বন্ধু মানে খোলা হাওয়া! খোলা আকাশের নীচে সমুদ্রের ঢেউ! বন্ধু মানে মনের আবেগ! জানালার কাছে যেন দাঁড়িয়ে আছে কেউ! বন্ধু মানে ভেজা চুল! বাঁধন না মানা বাউল গান! পাহাড়ের বুক থেকে নামা উদ্দাম ঝর্ণার জল! এক নিষ্পাপ সম্পর্কের মধ্যে নিবিড় টান! # বন্ধু মানে ভালোলাগার ফুল! নদীর বাঁধ ভাঙা জল! বন্ধু মানে বৈশাখের টক -তেঁতুল!… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
তমসা : আচ্ছা! তুমি আমার নাম তমসা দিলে কেন? তমসা মানে তো অন্ধকার। লিখন : তমসা তো একটি নদীর নামও। কেন তুমি অভিধান দেখ নি? তমসা : না, দেখিনি! আমি তো তোমার মতো কবি নই, যে সারাদিন শুধু অভিধান আর কবিতা নিয়ে বসে থাকবো আর প্রেয়সীকে দেব নতুন নতুন নাম। আচ্ছা, তুমি নদীর নামই বা… [বিস্তারিত]
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যাবস্থায় ভ্যাট সনযুক্তির প্রতিবাদে ছাত্রছাত্রীরা গতকাল ঢাকার রাস্তায় আন্দোলন করে.............................................এক ছাত্রীর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড " জয় বাংলা, ভ্যাট সামলা "। যার অর্থ জয় বাংলা একটি দলের পরচয়ের সাথে অঙ্গাঙ্গী যুক্ত । অথচ ৭১-এ জয় বাংলা ছিল প্রতিটি বাঙ্গালীর উদীপ্ত প্রাণ স্ফুলিঙ্গ । হজম করতে কষ্ট হল। কিন্তু তবুও নোংরা হতে পারলাম না… [বিস্তারিত]
আজ থেকে অনেক বছর হবে প্রায় শত বছরের কাছাকাছি, উনবিংশ শতাব্দির প্রথম ভাগে। বলতে পার, দাদা পরদাদাদের আমলে ওদের কারো কারো নাম কুড়ানী, উড়ানী কিংবা ফেলানী কেউবা আবার চেহারায় সাদৃশ্য অব্যয় , খেঁদি কিংবা বুচি । নামের আড়ালে পরিচয়ের অবিচ্ছিন্ন অবগাহন কখনো’বা সুয়োরানী , দুয়োরানী অথবা সুখু দুখুর মা অথবা এমন কোন নাম, মুখে যখন… [বিস্তারিত]
গোলাপ কুঁড়ি, কেমন আছ তুমি? এই বিষাক্ত বাতাস ফুঁড়ে প্রতি ভোরে আমার জানালায় তোমার ফুরফুরে হাসি আর দেখিনা! গোলাপ কুঁড়ি, কোথায় আছ তুমি? জন্মান্তরের তেপান্তর পার হয়ে, এই নিষিদ্ধ বিষুবীয় প্রান্তে এসেও তোমার টকটকে লাল আর খুঁজে পাইনা! গোলাপ কুঁড়ি, জানো? আমি একদম ভাল নেই! ভেতরে ভেতরে বয়ে বেড়াই তাপ্পি মারা অবাধ্য শিরা-ধমনীর দুর্বোধ্য জট।… [বিস্তারিত]
ছাত্র -ধর্মঘট ঠিক কি!? লাঠালাঠি ,হুড়োহুড়ি রক্তারক্তি করে অগ্নিতপ্ত প্রতিবাদী আন্দোলন না কলেজ চত্ত্বরে জোট বেঁধে হোক চুম্বন , হোক সঙ্গম ,হোক উলঙ্ঘন ,করে সামাজিক ,মানসিক পরিবেশ নষ্ট করে মিডিয়ার সামনে মুখ দেখিয়ে বিকৃত আনন্দের অধিকারী হয়ে প্রকৃত যোদ্ধা মনে করা! # পাঁচ বছরের ছেলে মনে মনে হাসে বলে দেখ পাগলের কান্ড !!! ভাবে শিক্ষিতের… [বিস্তারিত]
ধরণী আমায় কি দিয়েছে, আমি ধরণীর কাছ থেকে কি নিয়েছি ? কেন আমি সবার পরোয়া করব, দেখনি সবাই আমার কি করেছে ??? সেই যে নৈশব্দের বিকট আঘাত আজও থেমে আছে, চলছে না এই ঘড়ি কি করব এই ক্ষণে?? সারারাত এই বক্ষবন্ধনিতে সর্পিল আকারে ঘূর্ণায়মান ছিলে তুমি, কি চাই আজ জানিনা, বুঝিনা সম্মুখে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ, কু-পথ চেয়ে… [বিস্তারিত]
ভোরের শরীরে বিকেলের রোদ এসে পড়ে রোজকার মতো। তুই চোখ মেলে দেখ; ওদিকে চাইলেই হীরের মতো দ্যুতি ছড়াবে বন্ধুতা আমাদের ওই রোদের আলোয় সুন্দর খেলা করে, নেচে ওঠে আমার পড়ন্ত বিকেল। অঘ্রাণের এই বেলায় ফসলের মাঠে ঢেউ তুলছে সোনালী ধান। তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নাম-না-জানা এক নদী তুই তখন ছুঁয়ে নিস ওই জল। ওখানে… [বিস্তারিত]
কবিতার খুব কাছাকাছি বসেছিলাম। নীরব-নিস্তব্ধে। প্রদীপের শিখার মতো জ্বলে যাচ্ছিলো জোনাকীর আলো গভীর অরণ্যে। কার মুখ জানি দেখেছিলাম সেই রাতে, মোমের মতো গলে গলে ঝরে পড়ছিলো কুয়াশার ভেতর। এক আবছায়া যেনো। অস্পষ্ট সেই মুখচ্ছবি অন্ধকারে হাওয়ার মতো এসে ফিসফিস করে বলে গেলো, "ধূসরতার মধ্যে আর কতোকাল প্রতীক্ষা? কার জন্যে?" উত্তরহীন, নির্বাক। কি ভাষায় ফোঁটানো যায়… [বিস্তারিত]
খুঁড়ে খুঁড়ে তলানীর নরকে কিছু রোদ-বৃষ্টির সরঞ্জাম খুঁজে পেয়েছি যমদূতের তীব্র আপত্তি মন্ত্র-দক্ষিণা-যজ্ঞ কিছুতেই ছোঁয়া যাবেনা মামাবাড়ির আব্দার নাকি! অনন্তকাল ছেঁড়া কাঁথার বুকের ভাঁজে সমাধী-ব্রত আর সবশেষে যমের বুকে গিয়ে আত্মসমর্পণ; মগের মুল্লুক! মেঘে-মেঘে ধাক্কার ফসল বৃষ্টি নিয়ে উপুড় হয়ে দুপুর ভেঁজাবার মন্ত্র জানি চোখের পাতার ভেতর লুকিয়ে থাকা নীলে, সূর্যের বুকের আলোয় যজ্ঞবেদি পেতেছি।… [বিস্তারিত]
১ কবিরা জাতীয় প্রেমিক!!!! যতক্ষন পটবে না ততক্ষন মধুর মধুর কথা!!? পটে গেলে প্রেমিকা থেকে বন্ধুতে প্রোমোশান!!! আর বিষের কথার ঝাটা!!! ২ প্রেমের প্রতিজ্ঞা বারবার ভেঙ্গে বিছানাতেই পুরুষত্ত্বের চড়া দাম! বিয়ে না করে লুকিয়ে লিভ ইন করা ইন্দ্রাণী মুখার্জি র মত মহিলাদেরই বড় নাম! হাজার শিনা মায়ের জন্য কেন ভুগছে! সুন্দরী মানেই সমাজের পুরুষদের ভোগের… [বিস্তারিত]
আর কি লিখি বলো! কত না বোবায় ভালোবাসা বুকে নিয়ে চলে গেল ওপারে! বলা হলো না তার কোনকিছুই। কি আর শুনি বলো! কত বধির শুনলো না একবারও বলেছে তাকে কেউ “ভালোবাসি”! “আমি শুধু তোমার হতে চেয়েছি তুমি কি আমার হবে?” জন্মান্ধের কথা আর কি বলি! চল্লিশেও চোখে চশমা নেই আমার পরিষ্কার – সিক্স বাই সিক্স।… [বিস্তারিত]
পোড়া দীনতার নীচে দাহ হয়েছে বিভৎস স্বপ্নের আঁকিবুঁকি জীবনের কাব্যও একটি মানচিত্রাবলি, বুঝলে হে অনুমান? ওহে বয়ষ্ক বালিকা কবে তুমি বড়ো হইবে? দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে থাকিয়া দীর্ঘ পথ--- সেই কাল কি আসিয়াছে কিংবা আসিবে? নতূন-পুরাতন দ্বন্দ্বের কাছে নীরব কোনো এক ভাষা পরাজিত হইয়াছিলো, চক্ষু খুলিয়া দেখো, মন মেলিয়া দেখো রবীন্দ্রনাথও নাই, জীবনানন্দও নাই। কেহ কোথাও নাই।… [বিস্তারিত]
দিনান্তের শেষে আবার দিন শুরু করি নিস্ফল সূর্যোদয়ের তড়িঘড়ি অসহ্য রোদনে তপ্তকণ্ঠে হাহাকার সেই কবেকার ভুল বিবাদ। বিবাদে বিবাদে বাড়ে ক্ষত গভীর খাদে হাতছানি দেয়, কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর, শেষ বিকেলের মতো সবই ম্লান সবই তুচ্ছ। কোন সেই অপরাধ! অপরাধী আমি হাততালি দেয় দুঃসহ স্মৃতি পরানের গহীনে চিনচিনে ব্যথা। নতুন সূর্যোদয় হয় না কোথাও চারপাশে এক অসহ্য… [বিস্তারিত]
গভীর আহ্লাদ ভেসে ওঠে সময়ে সময়। তখন প্রতিচ্ছবি বদলে যায় কতো সহজে! আমি দেখেছি কিভাবে বন্ধুত্ত্ব, স্বার্থপর চাহিদার কাছে পরাজিত হয়। হার্দিক আন্তরিকতা আকাশ থেকে উল্কার মতো ছিটকে এসে মাটিতে গলে গলে পড়ে যায়! আঙুলের ফাঁক থেকে টুপটাপ করে যেমন জল ঝরে গিয়ে শূণ্যতায় ভরে থাকে হাতের পাতা হৃদয়ের ফাঁক-ফোঁকড় বন্ধ হয়ে বহমান রক্ত আটকে… [বিস্তারিত]





