আজো হামিদুর,মতিউর,মুন্সি রউফের আত্নারা ডুকরে কেঁদে মরে। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত আহাজারি করে বারেবারে। আজো বাতাসে লক্ষ লক্ষ মা-বোনদের আত্নচিৎকারে কেঁপে উঠে, এদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা নরপিশাচদের অট্টহাসির ফোয়ারা। আজো এখানে সেখানে লাশের অর্ধগলিত দূর্গন্ধ নাকে এসে ছুঁয়ে যায়। অলিতে-গলিতে হায়নার দল ওৎ পেতে থাকে, শিশু-কিশোরী-নারীর নরম মাংস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে বলে। আজো মন্দিরে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
ধূলিকণার প্রহর শেষ হয়েছে, বিজয় মিছিলে রক্তমাখা শহীদদের প্রতিবিম্ব, ছায়া হয়ে যোগ দিয়েছে শ্লোগানে, মুমূর্ষু দেহ খন্ডিত পরিচিত চেনা মুখ, ভোরের রক্তিম সূর্য লাল রক্তের গান গাইছে, চারদিকে দেশের গান, কখনো গোলাবারুদের শব্দ, আজ ১৬ ডিসেম্বর। মাকে খুব মনে পড়ছে, কতদিন দেখিনা মায়ের মুখ, নিশ্চয়ই খুব চিন্তায় প্রহর গুনছে একাকী, বাতাসে বিজয়ের গন্ধ, মৃত্যুর খবর… [বিস্তারিত]
স্বাধীনতা তুমি এলে ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্ত মাড়িয়ে মৃত মানুষের ভেলায় চড়ে, অসহায় নারীর ইজ্জত নিয়ে হাজার মায়ের বুক খালি করে; কালো আঁধার রাত পেরিয়ে রক্ত রাঙা ঊষার ভোরে। হে স্বাধীনতা তুমি- দুঃখী মানুষের শেষ সম্বল বাসন, তুমি বজ্রকন্ঠের প্রতিধ্বনি বঙ্গবন্ধুর ভাষন; পাকি সেনাদের ঘায়েল করা দৃঢ় মনোবল মুক্তিযোদ্ধা বীর বাঙ্গালীর সু-সজ্জিত দল, মৃত্যু জেনেও… [বিস্তারিত]
১/স্মৃতি কথা জলের লগে সব সৃতি ভাসাই দিয়া আমার কথা তুমি ভুইলা যাইও! তোমার ম্মৃতিতে গেঁথে আছে মন রাত্র জাগা স্নিগ্ধ - সিক্ত জ্যোৎস্নার অবতরণ, ভাবনা চোখে চেয়ে আছে পথের দূরত্ব পাখির পালকের মতো জড়িয়ে আছে জীবন। ২/আমি লিখি-না কবিতা অল্প জ্ঞান আমার - আমি লিখি-না কবিতা, আমি শিখেছি আল্প - বাংলা বর্ণের করি চর্চা!… [বিস্তারিত]
(১) নীল চুড়ি ... যত্ন করে আগলে রাখো; পরিমাপের হাত আমার দখলে গেলে চোখে রেখে চোখ- তোমাকেই পরাবো। (২) কালো টিপ ... সৌন্দর্য বৃদ্ধির দাবিতে তোমার জায়গায় যার আমৃত্যু অনশন রোজ রোজ খালি করে দিও তাঁর অবস্থান- আমার উষ্ণ চুমুর স্লোগান। নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ। [বিস্তারিত]
বিজয় তুমি লক্ষ লক্ষ শহীদদের খন্ডিত দেহ প্রাণ। বিজয় তুমি ১৬ কোটি বাংলার বিজয়ের জয়গান। বিজয় তুমি রাখাল বাঁশি শষ্য ফুলের রং। বিজয় তুমি রাঙা বৌয়ের নতুন নতুন ঢং। বিজয় তুমি ময়না টিয়া ঘাস ফড়িঙের দৌড়। বিজয় তুমি মেঠো পথে এলোপাথাড়ি মোড়। বিজয় তুমি হাসনাহেনা শাপলা মোড়ক জবা। বিজয় তুমি লাল সূর্যের তীর ধনুকের আভা।… [বিস্তারিত]
রাহুগ্রস্ত ঋতুর বিভীষিকাময় দুঃস্বপ্নের কথা মনে হলে বুক থেকে ঝরে পড়ে দীর্ঘনিঃশ্বাস, দুঃস্বপ্নের ঘোরে আৎকে ওঠি ঘুম ভেঙে, তখন বিভীষিকার ক্ষতচিহ্ন বুকের পাজরে, জখম পেশি, অস্তিমজ্জায় জেগে ওঠে সেই শব্দহীন বাকরুদ্ধতার দিনগুলো প্রজ্জোল দীপ্তিময় হয়ে ওঠে ডায়রীরর পাতায় পাতায়, শরীরের আঘাতে আঘাতে, ক্ষতচিহ্নে। সেদিন আমাদের নির্দোষ প্রাণের দাবীকে স্তব্দ করে দিতে হায়েনা শ্বাপদেরা জনপদের পথে… [বিস্তারিত]
বিজয় তুমি মাঝির হাতে বেঁয়ে যাওয়া বৈঠা। বিজয় তুমি শীতের সকালে খেজুর গুড়ের পিঠা। বিজয় তুমি রৌদ্র পুড়া কৃষকের মাথাল ও লাঙল। বিজয় তুমি গৃহ বধুর ধান উড়ানো কুলা ও আঁচল। বিজয় তুমি কাছাড়ি বাড়ি রবীন্দ্রনাথের গান। বিজয় তুমি সমাধিস্হ কাজী নজরুলের প্রাণ। বিজয় তুমি শেখ মুজিবের ৭ই মার্চের ভাষণ। বিজয় তুমি শহীদ জিয়ার ধানের… [বিস্তারিত]
পাহাড়ের বুকে জলন্ত একটা আগুনের নিজস্বতা ছিলো ইচ্ছে করলেই যেখানে সেখানে উচ্চমাত্রার ছায়া দিতো ডাকতো না নিরবে কোনোদিন দুঃখের ঘুঘু অজান্তে হাসতো স্বচ্ছতায় গোলাপী ঠোঁট। হঠাৎ একদিন গণ মানুষের আড়ালে বুকে; অনাঙ্ক্ষিত দমকা বৃষ্টির জলরাশি নামে ভিজে গেছে; দুঃখের ঘুঘুরাও কান্না শিখে গেছে এখন পাহাড় ধরে রাখে শুধু বৃষ্টির নেয়ামত এখন পাহাড় ধরে রাখে শুধু… [বিস্তারিত]
বুকে মাইনের বিস্ফোরন ঘটিয়ে প্রিয়তমা চলে গেল, সুযোগের বন্ধু এলাকার বড় ভাই, বিপদে কেউ পাশে নাই, মেনে নিতে হলো লজ্জার হার; মনের জোরে কভু ফেরানো যাবেনা তাকে, সমাধান বিদঘুটে আমি যে বেকার। বিতৃষ্ণায় অস্হির করছি সময় পার, যুগের মত দিন যাচ্ছে কেটে, মদের আসরে গিয়ে ফিরেছি ব্যর্থ হয়ে, টাকার অভাবে মদ যায়নি পেটে; মা-বাবা চিন্তিত… [বিস্তারিত]
আমি অর্বাচীন তোমাদের মাঝে ইতিহাস হয়ে থাকবনা কোনো দিন। কোনো এক ঘাসফড়িং এর জীবনের ইতিহাস লেখা হবেনা কোনো খানে।। আমার সমাধি হয়ে যাবে মলিন, ধুলোয় মিশে যাবে দেহাবশেষ। আকাশ, মাটি, ভুলে যাবে আমিও ছিলাম। ভুলে যাবে তুমিও... তবুও আমি অনুভূতিহীন নই! ইচ্ছের ঘুড়ি উড়িয়ে তুচ্ছ জীবনে... খুঁজি ভালোবাসার আকাশ। একটু সুখ পোড়ামাটির ঘর সবুজ উদাম… [বিস্তারিত]
একদিন তোর হৃদয়ে উঠবে চরম ঢেউ, সেদিন মাঝিহীনা তরী বালুকাবেলায় উল্টে রাখবে কেউ, - সেদিন ঢেউয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ভাঙা ডিঙ্গিতে ভাঙ্গা দাড় নিয়ে, শান্ত করতে ঢেউয়ের তুফান লড়বে না আর কেউ ॥ একদিন তুইও ভাসবি চোখের জলে, ঝর্ণাধারা দুর্বার নেশায় আছড়াবে দুই কূলে ; - সেদিন বলবেনা কেউ থাকে যেনো সাদা তেমনি করে সদা… [বিস্তারিত]
প্রিয়তমা, তোমার পক্ককেশ কেমন দেখায় এখন? শিমুল তুলো নাকি শুভ্র কাঁশবন? অনঙ্গ আঁখি ক্রান্দন করেনা আর- আমার শোকে, অজ্ঞাত স্বপনে নিদ্রা না খন্ডে রাত গভীরে, ঊষার ভোরে; আমি চেয়ে দেখি শূন্য সরণি, তুমি আসোনা হেলে-দুলে চুনরিপদে! ফুসরত পাও কি বিবাদ করার সমন্নত দালানে? অশ্মতে মাথা ঠুকে পেলব পরাণ করেনা চিৎকার অকারনে? বুকের ভিতর বাড়ছে পাতক,… [বিস্তারিত]
এ জীবন নয় সখি, সপ্তডিঙ্গা দাঁড়হীনা তবু ছুটে, তোর আমার মাঝে সাত সমুদ্দুর তবু নেই ভয় খানিক/ মোটে। আলেয়ার পিছে ছুটে চলে মন অনুভবে বাঁধি ঘর, তোর মাঝে খুঁজি ঠিকানা আমার তুইহীনা যাযাবর। এ দেহ ঝড়েও সয়ে গেছে দেখ ঢেউয়ের সাথে দোলে, তোকে নিয়ে ফিরবে ডিঙ্গি আমার কালবৈশাখীর প্রতিকূলে। এ হৃদয় ভেজা সৈকত নয় তোর… [বিস্তারিত]
হঠাৎ কখনো দেখা হয়ে গেলে। কয়েক বছর, দুই যুগ পরে। হতে পারে, কাঠফাটা দুপুর, ক্লান্ত বিকেল অথবা বৃষ্টিমুখর কোনো সন্ধ্যায়। অপরিচিতের মত হেঁটে চলে যাবে? হৃদপিন্ড? সে-তো চুপ থাকে না। কতকিছু বলে! কতকিছু! দেহপিঞ্জর? ছায়ায় ছন্দপতন অবশিষ্ট ধোঁকা। শ্বাসনালী সংগ্রহ পরভৃৎ বোকা। [বিস্তারিত]








