প্লাষ্টিক দিয়ে বানানো ছইয়ের মত ছোট ছোট টুকরি ঘর। প্রতিটি ঘরেই অনেকগুলো করে মানুষ। শীত, গ্রীষ্ম সব উপেক্ষা করেই তারা বসবাস করে। একটা বড় পাতিলে দিনে একবারই রান্না হয়। কখনো কাজ পায়, কখনো পায় না। কাজের উপর খাবার-দাবার ডিপেন্ড করে।গোল হয়ে নারী- পুরুষের গল্প আর ঠোঁট লাল করে পান খাবার দৃশ্য দেখে তাদের পরিপুর্ন সুখী… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
ফুলে ফুলে ভরে গেছে ঐ পথের ধারের পলাশ আর কৃষ্ণচূড়া গাছটা, সেই কবে থেকে কোকিল গাইছে প্রাণ খুলে ঐ জানালার পাশের স্রোতস্বিনীর ধারে গাছটায়। কথা ছিলে এই বসন্তে খোকা তুই আসবি ওহে খোকা আজ বসন্ত প্রায় শেষ, তুই কেন আসছিস না কেন? এই মা তো তোর প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছে দিবানিশি সতত, খোকা তুই কবে আসবি… [বিস্তারিত]
ভুলিনি আমি তোমার সেই দিন, আজও মনে বেঁধে রেখেছো তুমি। হয়তো যেদিন মনে পড়বে আমার সেই স্মৃতি, সময়ের বেদনা নিয়তির খেলায় কাঁদবে শুধু তুমি । আজ সেই নিয়তির খেলায় পরাজিত আমি। তবুও তুমি আমার কাছে অতীত কাহিনী । হয়তো কাছে পাবো যেদিন, তখন তো চিনবে না এই অতীত। জানিনা কোন নিয়তির খেলায় আজ তুমি দূরে,… [বিস্তারিত]
বাংলাদেশের কোন এক অদূর প্রান্তে-আছে ছোট্র একটি গ্রাম,সেই গ্রামে মায়াবতী একটি মেয়ে থাকে-মন মায়াবী কন্যা দিয়েছি তার নাম।মায়বী কাজল কালো চোখের দৃষ্টি-ঠিক যেন মায়াবী হরিনীর মত,যেন বিধাতার নিজ হাতের সৃষ্টি-মুগ্ধ হয়েছি দেখেছি তাকে যত।চোখের চাহনি দেখলে মনে হয়-যেন বৃষ্টির চাঁদরে ঘেরা,মাঝে মাঝে ভাবি তার চোখ দুটি-এ জগতে মনে হয় সৃষ্টির সেরা।মুখটা দেখলে মনে হয় যেন… [বিস্তারিত]
মা শব্দটি মধু মাখামায়া মমতায় জড়িয়ে থাকা,হৃদয়ের গহিন থেকে আসাএকটি মমতা মাখা শব্দ - মা। সাংবাদিক থেকে বড় সাংবাদিকসে হলো -মা, সন্তানের আপদ বিপদ হলোমায়ের অন্তরে আগে লাগে ঘা। মা হলো সন্তানের বড় বন্ধু এই জগতের হাই,সুসময়ের বন্ধু সবাইবিপদের বেলায় নাই। সন্তানের জন্য মাকরে অনেক কষ্ট,তার জীবনের সব সাধসন্তানের জন্য করে নষ্ট। মা শব্দ মধুর… [বিস্তারিত]
কুয়াশা চারিধার, ভয়ানক অন্ধকার নীহারিকা পথ হারায় বারবার দুঃখ-কষ্ট জীবন মিলেমিশে একাকার আলিঙ্গনে পাইনি কোন উপহার কুকুরের সাথে ভাগ করে খাই উচ্ছিষ্ট খাবার। রুগ্ন দেহে ছেঁড়া বস্ত্র গায় কাগজ কুড়াই ফুটপাতে, ঘুমাই রাস্তায় ঝড়, বৃষ্টি আর অনাদরে কষ্ট পাই অবহেলায় চোখ রাঙ্গিয়ে সবায় দূরদূর করে তাড়ায়। স্বাধীনতা দিবসের মানে আমাদের জানা নাই বাঁচার তাগিদে প্রতিনিয়ত… [বিস্তারিত]
এই যে শিশু ভাবছ কিছু বসে নদীর ধারে জলাঙ্গীর ঊর্মিতে কেন, ও পথিক ভাই ওই তরীটি নড়ে -জানিনে বাপু। ও পথিক ভাই, ঐ দেখ মাঝি ভাই নিয়ে যায় তরী, সে কি আর ফিরবে না ঐ তার বাড়ি, -জানিনে বাপু। শোন, শোন ও পথিক ভাই, বলি তোমারে নদীর ধারে বসে আমার কাটে সারাবেলা, যাকে আমি প্রশ্ন… [বিস্তারিত]
অভিমানী প্রিয়াকে বললাম ফোনে- একটি কথা শোনো,তোমার সাথে এখন থেকে- নেই গো রাগ কোনো।দেখা করো আমার সাথে- অনেক কথাই আছে,ভালোবাসবো অনেক তোমায়- থাকবো সদা কাছে। প্রিয়তমা বলে এসব পুরাতন কথা- শুনছি বহুবার আগে,তোমার মুখের মিষ্টি কথাও এখন- তেতো তেতো লাগে।কিন্তু আমি শহরে আছি- বেশ কদিন থেকেই,পরিচালক আমায় নায়িকা বানালো- প্রথমবার দেখেই। [বিস্তারিত]
হাজার বছরেরর শ্রেষ্ঠ বাঙালি তুমি মুজিব তোমার নাম, এই ধরাতে তোমার সমতুল নেই তো কারো দাম। বাঙালির সুখে হাসতে তুমি কাঁদতে বাঙালির দুখে, নিজের স্বার্থ তুচ্ছ করে তুমি দাঁড়াতে মৃত্যুর মুখে । লোভ লালসা দেখিয়ে তোমায় কিনতে পারেনি কেউ, তার জন্য তোমার জীবনে আসতো পাক শাসকদের ঢেউ। মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে তোমায় ওরা রুখতে চেয়েছিল… [বিস্তারিত]
সেই দিনে এই মাঠ এরুপ ছিলো নাছিলো বিশাল জনাকীর্ণ,ছিলো জনসমাগম।সেই দিনই ছিলো বাংলার শ্রেষ্ঠ বিকেলএই বিকেল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে অদ্বিতীয়এ এক নতুন কাব্যের মেলা । নিস্তব্ধ নিরব ছিলো চারদিকের পরিবেশতরুলতায় বসে আছে ঝাকে ঝাকে সাদা পাখিকাব্য শুনবে-অধীর আগ্রহে বসে বন্ধুর মাটিতেদশ লাখ জনগণকাব্য শুনবে-কানাকানি করে বলে, কখন আসবে কাব্যিককখন শুনাবে তার অমৃত কাব্যখানিজনতা ব্যাকুল হয়ে বসে আছে… [বিস্তারিত]
উত্তাল ৭'ই মার্চে শিউরে উঠে নীরীহ গাঁ, এই দিনটির অপেক্ষায় প্রিয় জন্মভূমি মা। কানে সদা ভাসে মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, বলিষ্ঠ তেজদীপ্ত কন্ঠ থেকে ঝরতেছে আগুন। সে ফুলকি ছড়িয়ে পড়েছে উত্তপ্ত বাংলায়, দেশপ্রেমিকরা সবসময় তাই শুনতে পায়। যার স্পর্শে নীরীহ বাঙালি হল বীর যোদ্ধা, মুছতে পারবে না কভু দেশের সব বোদ্ধা। মরু বুকে জন্ম নিল সাহস… [বিস্তারিত]
আহা!আমার কাজের মেয়েটার বাহারি নাম 'কোহিনূর '। বয়স কত হবে?আমার সমবয়সী প্রায়। হলে কি হবে, ভাবেসাবে পাক্কা মুরব্বি। সেই কোন ছোটবেলায় বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। মূল বয়সের দুই তৃতীয়াংশ বিয়ের বয়স। এরইমধ্যে ছেলের বিয়ে দিয়েছে। তো মূল প্রসঙ্গে আসি। মেয়েটা মস্ত ফাঁকিবাজ। দু'দিন কাজে আসে তো দু'দিন আসেনা। একদিন খুব করে বকা দিলাম, রোজ এরকম… [বিস্তারিত]
কত অপেক্ষায় ছিলাম পড়ন্ত বিকেল এসে ছুঁয়ে যেতো বৃষ্টি ঘাম আর কিছু সুখের সুবাস ঘ্রাণ! উড়ে যেতো রাতমাখা ছোট ছোট যত স্বপ্ন; অথচ এখন পড়ন্ত বিকেল কাছে আসে না ক্লান্তি দূর বহুদূর অপেক্ষা দুরন্তপনা ভাবায় না দীর্ঘশ্বাস টানে রোদহীন, ছায়াহীন পড়ন্ত বিকেল চোখের নীরবতার ঘুম ধরে না- স্মৃতির মেঘে ভাসায় কোন এক পড়ন্ত বিকেল হৈ… [বিস্তারিত]
বললো ডেকে ছোট্ট টুনি বলতো চাতক ভায়া, আমার চোখে জল দেখে তোর উত্থলে না কি মায়া? সবাই বলে তুই বেটা এক তুচ্ছ প্রাণী হেন, তোর মায়া ডাক মোদের বিধি শুনবে খোশে কেন? বললো চাতক মিছেই ভাবিস যখন আমি কাঁদি, কেউ বলে তা স্বর্ণ সম ব্যঙ্গে বা কেউ চাঁদি! ছবি: সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]
চার বেহারার চাঁদের পালকিতে- ঘোমটা টেনে জ্যোৎস্নার সিঁড়ি বেয়ে তুমি এসো, তোমায় নিয়ে হাজার স্বপ্নের কথামালা সাজিয়ে রেখেছি বরণ ডালায়। চড়কা কেটে কেটে মেঘের তুলোয় বুনছো কত শত শ্বেত-বসন; পয়স্বিনী চন্দ্রিকায় বাসর রচিছো তার-ই আঁচল-বিছানায়। তোমায় নিয়ে সহস্র কাব্য, গল্প , উপন্যাস রচিত; তবুও অধরা,অদৃশ্য বলয়ে ঘূর্ণায়মান ধরণীর জন্মলগ্ন থেকে। কুয়াশামাখা চন্দ্রের শিশিরে অবগাহন করো-গঙ্গাজলের… [বিস্তারিত]



















