোবাসা নয় রসায়নের জটিল সূত্র ঢুকে গেছে তোমার ভোঁতা মস্তিষ্কে, এবার ভৌত আসক্তিতে তোমার বাঁকী জীবনটা কেটে যাবে। [বিস্তারিত]
প্রখর রৌদ্রের প্রতাতে তপ্ত রাজপথ হেটে হেটে ক্লান্ত থুতনী বেয়ে টপ টপ করে গড়িয়ে পরছে কপালের ঘাম সুর্য যেন উজার করে বিলিয়ে দিচ্ছে তার সকল উত্তাপ ঘামের ফোঁটায় ঝরে পরছে ক্লান্তির হাহাকার ... ... [বিস্তারিত]
ভালোবাসার পরিমার্জিত সংস্করণ নিয়ে এবার এসে দাঁড়িয়েছি তোমার দুয়ারে ঘুমহীন শহরে বিরহ অঙ্গারে পুড়ে পুড়ে খাঁটি সোনায় পরিণত হয়েছে যে প্রেম এই একুশ শতকে সেই প্রেমের কাছেই তোমার সব অহংকার নুয়ে পড়বে প্রত্যাশার ভারে নিশ্চিন্তে নির্ভীক প্রেমিকের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে যাবে। ভালোবাসা অনন্ত যৌবনা রক্তমাখা চাঁদের আলোর মত জ্বলজ্বলে আমার সত্তায়, চিন্তা-চেতনায় তুমি আসো… [বিস্তারিত]




